Sunday, December 29, 2019

জ্বলন্ত

জ্বলন্ত বাতি ফুঁ দিয়ে নেভানো হোক বা অন্যকিছু দিয়ে নেভানো হোক না কেন,
আলো নিভে যাওয়ার সাথে সাথেই
ঘনকালো ধূমায়মান কুন্ডুলীর সৃষ্টি হয়।

আর সেই ধোঁয়ার  ছায়াতলে ছায়া পড়ে
থাকে ছেড়ে যাওয়ার নীলকষ গাঢ় ঘুটঘুটে  অন্ধকার।

আবার সেই ধূমপথে সত্য ভালোবাসার
অসংখ্য  ছাপ পড়ে রয় চিরজন্মের তরে
যা ভুলে যাওয়ার নয়!

🔥🔥🔥🔥
দূরন্ত পথিক

রাত্রির সাথে প্রেম

রাত্রির সাথে প্রেম
🍁🍁🍁🍁🍁

মনটা এখন চারণ কবি
তাইতো চাঁদ,তারা,জ্যোৎস্না আর
প্রকৃতির কতশত কথা শব্দে যায়
এঁকে।

প্রেম,বিরহ,ভালোবাসার কত কথা
নিত্যদিন নানান শব্দে বর্ণে আঁকি
মন ছুঁতে পারেনি হয়তো আজও
দেখিনিতো কই।

এখন কোথাও যেন প্রেম নেই কিছুতেই
রাত কে তাই প্রেমিকা ভেবে রাতের সাথেই
বন্ধ ঘরে অন্ধকারে ভালোবাসার কথাবলি।
কথা বলতে বলতে মাতৃকার কতশত কথা বুকটারে কুরে কুরে খায় অন্ধকারে শুধুই ব্যথা পাই।

কিন্তু আলোতে এলেই ভুলে যাই সব
আলোতে শব্দগুলো এলেই পথিকের
 হবে শব!
তাই বিরহ ব্যাথা বুকে ধরে
রাতের অন্ধকারের  সাথেই এখন
প্রেম চলে মহা সমারোহে কখন যে
ভোর হয়!
কে জানে.................................!?

💧💧💧💧
 দূরন্ত পথিক

প্রিয়তমা

প্রিয়তমা
🌼🌼🌼

কেমন আছো?কোথায় কী করছো তুমি? মহাকালের হাত ধরে আসা প্রিয়তমা

               কতদিন হল তোমায় দেখি না!

প্রিয়তমা তোমার অন্তত আছে জানা
প্রতিদিন কতশত শব্দের করেছি কবর রচনা।

কত সময় বয়ে গেল কথা হয় না!
একসাথে পথে চলা হয় না !

                      ভুলে গেলে নাকি বঁধুয়া?
রাতের জ্যোৎস্নাময় আকাশপ্রদীপে চেয়ে,
চাদর মুড়ে ছাদে গিয়ে চাঁদনি আলোতে

          গল্পসল্প হয়নি কতদিন হয়ে গেল!

কতদিন হলো ঘুমোবার সময় শুভরাত
কথাটা না শুনেই ঘুমোতে যাই একাকী
বিছানে!

 তুমি থাকো কই,একবারো এলে না'কো
ভোরের ঘুম ভাঙানো,
সুরেলা কন্ঠে গাওয়া সুমধুর গানে

             হৃদয়কোণে প্রশান্তির বারি হয়ে
নিবিড় ঘুমের দেশে হারিয়ে যাওয়া হয় না আর!

পৃথিবীর চরাচরে তোমার ব্যস্ততম জীবনে
কতশতবার নিতে হয়েছে বিশ্রাম কিংবা স্বল্প অবসর;
সেতো আমারি কারনে তোমার ভালোবাসার প্রশান্ত মহাসমুদ্রে ছায়াতরু মায়াবী হৃদয়ের

         উষ্ণতা কিংবা শীতলে ডুবে যেতে।

আজকের পৃথিবী খণ্ডিত শতনামে কত খন্ডে
উঠেছে ব্যবধানের দেওয়াল নানান বর্ণে আর ধর্মের নামে;
কাঁটাতারে আবার সীমানা পিলার পুঁতে দিয়ে  সহস্র হৃদয় বিভক্ত হয়েছে তোমায় রেখেছে দূরে!

ক্ষমতার লোভ আর কুক্ষিগত করার মানসে দিচ্ছে সাধারণে যতরকম আছে অবরোধ, কারফিউ মাটিতে কিংবা আকাশ-বাতসে!
ওদের দৌরাত্ম্যে প্রিয়তমা গোপনে কাঁদে।

মানব মানচিত্র এঁকেছে কাটা কম্পাসের
নিখুঁত মাপে,
তুলেছে দেওয়াল পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে কেড়ে নিয়েছে তোমার আমার কথা বলার অধিকার।

হৃদয়ে অঙ্কিত সহস্র অনুভব অব্যক্ত হয়েছে রক্তাধিক্যে ভুগছে তোমার আমার অন্তর!

          যত ভাগে বিভক্ত হোক না পৃথিবী

         তোমার হৃদয়ের শতভাগ আমারি।

নিঃশব্দে ছদ্মবেশে ছায়া হয়ে থাকি তোমারি অতলে।
প্রিয়তমা এসো বিজয়িনী বিপ্লবীর বেশে

            নামবো রাজপথে।

ভেঙ্গে দিতে ওদের কারফিউ
আরোপিত বিধিনিষেধ আছে যত!

শতকথা আছে প্রিয়,শতাব্দীকালেও শেষ হবার নয়!
তুমি এসো কথা হবে তোমার আমার মিলন মেলায়।

ইতি ________________

তোমার প্রিয়তম

🌷🌷🌷🌷
 দূরন্ত পথিক।

সহিষ্ণুতা

সহিষ্ণুতা
🔥🔥🔥

"বন্ধকী হৃদয়ের ক্রদন চিরকালই রয় অতিগোপন", জ্যোৎস্নার আলোয় ভুবন হয় মোহন। আলো সঞ্চেয় কালে সইতে হয় তীব্র দহন,সহস্র প্রাণ ভুলেও ভাবেনা সে'কি বেদন!

💚💚💚💚
 দূরন্ত পথিক

নীরব কান্না

নীরব কান্না
💧💧💧💧

একলা হলেই বুঝবে
অনুভবে শূন্যতা কত!
একা থাকলেই বুঝবে
অনুভবের ভালোবাসায়
                              সিক্ততা ছিলো কত!

দূরে গেলে তার প্রতি
মায়া বাড়বে না'তো আরো!?
কেমন করে এমন প্রাণে
 বাঁধলে তারে বলো!?

দিনগুলো সব তার নামে
চাইনা হোক আরও গত!
কায়া জুড়ে রাখো তারে
চোখে কান্না ঝরাও কেন!?

এমন অবুঝ অনুরাগে,
                       তারে নিয়ে ভাবতে না'কি
                        সবচেয়ে ভালো লাগে!
হৃদয় বিমুগ্ধ হয় তারও লাগি!

জীবনে একটা কেউ আছে
বলেই,
        বলতে পারো আর কেউ
হয়না তার মত!

অনুভবের ভালোবাসায় একা
বসে অনুরাগে কেন কাঁদো!?
বিনা মেঘের অশ্রুপাতে
তার হৃদয়ে কেন অগুন জ্বালো!?

 দূরন্ত পথিক
🔥🔥🔥🔥

পথে যেতে হবে

পথে যেতে হবে
🍁🍁🍁🍁🍁

যেতে হবে পথের শেষপ্রান্তে
যেতে হবে সময়ে বা অসময়ে!
যেতে হবে নিয়তির বিধানে !

পথে যেতে চাঁদনি আলোর শেষে,
অমানিশা আসে পক্ষকাল শেষে।
পথে যেতে হয় সময়ের ডাকে!

পাড়ি দিতে হয় শুকতারা বিহীন
এপথে,
মেঘে ঢাকা পড়ে রয় সকাশে!

পথে যেতে হয়, হারায় তিমিরে
সূর্য ডোবে সাঁঝের মায়ামি ঘোরে!
পথে যেতে হয় নিঃশেষে নিঃশর্তে!

 দূরন্ত পথিক
🍂🍂🍂🍂

বন্ধুর পথে

বন্ধুর পথে
🍃🍃🍃

শতাব্দীকাল ধরে হেঁটে চলা
দূরন্ত পথিক,
অন্তহীন বন্ধুর পথে বিরতিহীন....!
শত বাধা বিপত্তি উতরে ক্লান্তিহীন।

পথের পথিক হয়ে তপ্ত মেরুবলয়ে
মাথা খুঁড়ে চলা কতশত দিন,
নিরাশায় বিশ্বাসটুকু চেয়েছি শতবার
নিত্যদিন।

জীবনপথে সুখ সন্ধানপুস্তক রচিত
হয়নি,
নীলাকাশে পূর্ণচন্দ্র কতদিন গত হলেও
উঠেনি!

দূরন্ত পথিক
⚪⚪⚪⚪

জন্মরহস্য

।।জন্মরহস্য।।
🌱🌱🌱🌱

বেঁচে থাকার স্বপ্নে
কখনও কখনও রুদ্ধ হয়
সত্যের প্রাণবায়ু!
কতো নব উদ্যম হয় কবরস্থ।

কত বিহঙ্গ ঝরে পড়ে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় নিরবে,
ক'জন রাখে সে খবর!

বিটপী বনে কতশত তরু জন্মে,
ভালোবাসা পেয়ে ক'টা তরু
মানুষের আঙিনা জুড়ে থাকে!?

গুল্মলতা বা আগাছা বলে
মানুষের হাতে বলিদান হয় প্রতিদিন!
গুল্মলতা ওরা'ও অনাদরে,
অবহেলায় জন্মে!

আবার মানুষের আঙিনায়
শোভাবর্ধনে নিত্য বলিদানে
সুখের হাসি হাসে!
নিয়তির দারুণ পরিহাস!

চন্দন বা শীল কড়ই কিংবা
সেগুন, শাল......
আদরে, আবদারে বেড়ে উঠে চিরকাল।
অনাহুত হয়ে বেড়ে উঠা গুল্মলতা,
ওদের জল সেচনের জায়গা করে দখল;
জল সেচনের অজুহাতে
কিংবা আগাছা সাফাইয়ের নামে,
গুল্মলতাই বলি হয় সর্বাগ্রে!
ওদের বৃদ্ধিতে বাধা পাবে
বলে!
তবুও গুল্মলতারা জন্মায় চিরকাল,
বেড়ে ওঠার স্পর্ধা নিয়ে!

 দূরন্ত পথিক
🌿🌿🌿🌿

Saturday, December 14, 2019

মধ্যবিত্ত

মধ্যবিত্ত
⭕⭕⭕

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি যোদ্ধা
হতে,
               কখনো চেয়েছি বিদ্রোহী হতে;  কখনো কখনো চেয়েছি কবিতার কবি        হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি আকাশ হবো,
         কখনো চেয়েছি নদীর জীবন হতে
কখনো আবার চেয়েছি শিল্পীর আঁকা ছবি হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি বন্ধুর বন্ধু
হতে,
কখনো আবার চেয়েছি প্রচণ্ড রোদে ছায়া হতে!
কখনো আবার চেয়েছি তৃষ্ণার জল হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি স্বচ্ছ
হতে,
     কখনো চেয়েছি আধারে হারাতে
কখনো আবার চেয়েছি সত্যের বেদ
হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো হয়েছি শত্রুতা ঘোর
জের,
কখনো হয়েছি আবার ধনিকের খেল
কখনো কখনো হয়েছি প্রেমিকার ছল।

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি মিছিলে যেতে
কখনো আবার চেয়েছি একাকী নিঃস্ব  হতে
কখনো কখনো চেয়েছি হতাশার আশা হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি সঠিক সময় হতে,
       কখনো চেয়েছি দুর্বার গতি হতে
কখনো আবার চেয়েছি রাতজাগা প্রেমিক হতে!

মধ্যবিত্ত আমি,
                মধ্যবিত্ত হবার দায়ে চিরকাল,
আমি চিরকাল হলাম অপরাধী সর্বকালে;
              নির্বিশেষে সবার কাছে!

দূরন্ত পথিক
🔥🔥🔥🔥

Friday, December 13, 2019

প্রিয়তমা

কেমন আছো?কোথায় কি করছো তুমি?
মহাকালের হাত ধরে আসা প্রিয়তমা
               কতদিন হল তোমায় দেখিনা!
প্রিয়তমা তোমার অন্তত আছে জানা
প্রতিদিন কতশত শব্দের করেছি কবর রচনা।

কতসময় সময় বয়ে গেল কথা হয়না!
একসাথে পথে চলা হয়না,
                      ভুলে গেলে না'কি বঁধুয়া! রাতের জ্যোৎস্নাময় আকাশপ্রদীপে চেয়ে
চাদর মুড়ে ছাদে গিয়ে চাঁদনি আলোতে
                   গল্পসল্প হয়নি কতদিন হয়ে গেল!
কতদিন হল ঘুমোবার সময় শুভরাত
কথাটা না শুনেই ঘুমোতে যায় একাকী
বিছানে!
           তুমি থাকো কই,একবারো এলে না'কো
ভোরের ঘুম ভাঙানি স্বপ্নে!
                   সুরেলা কন্ঠে গাওয়া সুমধুর গানে
                   হৃদয়কোণে প্রশান্তির বারি হয়ে
নিবিড় ঘুমের দেশে হারিয়ে যাওয়া হয়না আর!

পৃথিবীর চরাচরে তোমার ব্যস্ততম জীবনে
কতশতবার নিতে হয়েছে বিশ্রাম কিংবা স্বল্প
অবসর;
সে'তো আমারি কারনে তোমার ভালোবাসার
প্রশান্ত মহাসমুদ্রে ছায়াতরু মায়াবী হৃদয়ের
                উষ্ণতা কিংবা শীতলে ডুবে যেতে।

আজকের পৃথিবী খণ্ডিত শতনামে কত খন্ডে
উঠেছে ব্যবধানের দেওয়াল নানান বর্ণে আর
ধর্মের নামে;
কাঁটাতারে আবার সীমানা পিলার পুঁতে দিয়ে  সহস্র হৃদয় বিভক্ত হয়েছে তোমায় রেখেছে দূরে!

ক্ষমতার লোভ আর কুক্ষিগত করার মানসে
দিচ্ছে সাধারণে যতরকম আছে অবরোধ,
কারফিউ মাটিতে কিংবা আকাশ-বাতসে!
       ওদের দৌরাত্ম্যে প্রিয়তমা গোপনে কাঁদে।

মানব মানচিত্র এঁকেছে কাটা কম্পাসের
নিখুঁত মাপে,
তুলেছে দেওয়াল পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে
কেড়ে নিয়েছে তোমার আমার কথা বলার
অধিকার।

হৃদয়ে অঙ্কিত সহস্র অনুভব অব্যক্ত হয়ে
রক্তাধিক্যে ভুগছে তোমার আমার অন্তর!
            যত ভাগে বিভক্ত হোকনা পৃথিবী
           তোমার হৃদয়ের শতভাগ আমারি।
নিঃশব্দে ছদ্মবেশে ছায়া হয়েথাকি তোমারি
অতলে।

প্রিয়তমা এসো বিজয়িনী বিপ্লবীর বেশে
                                নামবো রাজপথে।
ভেঙ্গে দিতে ওদের কারফিউ,আরোপিত বিধিনিষেধ আছে যত!

শতকথা আছে প্রিয়,শতাব্দীকালেও শেষ
হবার নয়!
তুমি এসো কথা হবে তোমার আমার মিলন
মেলায়।

ইতি ____________
      তোমার প্রিয়তম









Thursday, December 12, 2019

অভিযোগ নেই

অভিযোগ নেই কোন আকাশের
দুরজনের দূরে থাকা নিয়ে নেইকো প্রশ্ন
আর!
অভিমানী আকাশটায় ধূলিরাশির
আস্তরণে ঢাকা আজ ঘন কুয়াশায়।
বিহানের আলোতে পথটা যায়না দেখা
ভালো কুয়াশাচ্ছন্ন ধূসর ধূমলেখা পথ।
আকাশের নেই নাগাল ধরার ক্ষমতা
সিপাহশালার পথেগিয়ে কেমনে ভেজাবে
প্রেয়সীর অঙ্ঘ্রির।
ঋতুবদলের ন্যায় বায়ুর প্রবাহধর্মেও
দেখা দিলো ঘোরান,
ঠিক যেন দিক পাল্টে চলার নতুন
পণ।
অভিমানী সমীরণ দেয়না বার্তা এখন
আটকে গেছে নদীর ছান্দসিক স্রোতোবহা
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত বলে কথা।
অনুভবের আলপথ বেয়ে ভাবনাগুলো পৌঁছালো না তীরে,
বারংবারে বাধা পেয়ে আসলো ফিরে ভগ্ন
হৃদয়কোণে।
অভিযোগ নেই আর অভিমানী আকাশটার
বক্ষদেশে জমেছে বরফের বিশাল পাহাড়,
এইতো মোদের উদ্বাহ সুখের বিশ্বস্ত বাতাসি
সংসার।

দূরন্ত পথিক 





Sunday, October 20, 2019

কবিতা

কবিতা
🌠🌠

কবিতা তোমার প্রতিটি বর্ণে
ভাসি ভালোবাসার ভেলায়
প্রতিটি যতি করে যতন
সুখের ঢেউ জীবনের বালুকাবেলায়
আছড়ে পড়ে সমুদ্রের উথালপাতাল তরঙ্গের মতন।

কবিতা তোমার বলা শব্দে কতশত দুঃখ
মুহূর্তেই মুছে যায়
বাম পাঁজরের ব্যথাটা হঠাৎই থেমে যায়।

কবিতা তোমার ভুবনমোহন সুরে
পরিতৃপ্ত হয় এ হৃদয়
শত কল্লোলে মুখরিত করে জগৎ প্রেমময়।

কবিতা তোমার প্রতিটা শব্দে কাঁদতে শিখেছি আমি
কঠিন শিলার ঝর্ণা বয়েছে আমার নয়ন নামি।

কবিতা তোমার ঝরে পড়া শব্দে সেজেছে সবুজ বন
মৃতপ্রায় বৃক্ষ তোমার ছোঁয়ায় পেয়েছে নতুন জীবন।

শতজনমের ভালোলাগা
সহস্র ভালোবাসা
সকলই তোমার দান
ভুবনের মাঝে
সকাল-সাঁঝে
বাজে তোমারই সুরেলা গান।

তুমি সৃষ্টি,তুমি ধ্বংস
অবিনশ্বর তুমি
তোমাতে সপিবো চিরদিন আমাকে
তোমারই হৃদয় চুমি।

☀☀☀☀
দূরন্ত পথিক

Thursday, September 5, 2019

উড়ন্ত বলাকা

বলাকার মতো উড়ে খুঁজে চলি মাথা গুঁজবার ঠাঁই
পড়ন্ত বেলায় দেখি আর কোনো পিছুটান নাই।

চলনধর্ম তার খুঁজে মরে হাহাকার
পাছে কিছু পেয়ে গেলে করে সুখ চিৎকার।

বাড়ন্ত জীবন জ্বলে মরার ভয়ে শংকিত দুটোমন!
জীবন্ত মনে ভালোবেসে দূরে থাকা মৃত্যুর সমান।

জানিনে হৃদয় পাবে কি
সেই মানসীর ছোঁয়া
নাকি বেলা শেষে সব হবে হেসে কুয়াশার ধোঁয়া?

যত কথা বলি বাতুলতা ভরা শেষ হবে একদিন
বেঁচে থাক তুমি নাম আরো বেঁচে থাক তার ঋণ।
❄❄❄❄
দূরন্ত পথিক







Tuesday, August 27, 2019

শিরোনামহীন

এলো চুলে আঙিনায় এলে
ভালোবেসে দুহাত বাড়ালে
তুমি মোরে মায়ায় জড়ালে।

শোনালে গান পাখির মতন
জুড়াইলে পোড়া দেহমন
ভালোবাসা এমন বাঁধন
দূর হতে এসে কর যতন।

রঙিন ছবি মনে দিলে আঁকি
ভালোবাসা আজ কোথায় রাখি
বেলাশেষে রেখে যাবে না'কি?

গোধূলির লগ্নে খালি গলে
গান গেয়ে জুড়ালে মন
রেখে গেলে মধুর স্মৃতি
কেমনে তোমায় দূরে রাখি!

🎻🎻🎻🎻
এলোচুলে আঙিনায় এসে
দুহাত বাড়ালে খুব ভালোবেসে।
মধুর হাসিতে মুগ্ধতা ছড়ালে
ভালোবাসার মায়ায় জড়ালে।

শোনালে গান পাখির মতন
জুড়ালো এই পোড়া দেহমন
ভালোবাসার এমন বাঁধন
দূর থেকে শুধু করেছো যতন।

রঙিন ছবি তুমি মনে দিলে আঁকি
এত ভালোবাসা আজ কোথা বলো রাখি?
নিশিতে কেঁদে বলে পোড়া মনপাখি
বেলাশেষে মোরে একা ফেলে যাবে নাকি?

গোধূলিলগ্নে এসে জুড়ে দিলে গান
সেই গানে আজ প্রাণ করে আনচান।
তোমার মূরতি পানে আজ চেয়ে থাকি
তুমি যে আমার ওগো পোষা মনপাখি।

দূরন্ত পথিক

জোস্না অনন্ত

মেঘের কাছে উড়ো চিঠি................................

হে আমার চির সুন্দর ,
            তোমার আকাশে যে কালো মেঘের ঘনঘটা দেখছো,তা আমারই পাঠানো জমাট বাঁধা শব্দ-মেঘ। এতে লিখে দিয়েছি আমি, এক জনমের মাধুরী মেশানো শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার কথা।সে মেঘ যদি ঝরে পড়ে তোমার মনাকাশে,তুমি ভিজো সে শব্দ-বৃষ্টিতে এক পশলা।
           বারবার ফোন নম্বর লিখে,ডায়াল না করেই মুছে ফেলা যদি ভালোবাসা হয়,এস. এম. এসের পর এস.এম. এস লিখে মুছে ফেলতে ফেলতে, মনের কাছে হার মেনে,কোনও না কোনও বাহানায় একটা এস এম এস পাঠানো যদি ভালোবাসা হয়,তোমার অসাবধান পথ চলা আর বাতাসে উড়ে বেড়ানো দেখে, বুকটা মোচড় দিয়ে উঠা যদি ভালোবাসা হয়, তবে হয়তো তোমাকেই আমি ভালোবাসি।
            হে সত্য,তুমি কি জানো না প্রতিটি নি:শব্দতার ও একটা গভীর শব্দ থাকে!থাকে একটা অজানা আবেশ!তাই না বলার মাঝেও আমি বলে যাই পৃথিবীর সমস্ত ক্ষুধা,তৃষ্ণা, হাহাকারের কথা নিবিড়ভাবে।পৃথিবীর অমানুষিকতা,অসহিষ্ণুতা যেখানে তোমাকে ক্ষত,
বিক্ষত করে প্রতিনিয়ত,সে রক্তাক্ত স্থানে আমি
মায়াবী সবুজ আঁচল দিয়ে ঢেকে দিতে চাই সকল
অসাম্যতার ক্ষতচিহ্ন,তোমার বিপ্লবী সাথী হতে।
            হে সুন্দর,তোমাকে আগলে রেখেছি আমি,যেমনটা আগলে রাখে শক্ত হাড়গুলো স্পর্শ
-কাতর হৃদয়টাকে,সমস্ত অমানবিক রোষানল থেকে।পৃথিবীর সমস্ত ঘুম যখন তোমার চোখে ঝরে
পড়ে,স্ট্রীট লাইটের নীচে ঘুমন্ত পথ শিশুর মশার কামড়ে
আমি জেগে উঠি,রাতের গায়ে ভালোবাসার গন্ধ মেখে, ডেকে পাঠাই পথে নামার আহ্বানে তোমার কাছে।ইচ্ছে করে পৃথিবীর অমানবিক অট্টালিকার ঘুম বিলাসীদের কান ধরে টেনে আনি রাজপথে।তুমি কি আমার হাতে হাত রেখে সায় দেবে আমার ইচ্ছাতে!?অজানা মোহের মাদকতায় চাঁদ যেমন
লুকিয়ে থাকে রাতের গভীরে,আমিও লীন হয়ে মিশে আছি তোমাতে জন্মের মতো,তোমারই অগোচরে।ইচ্ছে করে কোনও বার্তা নয়,এক মুঠো
তেজোদীপ্ত সূর্যালোক মুঠোয় করে এক দৌঁড়ে ছুটে
আছড়ে পড়ি তোমার বুকের 'পরে,এঁকে দিই রাজটীকা তোমার কপালে,মানুষের অধিকার আদায়ের বীর যোদ্ধার মতো।
            হে বীর ,জানি মানুষের সুখের সময় খুব স্বল্প হয়,দীর্ঘ হয় শোকের রাত!তুমি কি বলতে পারো প্রিয়,এ দেশের শোকাতুর চাঁদ কবে গ্লানি মুছে নূতন ভোরকে করবে আহ্বান!কবে ইতি টানবে শোকার্ত অসহায় জনতা এই দিন গভীরের
অমানিশার!তুমি তো সুন্দর প্রিয়,তবে তুমি তো সত্যদ্রষ্টা।কেন দিতে পারছো না প্রতিশ্রুতি
আমাকে!আমি তো জানি ঈশ্বর ই সত্য,সুন্দর।
        হে আমার চির সুন্দর,তোমাকে হারানোর ভয়ে
আমি কুঁকড়ে থাকি!কারণ,কেউ এখন আর সত্যের পূজো করে না!সেই সত্য যেদিন এক্কেবারে হারিয়ে
যাবে,পৃথিবীর ধ্বংসের মতো আমাকে হাঁটতে হবে
অস্তাচলের পথে দীর্ঘ সফরের ইতি টেনে।প্রিয় আমার,আমিও চাই কেউ আমাকে যত্নে গুছিয়ে
রাখুক তার বুকের উষ্ণতায়,সে আমার অধিকার বোধ বলতে পারো,যেমনটা অধিকার বোধ প্রতিটি সুস্থ নাগরিক আশা করে রাষ্ট্রের কাছে।আমার পেট ভর্তি অভিমান থেকেও,কতোবার ডেকেছি তোমায়,কতোবার করাঘাত করে ফিরেছি তোমার খিল দেওয়া দ্বার থেকে,কতোবার মরেছি মরণে,যেমনটি মরেছে,মরছে হাজার হাজার ভারতবাসী বিচারের  নীরব প্রহসনের দ্বার থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে।তবুও এ পৃথিবীর কাছে আমার,আমাদের অমৃত্যু প্রত্যাশা থেকেই গেলো।
             হে তাপস,আমার বর্ণময় জীবন বিবর্ণ হয়,মনের সবুজ উপত্যকা হয় রক্তাক্ত,তোমার অবহেলা,স্বেচ্চাচারী সিদ্ধান্ত আর দম বন্ধ করা তীব্র বজ্র বেষ্টনীর ফরমানে!আমি দুঃস্বপ্নে জেগে উঠি,ছিঁড়ে ফেলি সমস্ত বেড়াজাল ও বেআইনী
ফরমান।লিখে যাই সত্য ইতিহাস তোমাকে স্বাক্ষী রেখে,এ পৃথিবীর প্রেমহীন,অমানবিক ও অসামাজিক ধর্ষণের বুকে দাঁড়িয়ে।হে প্রিয়,তুমি কি
এ স্বপ্ন সত্যের সংগ্রামে সাথী হবে?মানবাত্মার মুক্তির শ্লোগানের মুখরিত করবে আকাশ,বাতাস?তবে এসো,নিঃশর্ত হাত রাখো হাতে।
             হে সুন্দর,তোমার সান্নিধ্যে বদলে গেছে আমার মনাকাশের নকশা।সেখানে চাঁদের বদলে, হাসে তোমার মুক্তো দাঁত;সূর্যের বদলে বিচ্ছুরিত হয়,তোমার প্রতিবাদের স্পৃহা।ধ্রুব তারার বদলে দুচোখ ঠিকরে বের হয় পৃথিবীর বঞ্চনার ইতিকথা।
আমি সান্ধ্য প্রদীপ জ্বালিয়ে তপস্যা করি এই অসীম সুন্দরের।
               হে আমার সত্য,যদি কোনও দিন,যদি কোনও দিন,গ্রহণে ঢেকে যায় পৃথিবীর আকাশ তীব্র ভাবে,সে দিন জেনে নিও ,এক পৃথিবী ধুমকেতু সম জ্বালা আর অসাম্য,ভেদ জ্ঞান নিয়ে খসে পড়েছে একটি অতি নগণ্য নক্ষত্র রক্তাভ
আকাশ থেকে।সেদিন আমার আগরবাতির গন্ধ না ছড়াক তোমার প্রাণে,ঝাপসা হোয়ে আসুক আমার ছবি তোমার মানস পটে।বাকীটা সময় আকাশ বাতাসে বাজুক তোমার বিপ্লবী সুর,উড়িয়ে নিও
পৃথিবীর আজন্ম অমানুষিক জ্বর।
                  হে রুদ্র,ঐ মেঘের পেছনে যদি বিজলী চমকায়,সে এপৃথিবীর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অসহায়
মানবের গর্জে উঠার আওয়াজ জেনো;ঐ যে আকাশে লাল মেঘ দেখছো,আবির ভেবে ভুল করো না,সে যে এ পৃথিবীর মানবতার খুনের রক্তলাল!ডানা ভাঙা পাখীর মতো আহত বেদনেই
তোমার পাশে থাকবো আমৃত্যু....জেনো তুমি।
ভালো থেকো,ভালোবাসা আমার।ইতি....
                        তোমার প্রিয়তমা........

Sunday, August 25, 2019

পাখি

পাখিরা উড়ে যায়
ডানমেলে দূর আকাশে
চোখ মেলে তারে দেখি
মুগ্ধনয়ন জুড়াইতাম মন।
একটি শব্দ সাথে প্রাণের
সুন্দরতম সৃষ্টির নাম পাখি
বলতে শুনতে লাগে মিষ্টি ভারী।
প্রতিদিনের জীবনে কতশত
শব্দ আসে বাংলা অভিধানে
কিছু রয় স্মৃতিপটে বাদবাকি ভুলে...
প্রজন্ম ধরে কটা শব্দেরঋণ
আজও আহত করে।


মহাকাল

মহাকাল তোমার স্মরণে আমার এই লেখাঃ
শতাব্দীর পথ ধরে হেঁটে চলা দূরন্ত পথিক! কখন কিভাবে যে পেয়ে গেল মহাকালের হাত ধরে আসা অজানা অতীতের দেখা। দু'জনেই না'কি হয়েছে খুন রাখা আছে আঁড়ালে, তার সবকিছুই বিনা সুতোর গাঁথা মাল্য দ্বারা। এমন হাত শুধু মহাকাল হতে আসা সম্ভব। অন্য কিছুতে খুঁজে পাওয়া বা অন্য কিছু থেকে আসা অসম্ভব!
মহাকাল তোমায় স্বর্গীয় শুভেচ্ছা হৃদয়ে এনে দিয়েছো নির্মল এক অনন্য শোভা। যারা চলনে বলনে এবং অন্তরীক্ষচারী হয়ে মেলতে পারে ডানা, উড়তে পারে দূরের আকাশে যেন বন্ধনহীন এক মহালিপি যা সত্যিই অজানা।
সেখানে নেই কোন চাওয়া পাওয়া, আছে শুধু একসাথে অন্তহীন পথ চলা যার কোন সীমারেখা! ঠিক যেন সকল স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে স্বপ্নে বিভোর  হওয়া।
                                        ইতি ---------------//
                                        দূরন্ত পথিক

Saturday, August 24, 2019

আমি ক্ষুধার্ত



পেটের মাঝে জ্বলছে ক্ষুধার জ্বালা
তোমার শুধু চলছে যেন পকেট ভরার পালা।

হচ্ছি ক্ষুধায় কাতর
কেমন করে গিলছো পোলাউ
দিচ্ছো গায়ে আতর?

মানুষ হয়ে জন্ম নেওয়াই পাপ
তাই বুঝি আজ দিচ্ছে খোদা
ক্ষুধার অভিশাপ।

হাড়-মাংস চামড়া আমার
যাচ্ছে ক্ষুধায় ক্ষয়ে
কেমন করে মত্ত থাকো
তুমি ধর্মালয়ে?

পাপের টাকায় কিনছো তুমি
লোক দেখানো মান
কষ্ট করে গাও না ও ভাই
ক্ষুধার্তদের গান।

তুমি মানুষ আমিও মানুষ
দোষ করেছি কী
আমি যদি ক্ষুধার্ত রই
তোমার নামে ছি!

🌾🌾🌾🌾
দূরন্ত পথিক

শিরোনামহীন নই

সবকিছুরই শির
থাকে কিছু দৃশ্যত
বাকি সব অদৃশ্য!
শিরোনামহীন নয়
নিহিত তার ভেতরে
শিরোনাম যত!
বলি শিরোনামহীন
ভেবো না'কো।
কত শিরোনাম এঁকে
দিয়ে যাচ্ছি অবিরত।


বাউণ্ডুলে ভাবনা

যদি ভালোবাসা একাকাশ সত্যিই হয়
আবার ভালোবাসা না'কি একপৃথিবী
সম!?

পৃথিবীর মানচিত্রখানি শত খণ্ডিত কেন কিভাবে এমন হয়েছে বলতে পারো!?
নীলিমার নীলাভ দৃশ্যপট খন্ড বিখন্ড
নয়তো!
আবার পৃথিবীর তল আজও একটাতেই সীমাবদ্ধ!

এসব বাউণ্ডুলে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারো কেউ?
নীলিমার নীল সৃৃষ্টি যার তার কাছেও নিভৃতে জানতে চেয়েছি বহুবার!?

💧💧💧💧
দূরন্ত পথিক

পোড়া ফুসফুস

যাচ্ছে পুড়ে পৃথিবীর
ফুসফুস
কবে হবে মানবের
হুশ!
পোড়া ফুসফুস চলবে
কতক্ষণ
ঘড়ির ঘণ্টাধ্বনি
অ্যালার্ম দিচ্ছে বারংবার
বেঁজে উঠবে হঠাৎ কখন
জানি!
বলা যদি না হয় কখনো
ক্ষম মোরে!


দূরন্ত পথিক

অভুক্ত

কি হবে বলতে পারো
দু'লাইন কবিতা লিখে
কবি যদি রাত্রি দিন
অনাহারে অভূক্ত থাকে!?

তোমাদের কেউ নিবেনি
কি তার ঠিকানা খোঁজ!?
কি খায় কি পরে কবি
হররোজ...............!!??

🔥🔥🔥🔥
দূরন্ত পথিক

আমি ক্ষুধার্ত



ক্ষুধার্তের পেটের জ্বালা
তোমার যেন পকেট
ভরার চলছে পালা।
ক্ষুধায় হচ্ছি কাতর
টাকায় নিচ্ছ আতর
দিচ্ছো সাঁঝ বাতি।
ক্ষুধার অভিশাপ সাথে
বিশাল অংকের পাপ
মুছিবে যজ্ঞানল জ্বালি।
ক্ষুধা আমার অন্ত্রে
মত্ত তুমি তন্ত্রধর্মে
মসজিদ গির্জা মন্দিরে।
ক্ষুধা তোমার খ্যাতির
তাই ক্ষুধার্তের সামনেই
টাকায় কিনছো খাতির।
🌾🌾🌾🌾
দূরন্ত পথিক

Thursday, August 22, 2019

ছুটে চলা

ভালো লাগা আর ভালোবাসা এক নয়।
ভালোবাসা সেতো ঈশ্বর সদৃশ।
একসাথে চলার জন্য স্পর্শ নয়
অদৃশ্য স্পর্শেও ভালোবাসা যায়।
মাঝে মাঝে দেখা পাই কিছু বটগাছের
তার তলে শ্রান্তির আশায় বসি কিছুক্ষণ
কখনো বা তা হয়ে ওঠে দীর্ঘমেয়াদি।
সকলে আশ্রয় দিতে পারে,তবে শ্রান্তি নয়।
তাইতো আবারো ছুটে চলি প্রশান্তির খোঁজে।
সেদিন গিয়েছিলাম সাগর দেখতে
দেখলাম সাগরকে ভালোবাসে সবাই
তার টানে চলে আসে পৃথিবীর শেষ সীমা থেকে।
কেউবা হাঁটুজলে নেমে জলকেলিতে মত্ত হয়
কিন্তু কেউ ঝাপ দিয়ে যেতে চায় না তার অতলে
নিতেও চায় না পরম মমতায় ঘরে টেনে।
কিভাবে নেবে?সাগর তো ঘরে থাকার নয়
বয়ে চলে অবিরাম
আর তার সাথে ছুটে চলি আমিও।


দুরন্ত পথিক।

Monday, August 19, 2019

জীবন কচু পাতার পানি

জীবন না'কি কচু পাতার পানি!? সে কথা সবার জানা আমিও মানি। কচু পাতাতেও জমে থাকতে পারে একটু পানি! কচু পাতা যতক্ষণ স্থির থাকবে শত প্রতিকূলতা ও বাধা অতিক্রম করে ততক্ষণ কিছুটা পানি দাড়িয়ে থাকবে এটা নিশ্চিত। প্রতিকূলতার কাছে হার মেনে যায় অনেককিছুই কিন্তু আপনার প্রতিহিংসায় যখন কচু ডগাটাকেও কেটে ফেলেন তখন সেখানে আর কিভাবে জমবে একটু পানি!!??

অভাগা

অভাগারে মনে নেই
ভুলে গেলে সহজেই
ভাব ভালোবাসাহীন
মানুষগুলোর কোথাও
কারো কাছে তিল
ধারণের ঠাঁই নেই!!
সবাই ব্যস্ত আমিও
কম না,,,,,,,, তবুও
দিনশেষে মনে নাড়া
দেয় ভাবনা বেদনা!!

ঘুরে দাঁড়াও

দারুণ আবেশে
মন জুড়ালো
মজার রসে!!
রসে বেশি
মাতাল হলে
সব  যাবে
রসাতলে!!

এখনো বাকি
আছে কিছু
ঘুরে দাঁড়াতে
ধর  রজ্জু!!

আচমকা ঝড়

আচমকা ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া বৃক্ষের মড়মড় শব্দে চমকিত হয় আপনার মন! কিন্তু মানব মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ আপনাকে প্রকম্পিত করে না কারণ তার শব্দাংঙ্ক আপনার শ্রবণ যোগ্য নয়! তথাপি যাদের মেরুদণ্ড খণ্ডবিখণ্ড হয় তারা এইপাশ থেকে ঐপাশ হতে লাগলেই সেই মড়মড় শব্দে
প্রকম্পিত হয় অহর্নিশ!

আবার ভাঙ্গা শিরদাঁড়া নিয়ে মাথা উঁচু করে হেটে চলা কতটা কঠিন যারা হেঁটে চলে তারা খুব ভালোই জানে! আর আপনি চাইলেই তা অবলোকন করতে পারেন। এটা দেখার জন্য ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া গাছটির বেড়ে উঠা প্রত্যক্ষ করলে কিছুটা বুঝতে সক্ষম হবেন হয়তোবা!

কাটার আঘাত

কাটার খোঁচা দিয়ে ছিলে তুমি
ভেবে ছিলে হবো খোঁড়া!
সে খোঁচায় হয়নিকো ক্ষয়
লাগিয়েছি আরও জোড়া।
অবহেলা করে চলে গেলে তুমি
আসলেই কপাল পোড়া!
তোমারি আশায় আছি দাঁড়িয়ে
হাতে নিয়ে গোলাপের তোড়া।

Thursday, August 15, 2019

আমার আঙিনা

আঙিনা
🔺🔺🔺

আঙিনা তোমার কাঁটাতারে ঘেরা
আমার আঙিনা রয়েছে খোলা!!

আমার ভাগে পড়েছে ছটাক
আঙিনা তোমার পনেরো  ছটাক
আমার আঙিনায়  দিওনা হাত !!

আমার ঘরে এমনিই বাড়ন্ত
আঙিনা তোমার বিস্তর-বিস্তৃত!!

আমার ছটাকে বসত লক্ষ
আঙিনা আমার নিতান্তই ছোট
আঙিনার প্রতি ইঞ্চি মূল্যাতীত!!

আমার আঙিনা নিয়েছ শত
আঙিনার একবিন্দু পাবে না'কো!!

আমার সর্বান্তকরণে ছিলেম সংযমিত
আঙিনা হতে দূরত্ব রাখো
আঙিনা আমার রন্ত সমাহারী!!




Monday, August 12, 2019

ভাবনা - বেদনা

প্রায় প্রতিদিন ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রের কিছুকিছু বিষয় নিয়ে লিখি কিন্তু হাজারো প্রশ্নজাগে নিজের মনের কাছে! কি হবে এই দুলাইন লিখে! আর লেখা ও বাস্তবতার কোন মেলবন্ধন নেই! যা লিখি সেই মনোভাবের কোন জায়গা নেই এই দুনিয়ায়!

নিজের ভাবাবেগ অনুভূতিগুলো প্রকাশ করা মাত্র! যা লিখি সে অনুযায়ী চলতে গেলে অনেকেই পাগল বদ্ধ উম্মমাদ চালচুলোহীনদের ভাবনা আরও কত কি বলে! অনেকেই গালি দেয় বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করে ভয়ভীতি দেখান ইত্যাদি ইত্যাদি! সত্যিকার অর্থেই উনারা ভুল বলেননা কারণ আমার না আছে অঢেল অর্থ, না আছে পারিবারিক সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্ত অবস্থান!

আমারমত সাধারণের এত ভাবনা-বেদনা দিয়ে পরিবার সমাজ তথা রাষ্ট্রের কি কাজে আসবে!? আবার আমার যথেষ্ট লিখন দক্ষতাও নেই জ্ঞানও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম! বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানের ভান্ডারে যা কিছুই নয়! শুধুমাত্র অগোছালো কিছু শব্দ বাক্যে ব্যবহার হয় এই যা!

এগুলোদিয়ে কারো কিচ্ছু হবে না বা যায় আসবেনা! বরং দিনেদিনে তৈরি হচ্ছে অসংখ্য জানা ও অজানা শ্রুতার! তবে বন্ধুত্ব হয়নি তা বলবো না! অনেক বন্ধুও হয়েছে এই ছেড়াফাটা লেখনীর মাধ্যমে!

সবকিছুর পরেও কি হবে এমন দু'চারটা কথা লিখে যেখানে এই লেখা কথাগুলো অনেকের কাছেই হাস্যকর!  চিন্তাভাবনাগুলো না'কি সেকেলে যা বর্তমান পুঁজিবাদের বাজারে নিতান্তই মূল্যহীন! কাজকর্ম নেই তাই এগুলোদিয়ে সময় পার করি! না আমি কবি কিংবা শিল্পী বা কোন সাহিত্যিক ও লেখক! কি হবে এমন অনুভূতির প্রকাশ করে! যার নিজের অর্থিক সামাজিক রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কোন অবস্থান বা প্রতিপত্তি নেই তার আবার এত ভাবনা কিসের হ্যাঁ!

ফেসবুকে দুটো লাইন লিখে কয়েকটা লাইক কমেন্ট দিয়ে কি হবে!? এতো বাহবা দিয়ে পেট পিঠ কিছুই চলে না বা বাঁচে না! বাঁচতে হলে না'কি অর্থ প্রতিপত্তি ও ক্ষমতাই মুখ্য!? যার সবকটিই এখানে অনুপস্থিত! কোনদিন হবে কিনা তাও জানা নেই বা জানিনা!
ফেসবুক তথা সকল বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি সকলেই ভালো থাকবেন আর এই অধমের জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ কারন আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বহুপথ পাড়ি দিয়েছি বা দিচ্ছি এখন অবধি!!

Tuesday, August 6, 2019

পাথুরি জলে ষোড়শী তন্বী

ছোট বড় অসংখ্য পাথরচাপরি
নিরবধি বয়ে চলা স্বচ্ছ জলরাশি
মাঝে বসে থাকা এক মায়াবতী
মুখে নিয়ে দারুণ মায়াবী হাসি।

পাথুরিয়া পানিতে বিধৌত পা
সাথে পায়েল খানি চকচকানি
যেন নির্মল সুন্দর পা দুখানি
তুলেছে শুরধ্বনি যেন বহতা নদী।

লাউডগা হাত দুখানি ইশারার
নিরব ভাষায় হৃদয়ে তোলে
মাতাল করা হ্যামিলনের শুরধ্বনি
মায়া জড়ানো মুগ্ধ আহবান ধ্বনি।

জল পাথর সাথে ষোড়শী তরুণী
মায়াঘেরা উজ্জ্বল চোখ দুখানি
যেন হারিয়ে যাওয়া গভীর নদী
দুকূল ছাপিয়ে উঠা তরঙ্গময় নদী


Saturday, August 3, 2019

কবিতা লিখিয়েদের জন্যে:-

আসাদুল্লাহ কাহাফ এর পোস্ট থেকে কপিকৃত!!

মাত্রা কাকে বলে? ছন্দ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ অক্ষর উচ্চারণের কাল পরিমাপকে মাত্রা বলে।
ছন্দ মূলত তিন প্রকারঃযথা- ১/ স্বরবৃত্ত২/মাত্রাবৃত্ত ও৩/অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
০১/ স্বরবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে যুগ্মধ্বনি এক মাত্রায় গণনা করা হয় এবং প্রত্যেক পর্বের প্রথম শব্দের আদিতে শ্বাসাঘাত পরে তাকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলে।যেমনঃ

যেদিন অামি হারিয়ে যাব,বুঝবে সেদিন বুঝবে,
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে--
                                     বুঝবে সেদিন বুঝবে!
                           ছবি আমার বুকে বেঁধে
                          পাগল হ'য়ে কেঁদে কেঁদে
                          ফিরবে মরু কানন গিরি,
                          সাগর আকাশ বাতাস চিরি'
                                   যেদিন আমায় খুঁজবে--
                                   বুঝবে সেদিন বুঝবে!
                                          (স্বরবৃত্ত ছন্দ)
                     
  ---- কাজী নজরুল ইসলাম

০২/মাত্রাবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে যুগ্মধ্বনি দুই মাত্রায় গণনা করা হয় এবং বিশিষ্ট ভঙ্গীতে উচ্চারিত হয় তাকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলা হয়।যেমনঃ
সোনার তরী,জীবন বন্দনা,কবর,পাজ্ঞেরী,আঠারো বছর বয়স কবিতাগুলো এ ছন্দে রচিত।উদাহরণঃ

এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম গাছের দলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।ছন্দমিল-৬+৬+৬+২।

বন্ধু গো,আর বলিতে পারি না,বড় বিষ-জ্বালা এই বুকে!
দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি,তাই যাহা আসে কই মুখে।
  রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা,
  তাই লিখে যাই এ রক্ত- লেখা,
বড় কথা বড় ভাব আসে না ক'মাথায়,বন্ধু,বড় দুখে!
অমর কাব্য তোমরা লিখিও,বন্ধু,যাহারা আছ সুখে! -মাত্রাবৃত্ত ছন্দ।

(কবি কাজী নজরুল ইসলামের" আমার কৈফিয়ৎ" কবিতার অংশ বিশেষ)

০৩/ অক্ষরবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে শব্দের প্রথমে ও মধ্যে যুগ্মধ্বনি থাকলে সংশ্লিষ্ট উচ্চারণে এক মাত্রায় এবং আদিতে থাকলে দুই মাত্রা ধরা হয় তাকে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বলে।এই ছন্দ বহু রূপে লিখা যায়।যেমনঃ একপদী,ত্রিপদী,সনেট ইত্যাদি।যেমনঃ

(অক্ষরবৃত্ত ছন্দ >ত্রিপদি)

                             রাজনীতি
                                      আসাদুল্লা কাহাফ

          এই রাজনীতি           ওই রাজনীতি
                      তফাত যে কত স্মৃতি,
          ভীৎ নড়ে যার           সংশয় হাজার
                      মানবে নেই যে প্রীতি!

          আপনারা মুখে        তারা তো হৃদয়ে
                          করেছেন সবি জয়,
          স্বার্থের নীতি             নিঃস্বার্থ  প্রীতি
                           এক নয়; এক নয়।

           নিজ সন্তান               টিকে বংশদান
                         অর্থের সে রাজনীতি,
           করি উপহাস              দেখ ইতিহাস
                          দেখ তাঁদের প্রগতি!

           কাঁদেন আপনে             স্বার্থ  বিহনে
                        কি দিলেন সমাজকে?
          নিজ ভাগ থেকে         কি দিলেন তাকে
                          দুর্নীতির দেশটাকে?

         বিদ্রোহের দানা              গড়ছে অজানা
                          দেখুন পলক খুলে,
          আপন স্বার্থ                    অন্যের পরার্থ
                        রয় খেয়ালের ভুলে।

          সুন্দর খাদ্য                   অর্থের ঔদার্য্য
                         বুঝেন জগৎবাসী,
          আত্ম প্রতিষ্ঠা                  নিথর নিষ্ঠা
                        যদিও সে দাসদাসি।

          জালচুরি করে            গেলেন তো মরে
                        থাকলে পরে কবরে,
          সন্তানাদিরা                বুঝে নিবে তারা
                       সম্পত্তি ভাগ করে!

          এই রাজনীতি             নাই করে প্রীতি
                     সত্যের সন্ধানে আসো,
          এই যে পৃথিবী              আমার মিনতি
                    মানুষকে   ভালোবাসো।

                         রচনাকালঃ জানুয়ারী'০৬

সনেট--
                               নারী
                      আসাদুল্লা কাহাফ
                           
            জগৎ জননী বশে দাঁড়ায় পুরুষ,
         একের বিরোধিতায় অন্যে হারা হুঁশ!
          সাময়িকে অধিকার করে তারা খর্ব,
         একে অন্যকে হারিয়ে করে তারা গর্ব।
          নানান বৈষম্য গড়ে চলছে সমাজ,
       সমতা নেই কোথাও-এ সংসারে আজ!
        প্রতিযোগিতা রয়েছে সহযোগিতা কৈ?
         প্রতিহিংসায় মত্ত -ভালোবাসা নেই!

          পুরুষই কাপুরুষ তলিয়ে দেখোনা,
         ভাসিয়ে দিয়েছে আছে যতই বঞ্চনা।
         পুরুষ যেখানে পশু-নারীরা লাঞ্ছিত,
          নারী যেখানে পুরুষ-পুরুষ বঞ্চিত!
      ভগিনী, মাতা সমাজে  সেই-ই সংসারী,
       পুরুষ বিহনে-জন্মে কী কখনো নারী?

                         রচনাকালঃ ১ মার্চ  ২০১২ইং
                         বড়স্টেশন,যমুনা রোড,চাঁদপুর।

সনেট বিষয়ে টুকিটাকিঃ

৮+৬ প্রতি পংক্তিতে রয়,
দু'পর্ব মিলে একটি চরণ হয়।
১ম স্তবকে উপস্থাপনা হয়,
২য়তে সমাধানের চেষ্টা রয়।

নেতা
                    আসাদুল্লা কাহাফ
                         ( সনেট )
লেবাসধারী শয়তান কােকর মুখে কুহুতান,
আপসোস ওহে পৃথিবী কবে হবে এ পরিত্রাণ?
হৃদয় নিংড়ানো ভাসন পদ মর্যাদা লোভী লোক
জনসেবা কী করবে সে মস্ত এক প্রতারক!
ঘুম পাড়ানির যে মাসিপিসির গান শোনায় সে,
জনতা বিপাকে রহিত পাইনি কিছু আর শেষে।
জুজু বুড়ির কাহিনীর সমাপ্তি আর হবে কবে?
এমনি ভন্ডামীর ছলে লোক সম্মুখে চলে ভবে।

মুখোশধারীর মুখোশে কি দোষ আছে এ ধরায়?
দোষ হলো তার যে তারে এরূপ মুখোশ পরায়।
ন্যায় নীতি মানবতার সে গায় উন্মোক্ত গান,
কিংকর্তব্যবিমূঢ়  নেতা-জনতা যার হয় প্রাণ!
জগৎ জুড়ে এমনই করে চলে ভেলকিবাজি,
হাচামিছা সাজছে তারা ভন্ড শহিদ আর গাজি!

রচনাকালঃ ২৬ এপ্রিল ২০১২ইং
বড়স্টেশন(যমুনা রোড),চাঁদপুর।

সনেট সম্পর্কে আরো কিছু তথ্যঃ

সনেট কবিতা লেখায়-১৪ অক্ষর এবং ১৮ অক্ষর উভয়ই নিয়ম রয়েছে।তবে ১৪ অক্ষরের সনেট বাংলায় অধিক প্রচলিত।বাংলায় সনেটের জনকেরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম মানার অপারগতা দেখা যায়।

Thursday, August 1, 2019

জীবন ও জননীর গল্প

দুইসারি সবুজ গাছ
দিগন্তব্যাপী ফসলের মাঠ
থেকে থেকে দু'ধারে
স্রোতে টলমল
বয়ে চলা জল।

দুইসারি সবুজের ছায়া
মাঝে বয়ে চলা
আঁকাবাঁকা পিচ ঢালা পথ
যেন সবুজ শ্যামল
ও জলরাশির মাঝে
মাটির উপরে চলা!

ভূতের ভয় আর নয়

ভূত ছাড়াতে পানিপড়া
নিমপাতার ঝাড়ফুঁক
ভূতের গায়ে হয়েছে যুত
তাই দিতে হবে সময়োচিত
সঠিক মাত্রার ঔষধ।

সরষে পোড়ার শব্দে
কিংবা শুকনা লংকার
ধোয়াই ভূত ছাড়েনি
আজও পাড়ার মোড়ল
তথা ল্যাঙড়া রাজার।

শিকড় বাকড় লতাগুল্মে
মাদুলি কিংবা তাবিজ
বেঁধে ভূতগুলো আর
যায় না দূরে সরে।

ভূতগুলো আজ অদ্ভুতুড়ে
তাড়াতে হবে নতুন করে
শুকনো লংকার ধোঁয়ার
সাথে চিকন কন্ঞ্চির
ম্যাসেজ লাগবে সাথে!

আরও নানান উপায়
আছে ভূতঘটিত ভ্রান্তি
দূরীকরণে বাংলার বাঁশ
কাজে আসতেও পারে।

দূরহোক ভূতপ্রেত জমিন
হোক নির্মল রক্ষাকবচ
তাই রপ্ত করতেই হবে
আসুক যতই বিঘ্ন বাধা।

ভূতের আবাস্থল আকারহীন
হয়েছিলো তা ছিলো ওদের
পাপের নিদারুণ কর্মফল
ওদের আবারো ছাড়তেই হবে
মানবের প্রিয় আবাসস্থল।

বিশ্বাসের বন্ধন(হাত)

কে আছে এমন শত বিপদেও
হাতটি ধরিবে করি অতি যতন।
অগ্নি তাপে পুড়ে হবে ছাই
তবুও হাতটি ধরে রবে ঠাঁই।

সময় যখন হতে শেখাই
বেঈমান আর স্বার্থপরায়ণ ধ্যান
তখন হাতের এমন বন্ধন রাখেনা
কেউ, অতি প্রিয় আত্মীয়স্বজন।

কে আছে এমন সব হারিয়েও
হাতে রেখে হাত মুষ্টির বন্ধন
তবুও পেতে দুহাত আজও খোঁজে
পেতে ওমন দৃঢ় বিশ্বাসের দুহাত।

কবে হবো!!!

কবে হবো বর্ষীয়ান
যেদিন ছড়াবে গুণগান
কবে হবো কোটিপতি
টাকার জোরে সর্বজ্যেষ্ঠ!

কবো হবো ক্ষমতাধর
যেদিন রবেনা ডর
কবে হবো বণিক
যেদিন রবেনা সৈনিক!

কবো হবো সম্রাট
সেদিন থাকবেনা বিভ্রাট
কবো হবো ডাক্তার
সেদিন ঔষুধ দিবো সবার!!

সবুজে সোনালি

বৃক্ষলতা তোমায় অভিনন্দন
তুমি পেয়েছো ছোঁয়া
মাটিতে গড়া এক প্রতিমার !

তোমার সবুজের পরশে
তাকে দিয়েছো অনন্যা
হবার সব রঙ যত !

সবুজে সোনালির এক
চিলতে হাসি তারে
দিয়েছে রুপ মহীয়সী।

অভিমান

অভিমান অভিসারকে
পরিণত করে দুর্গম
দূরত্বের কণ্টকী পথে!

সে দূরত্ব যে পথের
শুধু, তা কিন্ত নয়তো
হৃদ মাঝারে বেড়ে
ওঠা মহাপ্রাচীরও
হার মানবে হয়তো!

মুখোশের আড়ালে আরেক পৃথিবী

চারদিকে কুকুর গুলো
হাড্ডি নিয়ে করছে
টানাটানি।
শত ঘ্যানঘ্যানানি নিয়ে
মহা ব্যস্ততার খনি।

আবার ওরাই সাজে
মহাযজ্ঞের সারথি
যেন রাজাধিরাজ
পৃথিবীর  পতি!!

কংক্রিট মন

ইট কাঠ বালি আর পাথর
রঙিন দেয়ালঘেরা বাহারিয়া
রঙ সঙ্গে পোড়া কালো
পিচের আবরণ হয়তো
ঢেকে দিয়েছে হৃদয়ের নরম
কুসুম কোমল আবরণ!
আর এজন্যই তো সবাই
এখন কংক্রিটের মতন!

শেকড়ে 🔁 শিখরে

শেকড় থেকে শিখরে যেতে কত পরিশ্রম ত্যাগ ও সাধনার প্রয়োজন হয় যারা শেকড় থেকে শিখরে গেছেন একমাত্র তাঁরাই জানেন( যার যার অবস্থান অনুযায়ী) ! আবার শিখর থেকে যখন শেকড়ে নেমে আসতে হয় কোন মনুষ্যত্বহীন হিংসুকের কারণে তখন জীবন্মৃত অবস্থার সৃষ্টি হয় তা অনেকের কাছেই খুব পরিচিত একটা বিষয়।

তথাপি আপনি যদি একনিষ্ঠ চিত্তে সৎপন্থায় ধৈর্যের সাথে লক্ষ্যবস্তুুর দিকে সাহস নিয়ে এগিয়ে যান তবে শিখরে না পৌঁছাতে পারলেও কিছু একটা অবশ্যই পেয়ে যাবেন এটা নিশ্চিত।

আর ঐ খড়কুটা ধরে আবার শিখরে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিলে মোটামুটি কিছু একটা পাওয়ার আশা করাই যায়।

বৃষ্টিভেজা দিনগুলো

বৃষ্টিভেজা দিনগুলো
🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃

বৃষ্টি  প্রেম আর প্রিয়া
একত্রে মিলিলে সৃষ্ট হতো
ত্রিকোণ ধারায় মধুপ প্রেমলীলা
বৃষ্টির সাথে মায়াবী দৃষ্টি
হৃদয়স্পর্শী হয়ে ছুঁইত বারংবার
দুপুর বেলার বৃষ্টিজল হৃদয়
খুশিতে উথলে উঠতেই নামিত
প্রেমানন্দের মন ভেজানো জল।

জীবন যুদ্ধের প্রতীকী প্রকাশ

তরতাজা ও তরুণ বৃক্ষটি মাঝখান হতে কেটে দিয়েছিলো মনুষ্যত্বহীন হিংসুকেরা! আল্লাহর ইচ্ছায় বৃক্ষটি প্রতিকূলতা কে উপেক্ষা করে এবং পরিস্থিতিকে মানিয়ে নিয়ে বাঁচার জন্য পুনরায় পত্রশোভিত হয়ে উঠছে!!!

Sunday, July 21, 2019

জীবন ও জননীর গল্প


দুইসারি সবুজ গাছ
দিগন্তব্যাপী ফসলের মাঠ
থেকে থেকে দু'ধারে
স্রোতে টলমল
বয়ে চলা জল।

দুইসারি সবুজের ছায়া
মাঝে বয়ে চলা
আঁকাবাঁকা পিচ ঢালা পথ
যেন সবুজ শ্যামল
ও জলরাশির মাঝে
মাটির উপরে চলা!

Wednesday, July 17, 2019

অবসান চাই

জীবন মানেই মৃত্যু এটা খুব স্বাভাবিক। আর সে পথের দিকে প্রতি মুহূর্তেই এগিয়ে চলে প্রতিটি প্রাণ।

 তবে খুব ইচ্ছে হয় যদি দেখে যেতে পারতাম সকল হিংসা,বিদ্বেষ,অহংকার,ইগো ও মিথ্যার অবসান হয়েছে! হোক সেটা ব্যক্তি জীবনের কিংবা সার্বজনীন।

একজোড়া চোখ

একজোড়া চোখ
---------💞--------
একজোড়া চোখের গভীরতায়
মায়াময় মুগ্ধতায় হৃদয়
ছোঁয়ানো শ্যামল প্রতিচ্ছবি।

চোখের গভীরতা হার মানাবে
সাগর মহাসাগর অতল
ক্ষণিকের তরে যেন
হারিয়ে ডুব সাঁতার।

অজানা অচেনা চোখের ছায়
হঠাৎ যেন খুৃঁজে পাওয়া
মনোবৃত্তির সবটুকু চাওয়া।

মনোহারিণী চোখের তাঁরার
ইশারায় হৃদয়ছুঁয়ে য়ায়
মনের সব কথা জানাতে চাই
যেন হাজার বছরের চেনা!

চু্ক্ষু গোলকের উদ্বায়ী
ভাব প্রকাশের অপেক্ষায়
নিরবধি চেয়ে রয়।

চোখের গভীর চাহনি
মায়া যুক্ত করে হৃদয়
যেন অজানা কোনো
মোহনায় মিশতে চায়!

Saturday, July 13, 2019

বই কথা বলে

পৃথিবী হাজারো বাহারি রঙের পাতা দ্বারা সুশোভিত। তবে একমাত্র বইয়ের পাতা কেবল কথা বলতে পারে!

আমরা কি!?

পশুপাখির গর্ভে ও ডিম থেকে পশুপাখি জন্মায়। কিন্তু মানুষই একমাত্র প্রাণী যার গর্ভ হতে মানুষ, হিংস্র পশু ও অন্যান্য বহুরূপী ভয়ঙ্কর প্রাণী জন্মায়! যাদের পশুত্ব হিংস্র পশুদের কেউ হার মানায়!!!

বাঁশ-সমাচার কিরামনি লিটন

বাঁশ- সমাচার.....

কাব্যে আঁকি বাঁশের খবর
বাঁশের মালিক দৈত্য,
সে কাহিনী সবার জানা
গল্পটা খুব সত্য।

সবাই অবাক সবাই ভাবে
ব্যাপার খানা কি?
অঙ্গে মাখে বাঁশের বাঁশি
অষ্ট প্রহর ঘি!

সেতু বানায় তল্লা বাঁশে
মুলি বাঁশে ছাদ,
বাঁশে বাঁশে জোড়াতালি
মাইনক্যা চিপার ফাঁদ।

উন্নয়নের আইক্যা বাঁশে
প্রজার সর্বনাশ,
ফাটা বাঁশের চিপায় পড়ে
কাঁদে বারোমাস।

বিজলি বাতি বাঁশের খুটি
পদ্মা সেতুর পিলার,
বাঁশের লাঠির জোরে সাঁজে
চকিদারও- কিলার।

বাঁশ নিয়ে তাই কাড়াকাড়ি
কে কাকে দেয় বাঁশ,
উপায়হীনা বাঁশের জীবন
করছে উপহাস।

বাঁশে বাঁশে শেষ হয়েছে
বাঁশ কাহিনী জবর,
বিদায় বেলা খুঁজেও এখন
বাঁশ মিলে না- কবর।

কিরমানী  লিটন
২৭.০৬.২০১৯

বিষণ্ণবদন



বিষণ্ণ মনে মানসী দূর অপেক্ষায় আহত পাখির মত চেয়ে আছে অপলক দৃষ্টিতে! প্রিয় কখন আসবে তরতর সয়না মানসীর মনে! বিষণ্ণতা আছে চোখেমুখে তবে অদ্ভুতদর্শন ভেসে উঠেছে শ্যামা মুখচন্দ্রে! একাকীত্ব আছে তবে ভালোবাসার রসে টইটুম্বুর উষ্ঠদ্বয়ে উষ্ণতা ছড়িয়েছি মনেমনে। এ যেন অধীর অপেক্ষা প্রিয়সখার তরে!
বিষণ্ণবদন তবুও যেন মায়াডোরে বাঁধল কিছুক্ষণ!

বিষণ্ণবদনে মানসী দূর
অপেক্ষায় আহত পাখির
মত চেয়ে আছে অপলক দৃষ্টিতে!
কখন আসবে প্রিয় দৃষ্টির সীমারেখায়।

প্রিয় কখন আসবে তর
সয়না মানসীর মনে!
বিষণ্ণতা আছে চোখেমুখে
তবে অদ্ভুতদর্শন ভেসে
উঠেছে শ্যামা মুখচন্দ্রে!

একাকীত্ব আছে তবে
ভালোবাসার রসে টইটুম্বুর
উষ্ঠদ্বয়ে উষ্ণতায় ভরপুর
হৃদয়গহীনে বাজে তার সুর!
(মনেমনে)

এ যেন অধীর অপেক্ষা
প্রিয়সখার  তরে পথ চাহিয়া!
বিষণ্ণবদন তবুও যেন
মায়াডোরে বাঁধে সর্বক্ষণ !

23.06.2019
সবুজ প্রকৃতি আর সবুজবর্ণ জল
তোমায় করেছে অধিক নির্মল।
শ্যামা মেয়ের শ্যামল ছায়াদেহ
রুপে টলমল!
তাইতো কখনো কখনো
চেয়ে থাকে তরুলতা,
ধরণীজ অরুনধাপ থমকে উঠে
মন করে উতলা!

রিমঝিম বৃষ্টি

রিমঝিম বৃষ্টি
-----***-----

রিমঝিম বৃষ্টি তুমি
তবুও বৃষ্টি না'কি
পছন্দ ছিল না তোমার!

রিমঝিম বৃষ্টি চাওনি
বৃষ্টিবাদল তবুও দেখো
আজ চোখে শুধুই জল!

রিমঝিম বৃষ্টি ভিজাতে পারোনি
 মন, হৃদয়স্পর্শী বৃষ্টি
নিষ্প্রাণ দেহমনে তুলেনি শিহরণ।

রিমঝিম বৃষ্টি ছোঁয়াতে হয়
হৃদয় মন তবেই বৃষ্টি খুলে
দেয় বদ্ধমন অন্ধকারে পায়
আলো যা হৃদয় মন রাখে ভালো।

মিথ্যা কাছে সত্যের পরাজয়

এটি একটি বিখ্যাত পেন্টিং। চিত্রকরের নাম Jean  Leon Gerome.1896 তে আঁকা এই ছবিটার শিরোনাম The truth is coming out of the well. ঊনিশ শতকের একটি লোককথাকে ভিত্তি করে ছবিটি আঁকা হয়েছিল। গল্পটা ছিল এরকম- একবার সত্য এবং মিথ্যা পরস্পরের সঙ্গে দেখা করলো কিছু বিষয়ে মীমাংসার তাগিদে।

হাঁটতে হাঁটতে তারা চলে গেল একটা কুয়োর পাশে। মিথ্যা বলল, দেখ, কী পরিষ্কার জল। চলো স্নান করি। বলাবাহুল্য সত্য বিশ্বাস করেনি মিথ্যার কথা। নিজে পরখ করে দেখলো। যখন দেখলো কুয়োর জল সত্যিই পরিষ্কার তখন মিথ্যার প্রস্তাবে রাজী হলো। দুজনে পোশাক ছেড়ে নেমে পড়লো কুয়োয়। স্নানের মাঝপথে মিথ্যা কুয়ো থেকে উঠে এসে সত্যের পোশাক পরে পালিয়ে গেল। খানিকক্ষণ অপেক্ষা করার পর মিথ্যাকে ফিরতে না দেখে সত্য উঠে এলো কুয়ো থেকে। না, মিথ্যা তো কোথাও নেই, পোশাকও নেই। রাগে অন্ধ হয়ে সত্য বের হলো মিথ্যাকে খুঁজতে কিন্তু নগ্ন সত্যকে দেখে ছিছিক্কার করলো সভ্য মানুষেরা। এমন কী তেড়েও এলো অনেকে। সত্য অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের বোঝাতে না পেরে রাগে দুঃখে অপমানে ফের কুয়োয় নেমে গেল। তারপর থেকে সত্যকে আর কখনও কেউ দেখেনি। যাকে দেখেছে কিম্বা দেখছে সে সত্যর পোশাক পরা মিথ্যা।
#Collected

গোধূ্লিতে এসো না

অঝোর ধারায় ঝরছে
বাদলের বৃষ্টিধারা কাটুক
 না এভাবেই এবেলা।

বৃষ্টিকে বলে দিবো
এসো না কিন্তু
ফিরে যাওয়ার তাড়া
আছে গোধূ্লি বেলা।

বৃষ্টিতে ভিজে মহাখুশি
না'জানি কাঁদছে কি'না
একলা বসে কাদম্বিনী।

ফিরে যাবার তাড়া
এ শুধুই নয় একার
প্রতিটি প্রাণের চাওয়া
বলি অবেলায় এসো না!



Thursday, July 11, 2019

মানুষ কিন্তু মানুষ নয়

পশুপাখির গর্ভে ও ডিম থেকে পশুপাখি জন্মায়। কিন্তু মানুষই একমাত্র প্রাণী যার গর্ভ হতে মানুষ, হিংস্র পশু ও অন্যান্য বহুরূপী ভয়ঙ্কর প্রাণী জন্মায়! যাদের পশুত্ব হিংস্র পশুদের কেউ হার মানায়!!!

বৃষ্টি ও কাঁন্নার সন্ধি

বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার
অন্যরকম এক অনন্দ
নিহিত থাকে অশ্রুবিসর্জনে!

বৃষ্টির কান্না আর
চোখেরজল দু'য়ে মিলে
সন্ধি করে চলে !

একজন ঢাকা পরে
অন্যজনের অন্তরালে নিরব
অশ্রুপাত থেকে যায়
লোকচক্ষুর আড়ালে !

নীড় হারা পাখি

ফুল বাগানের পাখিটির বাসা
ভেঙে যাওয়ায় আশ্রিত বাসা
বেঁধে থাকে মালির বাগানে।
মালিরাও নাকি থাকবে না ক'দিন
ওখানে।

দেখ দেখি কি কান্ড!
পাখিটিতো কিছুই না জানে!
নীড় হারা পাখি এভাবেই উদ্বাস্তু
হবে বা হয় সময়ে অসময়ে।

আপন ঠিকানায় পাখি উড়াল
দিবে ডানা মেলে সময়ে
শূন্য খাঁচা পড়ে রবে
পাবেনাকো একদিন তারে!!!

মালি বিহীন বাগানে পাখি
থাকে একলা কেমনে?
বহু পাখি আজ খাঁচায় বন্দি
বিবেক মনুষ্যত্বের অভাবে!?

মন্তব্য :এটা কবিতা নয়। আর আমি কবিওয়ালা নই। কবিতার কবি হওয়ার সামর্থ্য ও যোগ্যতা নেই আমার। আর কবিতার কবি হতে আমি চাইনে। পথে চলতে বলে যায় কিছু কথা আনমনে। জানি চিরদিন রবো না এ পথে। তাই কিছু শব্দ রেখে যেতে ইচ্ছে হয়, যদি কেউ ভালোবাসার আয়োজন করে আমায় খুঁজে! কিছুটা হলেও খুঁজে পাবে আমায় অগোছালো শব্দের মাঝে!!!

Tuesday, July 9, 2019

চেনা পথে!

পৃথিবী সত্যিই অদ্ভুত রহস্যে ঘেরা! এর প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকে অজানা রহস্য কত!

চেনা পথে চলতে গিয়েঃ
আজ থেকে প্রায় মাস ষোলো(১৬) আগের কথা। নিয়তির কাছে পরাজিত হয়ে বাড়ি ফিরছি বিষণ্ণ ভারাক্রান্ত মনে! সঙ্গে অনেক লাগেজ ব্যাগ ও তল্পিতল্পা যা ছিল সব নিয়ে উঠে বসলাম বাসে। বি:দ্র: বিভিন্ন কারণে রাস্তা ও বাসের নাম উল্লেখ করলাম না!
যাইহোক, বাস চলছে দারুণ গতিতে। আমি বসে আছি অজানা অনেক প্রশ্ন ও এক আকাশ চিন্তাভাবনা নিয়ে। ক্ষণে ক্ষণে পাশফিরে দেখছি লাগেজ ও ব্যাগ গুলো ঠিক আছে কি'না!  যতক্ষণ দেখেছি সব ঠিকই ছিলো।
কিন্তু হঠাৎ গন্তব্যস্থলের ১০কি:মি: আগে ব্যাগ ও লাগেজ গুলো ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য উঠে দাঁড়ালাম। দাঁড়িয়ে দেখি একটা ডাবল ফোল্ডিং ব্যাগ নেই! বাসের কন্ডাকটর সুপারভাইজার এবং যাত্রীদের কাছে আকুতি মিনতি করলাম যে যদি কেউ ব্যাগটা নিয়ে থাকে তবে যেন দিয়ে দেয়। কারন ব্যাগটির মধ্যে অনেকদামী কিছু নথিপত্র ও প্রিয় মানুষের দেওয়া বেশকিছু স্মৃতি জড়িত জিনিস ছিলো। এছাড়াও একটা এ্যানড্রয়েড মোবাইল ও অন্যান্য অনেক কিছু।
আমার সকল আকুতি মিনতি কারো হৃদয়স্পর্শী হলো না! হতম্ভব হয়ে গেলাম আমি। ঐ বাসের নম্বর এবং সুপারভাইজার সহ প্রয়োজনীয় সকলের ফোন নম্বর নিলাম আর বললাম ব্যাগটা যদি কেউ পেয়ে থাকে তবে সবকিছু নিয়ে শুধু নথিপত্র গুলো দিলেই হবে।
এভাবে আরও অনেককিছু বলে বিদায় নিতে হলো কারন দূরপাল্লার বাস আমার একার জন্য কেউ দেরি করতে চাইনি।
আজ ষোলো(১৬) মাস পরে এক বন্ধুবর ছোট ভাইয়ের জন্য হঠাৎ ঐ পথে যেতে হলো না করতে পারলাম না। গন্তব্যে গিয়ে কাজ সেরে ফেরার পথে দৌড়ে বাসে উঠলাম। সেই বাসে যে বাসে ব্যাগটা হারিয়ে ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো সেই কথা আমার সঙ্গে থাকা ছোট ভাইটাকে বললাম এই বাস থেকে আমার ব্যাগ হারিয়ে ছিলো। কথাটি শেষ হতে না হতেই সেই সুপারভাইজার ভাইটি সামনে হাজির। যথারীতি আমি বললাম ভাই কেমন আছেন আরও বললাম আমায় চিনতে পেরেছেন। ঐ যে আপনাদের গাড়ি থেকে আমার ব্যাগটা হারিয়ে ছিলো। তিনিও আমাকে চিনতে পারলেন অনেক কথা হলো। তার অনেক কথার মাঝে দু'টো কথা আমার অনেক প্রশ্নের দিয়ে দিলো বহুদিন পর! আমি বললাম আপনার সাথে আরেক ভাই ছিলো লম্বা ও ফর্সা রঙের। তিনি উত্তরে বললেন গাড়িটি দূর্ঘটনায় পড়েছিলো আর ঐ দূর্ঘটনায় ফর্সা লম্বা তখভাইটার পা ভেঙ্গে গেছে আজও সুস্থ হয়নি। তিনি তার গালে হাত দিয়ে দেখালেন ঐ দূর্ঘটনায় তার মুখের কেটে যাওয়া একটি বেশ বড় ক্ষত।দেখাতে দেখাতে আরও বললেন গরীবের ঘরে জন্ম নেওয়া পাপ। অল্প কিছুতেই লোভ হয়ে যায়! মুখে এক মায়াবী ও করুণ ছবি ফুটে উঠলো। আরো অনেক কথা বললেন যা বলা সমীচীন মনে করছি না।
সবশেষে যাওয়ার সময় তিনি বললেন আপনারা চাকরিজীবি মানুষ অনেক টাকা আয় করেন....... ইত্যাদি ইত্যাদি।  ঠিক তখনি আমি অজ্ঞাতসারে বলে ফেললাম যে আপনারা যদি কোন ভুল করে থাকেন তবে আমি ক্ষমা করে দিলাম। কারণ তার চোখ ও মুখের অনুশোচনার ছবি আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেল। ঐটুকু আমি না বলে থাকতে পারলাম না।
তাদের বাসের দূর্ঘটনার কারন আমি জানিনা আর তিনিও কিছু বললেন না। তবে মনে হল তার মনের মধ্যে এক গভীর অনুশোচনা কাজ করছিলো!

Sunday, July 7, 2019

ওরা পুরুষ নয় নরপিশাচ!!!

হাজারো উদ্বেগ ও ভাবনার মাঝে একটি বিষয় ভিতরবাড়িটারে কুরে কুরে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত! পুরুষ নামধারী নরপিশাচদের জন্য পুরুষ শব্দটি আজ চরমভাবে লজ্জিত! ওরা পুরুষ হয় কিভাবে যারা না'কি অবুঝের মাঝে যৌন লালসা খুঁজে!?

আমি মনে করি ওরা মানুষই নয়, আর পুরুষ হয় কিভাবে!?  মস্তিষ্ক বিকৃত ও বিকারগ্রস্ত মানব অবয়বে নরপিশাচ ওরা।

Saturday, July 6, 2019

বন্ডদের পিছনে যারা তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

বন্ড যাদের তৈরি তারাতো ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় নিরবধি!সাথে বেঁচে যায় বিষধর কচুকি!দেখতে চাই দাঁড় করানো হোক প্রত্যেককে আইনের আওতায়

কলা গাছে কংক্রিটের ঢালাই

কলা গাছের ভেলা বানিয়ে ভেসেছি কত মনের সুখে! ছোট বেলার কলাগাছ গুলো এত পোক্ত হয়েছে যে,এ বেলায় দেখছি জায়গা পেয়েছে কংক্রিটের ঢালাই এ!?

বইয়ের পাতা কথা বলে!!!

পৃথিবী হাজারো বাহারি রঙের পাতা দ্বারা সুশোভিত। তবে একমাত্র বইয়ের পাতা কেবল কথা বলতে পারে!

ঘুরে দাড়ানো সহজ নয়!!!

পরিস্থিতিকে পাশ কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প যত সহজে বলা যায় বা শুনতে যত ভালোলাগে! বাস্তবে কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর ঐ সময়টুকু কতটা নির্মম ও কণ্টকময় তা অনেকের কাছেই জানা!

কালনাগিনী

কালনাগিনীর রঙ কিন্তু কালো নয় বরং রঙিন! এটা কালনাগিনী সাপ। জীবনে অনেকবার কালনাগিনী সাপের কথা শুনেছি। তবে আজ দেখলাম কালনাগিনী কালো নয় বরং বহু রঙে রঞ্জিত রঙিন নাগিনী! তবে কালনাগিনীরা বাস্তবতার সাথে সমতাবিধান করে এমন রঙে সজ্জিত হয়েছে মনে হয়! কালনাগিনী নয় এ যেন রঙিন নাগিনী! এক নিমিষে রঙ লাগিয়ে উড়াল দিবে হাওয়ায়!

Thursday, July 4, 2019

পোড়া মাটির উনুন

কাঠ খড়ির উনুনে দীর্ঘদিন ধরে পোড়া মাটিতে হঠাৎ জলসেচন করলে তা থেকে বিশ্রী দুর্গন্ধ ছড়ানো অস্বাভাবিক নয় বরং তা স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যর ফল!
কারণ সজীব মাটি দীর্ঘদিন আগুনে পুড়ে এবং তাপে তার স্বাভাবিকতা হারিয়ে অঙ্গারিত হয়ে যায়। তাই তাতে হঠাৎ পানি দিলে বিকট শব্দে বাতাসে বিশ্রী দুর্গন্ধ ছড়াবে এটাই স্বাভাবিক, যদি কেউ মনে করে পোড়া মাটিতে একটু জলসেচন করে সজীব ভেজা মাটির মত মিষ্টি গন্ধে বাতাস সুবাসিত হবে তা চরম ভুল!

তবে হ্যাঁ, পোড়া মাটি তার স্বাভাবিক সজীব রুপে রুপান্তরিত না হলেও দীর্ঘ জলসেচনে দুর্গন্ধ দূরীভূত হবে তা অবশ্যম্ভাবী! এভাবে কালান্তরে পোড়ামাটি পুনঃরায় সজীবতা ফিরে পেতে পারে জল সেচনকারীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও মমতাময় পরশে।

Wednesday, July 3, 2019

সত্যবাক্য আজ না'কি বিপদ

যারা সত্য বলার অভ্যাস বুনেছিলেন হৃদয়ে আজ তারাই বলছেন নিরবে থাকতে! সত্যিই সত্য আজ বড় অবহেলার,অবজ্ঞার,পাগলের প্রলাপ ও বিপদসংকুল,তা না  হলে তারা এমনভাবে  বলতেন না!?

সত্য কতটা অসহায় হলে এমন কথা গুণীজনে বলে তা ভেবে বিস্ময়ে বিস্মিত হচ্ছি ক্ষণে ক্ষণে! উনারা ভাবছেন অকালে অনাকাঙ্ক্ষিত  প্রাণনাশ হতে পারে! অকারণে নানান বিপদআপদের সম্মুখীন হতে হবে বা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর থেকে নিরবে থাকা অধিক শ্রেয় এটাই ভাবছেন।

তবে প্রশ্নজাগে মনে দিনে দিনে সত্য এতটা নিকৃষ্ট বানালো মানবে কেমনে!?
দৃঢ়চেতা হয়ে সামনে এগোতে হলে সত্য বিনা চলবে কেমনে! শেষ অবধি কি হয় তা দেখেই ছাড়বো যা আছে কপালে!



আজব পৃথিবীটা!

অহংকার,মিথ্যাচার এবং পাপ 
এগুলো যদি পঁচাগলা প্রাণী বা 
আবর্জনার মত দুর্গন্ধময় হতো!
তবে ঐ দুর্গন্ধে বর্তমান 
পৃথিবীটা মুহূর্তের মধ্যে 
বসবাসের অনুপযোগী 
হয়ে যেত !

জীবন ও সমাজের অসংঙ্গতি

শিরদাঁড়ায় চিড় ধরেছে
ব্যাথাটাও নিদারুণ!

কোনো পাশ ফিরেও
আজ চোখে আসে
না স্বস্তির ঘুম!

ধূসর পাতা

কাননবালা কাননের
পাতা কুড়াতে দিন
করেছে শেষ!

শেষ বেলায় ধূসর
রঙয়ের পাতায় খুঁজে
সবুজবর্ণ পাতার রেশ!

Tuesday, July 2, 2019

আশা ও হতাশা!

বেশ কিছুদিন ধরে এমনটা হচ্ছে, যখনি হতাশা আর নিরাশ্রয়ে নিরাশ্বাস হই ঠিক তখনি নতুন আাশার সংবাদ আসে!আর আশায় নাকি নতুন হতাশা তৈরি করে।

ফুলবাগানের পাখি ধুলোমাখা!

ফুল বাগানের পাখিটির বাসা ভেঙ্গে গিয়ে ধুলাবালির সাথে আত্মীয়তায় সখ্য গড়ে তুলেছে! তবে পাখিরা নিজ বাসাতেই সুন্দর তা কে না জানে!

নয়ন বন্ড এবং হাঙ্গর

বন্ড যাদের তৈরি তারাতো ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় নিরবধি!সাথে বেঁচে যায় বিষধর কচুকি! দেখতে চাই দাঁড় করানো হোক প্রত্যেককে আইনের আওতায়!

ধূসর পাতা

কাননবালা কাননের
পাতা কুড়াতে দিন
করেছে শেষ!

শেষ বেলায় ধূসর
রঙয়ের পাতায় খুঁজে
সবুজবর্ণ পাতার রেশ!

Thursday, June 27, 2019

ডেল কার্নেগীর উক্তি

“কর্মহীন জীবন, হতাশার কাফনে জড়ানো একটি জীবন্ত লাশ”

“কর্মহীন জীবন, হতাশার  কাফনে জড়ানো একটি  জীবন্ত লাশ”

উক্তি ডেস্ক২১ জুন ২০১৯, ০৮:৪৮এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ডেল কার্নেগি ১৮৮৮ সালের ২৪ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরীভিলে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক ও অধ্যাপক। পাশাপাশি একাধারে বিখ্যাত আত্ম উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণমালা যেমন: সেফ-ইম্প্রুভমেন্ট, সেলসম্যানশিপ, কর্পোরেট ট্রেনিং, পাবলিক স্পিকিং ও ইন্টার পার্সোনাল স্কিল-এর উদ্ভাবক।
বালক বয়সে তিনি প্রতিদিন ভোর চারটায় উঠে গৃহপালিত গরুগুলো থেকে দুধ দোয়াতেন। এ কাজের ভেতরেও তিনি ওয়ারেন্সেবার্গের সেন্ট্রাল মিশৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা চালিয়ে যান।
কার্নেগির লিখিত সংগ্রহশালার প্রথম প্রকাশ “পাবলিক স্পিকিং: এ প্র্যাক্টিক্যাল কোর্স ফর বিজনেস ম্যান” (১৯৩২ সালে)। তার লেখা ‘হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপলস’ ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত বইটি আজও প্রচণ্ড জনপ্রিয়। সে সময় বইটি বেস্ট সেলারের মর্যাদা পায়। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হাউ টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড স্টার্ট লিভিং, লিঙ্কন দ্য আননোন এবং আরও অনেক বইয়েরও লেখক তিনি।
ডেল কার্নেগি ১৯৫৫ সালের ১ নভেম্বর, ৬৬ বছর বয়সে তার নিজ বাড়িতে ইউরেমিয়া জটিলতাসহ হকিংস রোগে মারা যান।
তার একটি বিখ্যাত উক্তি-
“কর্মহীন জীবন, হতাশার কাফনে 
জড়ানো এক জীবন্ত লাশ।

সংগৃহীত 

Tuesday, June 25, 2019

কোটির কাছে বারো

কোটির কাছে বারো
--------+------+------

কোটির কাছে বারো
তুচ্ছ সেটা নিজেও জানো!
সেটা হিসেবে না আনলেও
পারো!

কোটির কাছে বারো
সামান্য দু'য়ে হাতটা
প্রসারিত করে ধরো!

কোটির কাছে বারো
এটা কোন বিষয় হলো
যখনতখন ইচ্ছে হলেই
হাতটা এবার ছাড়ো!

কোটির কাছে বারো
সেটা কি জীবিকার্জনের
চেয়েও ছিল খুব বড়!

কোটির কাছে বারো
অবজ্ঞা আর অবহেলায়
অসম্মান করে তুচ্ছার্থে
ঘুরো!

কোটির কাছে বারো
কথা না শোনবার
ভাবনাটা মনে আসে
আরও!

কোটির কাছে বারো
তবে সেদিন যে
অসময়ে ছিল খুব বড়!

কোটির কাছে বারো
বিপদকালে খুব সামান্য
মনেউঠার সময় ছিল
না'কো!

কোটির কাছে বারো
কোনটা ছোট কোনটা
বড় অবুঝ ঝিয়ারী
কি জানতো!

কোটির কাছে বারো
আদালতে ভাব ধরো
এটাই ছিল বড়!

কোটির কাছে বারো
ভালোবাসার কাছে তা
হয়না কোনদিন বড় কিংবা
ছোট!

কোটির কাছে বারো
এমন ভাব ধরো
নিজেকে ভিক্টোরীয়া
মনেকর!

কোটির কাছে বারো
তাদেরও সমাজ সম্মান
ছিলো মনে আসেনি
একবারো!

কোটির কাছে বারো
খুব সামান্য হলেও
তাদের সম্মানের দাম
আরো!

কাোটির কাছে বারো
টাকার অংকে হৃদয়
ক্ষতবিক্ষত করতে ইজ্জত
সম্মানের দাম হিসেব
না করো!

কোটি কিংবা বারো
ইজ্জত সম্মানের কাছে
বড়ই তুচ্ছার্থে মানে
আজও অজস্র জনে!
২৫.০৬.২০১৯


Sunday, June 23, 2019

জানালার পাশে তুমি দাড়িয়ে

নির্ঝরের কবিতা লিখার
সামর্থ্য নেই।
তবে নির্ঝরের কবিতায়
উড়ন্ত বলাকার উদাহরণ
দিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য নেই।

ব্যাকুল হৃদয়ে জানালার
পাশে উঁকিঝুঁকি মারো!

নিঃশব্দ অপলক দু'নয়নে
কি মায়াডোরে বাঁধো নিরবে!

শরীরটা যদিও আটকে আছে
জানালার লোহারতারে!

মনটা তোমার ঠিকই
পড়ে আছে তার পথ প্রান্তরে।

চাও যদি উড়তো পারো
তার নিরব নীল আকাশে।

জানালার পাশে তুমি
আজও থাকো নিরবে দাড়িয়ে!

জীবন ও যৌবন

জীবন পথে কখনো কখনো যৌবন কে প্রাধান্য না দিয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। কারণ দীর্ঘ জীবনে যৌবন খুবী সামান্যতম সময়!

আপসংস্কৃতি

সন্তানদের খুব আদর করে মা' বাবা বলে ডেকে থাকি আমরা! এছাড়াও অনেকেই বিভিন্নভাবে বিভিন্ন নামে আদর সোহাগ দিয়ে ডেকে থাকি। কিন্তু ফেসবুকে ইদানীংকালে দেখা যাচ্ছে  অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের ছবি আপলোড করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন এ আমার মা' এ আমার বাবা'। বিষয়টা যুক্তিগতভাবে আদৌ কি শুদ্ধাচার হচ্ছে!?

সন্তান কে ভালোবাসা আদর সোহাগ করা খুবই প্রয়োজন। তবে এভাবে সন্তানদের পরিচিত করানো হলে বাবা মা'কে  কিভাবে পরিচিত করাবেন?
আমাদের সম্পর্কগুলো যার সাথে যেমন তাদেরকে সেইভাবে পরিচিত করানো হলে ভালোই হবে বৈকি মন্দ হবে না। যে যার স্থানে আছে তাকে তার নিজ স্থানে রেখে পরিচিত করানো হলে কোন সমস্যা হবে না বোধ হয়।

জীবন বিলাস


ব্যস্ত সবাই ভালোবাসার কথায়!
প্রেম বিরহে মর্মাহত
প্রতিটি পাতা আছে শব্দ যতো!
হাসি ঠাট্টা রঙ্গরস
ফুটে উঠছে যত জীবন বিলাস!
এতো কিছুর ভিড়ে নীরবচারীর
নীরবতার চিত্র আসে না
 কারো গান,গল্পে
কবিতা কিংবা সাহিত্য!

আরো একবার তোমাকে চাই।

আরো একবার তোমাকেই চাই! সমসাময়িক সময়ে এ কথাটি বলার সময় মানুষে নাই।
ব্যস্ত সবাই যেতে উপরের সিঁড়িটাই!এরকম লোভাতুর সহস্র ব্যস্ততার মাঝে মানবে দ্বিতীয়বার ডাকবার সময় কোথায়!

তাই বলি পাণ্ডুলিপি রচিত হয়নি খুব বিশেষ ;ওপারে গেলে ভালোবাসার আয়োজন হবে কিসে? হবে না নিশ্চয় খুব বিশেষ!

প্রিয়দর্শিনী হঠাৎ আগমন

চেনা পথে অকস্মাৎ প্রিয়দর্শিনীর
অপ্রত্যাশিত দৃষ্টিবিনিময় চিত্তে
ভাবনার উদয়াচল।
ভাবনার উদয়পুরে ভাব না
উঠতেই হয়ে গেল অস্তাচল।
দৃষ্টিতে স্বপ্নময়ী স্বল্প আলাপন
জুড়িয়ে  দিল মন।
এ যেন একটুখানি উদয়াস্ত ক্ষণ!

মোহর বাণিজ্য

বর্তমানে নতুন লাভজনক এক ব্যবসা চলছে নিরবে। অনেক পরিবার যৌতুক বিহীন বিয়েতে বড় অংকের মোহর বেঁধে মেয়ে বিয়ে দিয়ে কিছুদিন পরে ডিভোর্স নেওয়ার মাধ্যমে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ছেলে পক্ষের নিকট হতে। বিষয়টি খুবী উদ্বেগজনক, এতে অনেক পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে চরম বিপদে পড়ছে প্রতিনিয়ত। নতুন এই ব্যবসা সম্পর্কে সকলের সচেতনতা খুবী জরুরী।

নিজ সম্মান, পরিবার ও সমাজ বাঁচাতে সকলকেই সচেতন হওয়া এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। এতোদিন যৌতুককে না বলেছি আমরা আজও যৌতুককে না বলি এবংবিয়ে নামক ব্যবসায়ে মোহরনার বিষয়টিতেও খুব সর্তক হওয়া একান্ত প্রয়োজন। সকলের দৃষ্টিপাত কামনা করছি।

আমার আষাঢ়

আমার আষাঢ়ে তুমি
আসলে না বর্ষা!
উত্তপ্ত মাটির বুক
চিরে হয়েছে চৌচির।

বর্ষার অঝোর ধারা
বৃষ্টি হয়ে আজও
পোড়া বুকটায় পড়লো না
একফোঁটা বা একপশলা!

Saturday, May 25, 2019

আমি যা তুমি তা নও!

আমি যা তুমি তা নও!
তুমি যা আমি তা নই!
তুমি যা পারো না তা করার ভান করোনা!
তুমি যা উহ্য রাখো, আমি তা বোঝার ক্ষমতা রাখি!
তুমি ইচ্ছের বিরুদ্ধাচরণ করে কারো মত হতে চাইলেও!
তুমি তোমার মতই থাকবে!
এ তোমার দোষ নয়, দোষটা তোমার স্বভাবে!
তোমার জানা আছে বৈকি!
আমাদের মাঝে এমন অনেক প্রাণ আছে!
যারা নাকি সব বোঝার পরেও চুপ থাকে!!!

প্রেয়সীর আসা যাওয়া

🌺🌼🌾প্রতিদিনের হঠাৎ আসা যাওয়ায়🌺🌼🌾

ক্ষণকাল স্থায়িত্বে আসা যেন দমকা হাওয়া!
এইটুকুন সময়েই দিয়ে যায় বিরাট এক ধাক্কা!

জমাটবদ্ধ হতে চায় মস্তিষ্কে বয়ে চলা রক্তকণিকা!
তবুও অক্সিজেনের প্রভাবে নিরবধি বয়ে চলে তা!

পেশীতন্ত্রে মারে টান যেন বেজে উঠবে বিদায়ী ঘন্টা!
তবুও বেচারা কেন যেন ফিরে পায় প্রাণটা!

দুর্বল দেহের অভ্যন্তরে থাকা ইস্পাতনির্মিত হৃদয়টা!
তবে কিঞ্চিৎ ব্যাথার সৃষ্টিছাড়া কিছুই করতে পারেনি তা!

Tuesday, May 14, 2019

প্রিয়ার অনুশাসন

তুমি যখন ভালোলাগার কথা বলো,
তখন ভালো থাকা নিয়ে ব্যস্ততা অধিক!

তুমি যখন ভালোবাসার কথা বলো,
তখন কংক্রিটের ভালো বাসা নিয়ে ব্যস্ততাযুক্ত দিন!

তুমি যখন ভালো থাকার কথা বলো,
তখন প্রাঁণ নিয়ে বেঁচে থাকা উষ্ঠাগত প্রতিটি দিন!

তুমি যখন নিজের খেয়াল রাখতে বলো,
তখন বেখেয়ালি মনে কেটে যায় বেলা নিত্যদিন!

তুমি যখন নিয়ম করে নিয়মিত খেতে বলো,
তখন সারাদিনমান নাওয়া খাওয়া অনিয়ম প্রতিদিন!

তুমি যখন সময়মতো ঘুমাতে বলো,
তখন দু'চোখ নির্ঘুম হয়ে পার করে কত রাত্রি দিন!

  ---- তাজ----
 ১৫/০৫/২০১৯
০৫ঃ২৭(a.m)

Sunday, May 12, 2019

দূরন্ত পথিক

দূরন্ত পথিক
------✌------
রোদে পুড়েছে দূরন্ত পথিক!
পানিতে ভিঁজতেও সমান পারদর্শী!
কাঁদায় হাটু ডোবা রাস্তায় দিয়েছে পথ পাড়ি!
পথেরকাঁটা বিঁধেছে পায়, রক্ত ঝরছে নিরবধি!
কখনো পা পিছলে পড়েছে ধপাস!
কিন্তু উঠতে দেরি করেনি, দু'পায়ে চলেছে নিরবকাশ!

পথে চলতে ক্লান্তি আর গ্লানি দিয়েছে হাতছানি!
তৃষ্ণাতুর হৃদয় কখনো কখনো পা বাড়াতে চায়নি!
তবুও না থেমে চলেছে লক্ষ্যভেদের তরে কে তারে ধরে!
অবশেষে সব বাধা পেরিয়ে বিজয়ের ধ্বনি বাঁজবে!
ধ্বনিত হবে আকাশ বাতাস  নিবে বিজয়ের স্বাদ!
পথিক শুধু নয় পথিক এ যে,দূরন্ত পথিক!
অন্তহীন বন্ধুর পথে ধাবমান দূরন্ত পথিক!

Sunday, May 5, 2019

স্বপ্নে আসো তুমি!!!???

ভাবনা তো দূরের কথা,
কল্পনাযোগ্য নয়!

দূরদেশী তবুও কেন যে,
মাঝেমধ্যেই হঠাৎ করে সাক্ষাৎ হয়!

তবে মানুষ কি জীবনে
একবার আর একজনেই সীমাবদ্ধ রয়!

অধিকাংশে বলে,
 অরে এ কোন ব্যাপার নয়!

হ্যাঁ, যদি তা সত্য হয়,
তবে নাকি খুব কষ্ট হয়!!!

Thursday, May 2, 2019

কালবৈশাখী

        ♋♋কালবৈশাখীর তাণ্ডবলীলা ♋♋

কালবৈশাখীর শুধু বাইরেই কালো নয় ভেতরবাড়িটাও কয়লাকুঠি। এইতো বছর চারেক আগের কথা, জলধিতরঙ্গে তরঙ্গলেখা হয়ে বেড়ানো কালবৈশাখী    দিশেহারা হয়ে অতীতের চেনা পথে বইতে শুরু করে।

বলে রাখা ভালো ইতিপূর্বেই কালবৈশাখী তার তাণ্ডবলীলার নমুনারূপ হিসেবে কৃষকের তরুণ বৃক্ষরাজিকে আপাদমস্তক নড়িয়ে দেখিয়ে দিয়েছে একহাত! তবে যাইহোক চেনা পথে মৃদুগতিতে চলতে শুরু করে পুনরায় । এর মাঝেও কালবৈশাখী তার কালো কুৎসিত চেহারার বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে বহুবার! দৃঢ়কায় বৃক্ষগুলোকে ভাঙতে চেয়েছে! সুঠামদেহী দৃঢ়কল্প বৃক্ষগুলো তবুও নিজ অবস্থানেই ছিল। বাতাসে দোল খায়নি তা কিন্তু নয়!

কৃষকের অতিকষ্টে লালিত ও সাধনার বৃক্ষাদি হঠাৎই ভেঙ্গে দেয় সেদিনের বিকেলবেলার কালবৈশাখী! শতচেষ্টায় কৃষক শেষ রক্ষামন্ত্র হতে পারেনি! তাই কষৃক আাবারও বৃক্ষ রোপন করে কিছু জায়গায় আর অপক্ষো করে মাঝখান থেকে ভেঙ্গে যাওয়া গাছের নতুন কুশি (কুঁড়ি) বের হওয়ার। কৃষকের যেইকথা সেই কাজ, অক্লান্ত পরিশ্রমে খালি জায়গা পুনরায় পত্র পল্লবিত হয়েছে তরুণ বৃক্ষগুলোতে।
কিন্তু জানেন কৃষক মাঝেমধ্যেই আনমনা হয়ে ভাঙ্গা গাছটির ক্ষতের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর নিজেই নিজেকে কি যেন বলতো! তবে কিছুক্ষণেই কৃষক আবার তার চিরচেনা রুপে দুহাতকে ব্যস্ত করে তুলতো। এভাবেই চলতে থাকে কৃষকের ক্লান্তিহীন কর্মজীবন আর নিজেকে পরিবর্তনের সর্বোচ্চ প্রয়াস।

কৃষকের দৃঢ়কল্প ও পরিশ্রম কষৃকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ওদিকে কিন্তু কালবৈশাখী তার নরম হাওয়া গরম করতে থাকে। অপেক্ষা শুধু মুখ্যম সুযোগের! এবারে কিন্তু কালবৈশাখী কৃষকের বিক্ষগুলোকে নয় স্বয়ং কৃষকের উপরেই তার তাণ্ডবলীলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়!

শেষমেশ যথা সময়ে কালবৈশাখী তার আঘাত হানে। কিন্তু কালবৈশাখী জানতো কৃষক বাছা সহজে নড়বার নয়। তাই সে বুদ্ধি করে ফণি(শক্তিশালী হ্যারীকেন ঝড়) কে সঙ্গী করে একসঙ্গে দেয় মরণ ছোবল। এবারে কিন্তু কৃষক বাছা হয়ে পড়ে নাজেহাল! এভাবেই কৃষকের জীবন আজও চলছে তবুও ছাড়েনি হাল, দেখতে ভুলেনি স্বপ্ন নতুন, নতুন সূর্যদয়!!!

Monday, April 22, 2019

পল্লীবিদ্যুৎ ও পল্লীবাসী

🐸🐸🐸পল্লীবিদ্যুৎ ও পল্লীবাসী 🐸🐸🐸

আমরা পল্লীবাসী বলেই কি পল্লীবিদ্যুৎ আমাদের সাথে এমন খেলায় মত্ত হয়েছে? ওরা কি পল্লীবাসীকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ বিতরণ করছে নাকি? নাকি ওরা মনেকরে পল্লীর লোকজন প্রকৃতির আলো বাতাসে কাজ সেরে নিবে? কোন চেতনা থেকে ওরা এমন করে চলেছে প্রতিনিয়ত?

আাকাশে মেঘ না জমতেই, বাতাসে গাছ নড়ে না উঠতেই  পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়! আর কোন ক্রমে, আকাশে যদি বিদ্যুৎ চমকায় তবে হয়েছে! এমন বেহাল অবস্থা কেন? এর জন্য কি পল্লীবাসীরা দায়ী? নাকি পল্লীবাসীরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে না কোনটি? আর যদি আপনাদের বিল পরিশোধ না করতো তবে বকেয়া বিলের দায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতো। আর না হলে জেল হাজতে যেতে হতো!

আর বিদ্যুতের বিল পরিশোধ না করলে তো মামলা দিয়ে জেল খাটাতেন! ইতিমধ্যেই আপনরা সেটাও প্রমাণ করেছেন বিদ্যুৎ  সংযোগহীন  থাকার পরেও ভুয়া মামলায় আসামী বানিয়েছেন দিনমজুর কে!
আপনরা বিভিন্ন স্থানে আপনাদের সুবিধামত বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করে রেখেছেন সাধারণের অধিকারভুক্ত বা মালিকানাধীন জমির মাঝখান দিয়ে। এতে করে ঐসব জমির মালিকগন নানান ধরনের অসুবিধা ভোগ করছে। যেমন আমের বাগানের মাঝখান দিয়ে খুঁটি ও তার নিয়ে গেছেন। এতে বাগান মালিক ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

আবার কেউ ব্যক্তিগত  জমিতে বিল্ডিং বা দালান কোঠা নির্মাণ করবে  সেই কার্য ব্যাহত হচ্ছে। খোলা বিদ্যুতের তারের জন্য প্রায়শই নানান দূর্ঘটনা ঘটে চলেছে।  তবে কি পল্লীবাসীরা পল্লীবিদ্যুতের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে নাকি প্রশ্নজাগে?

তবে প্রশ্ন রইলো পল্লীবাসীর পক্ষ হতে, আর কতদিন পল্লীবাসী এভাবে পল্লীবিদ্যুতের নানান অবহেলাতে অবহেলিত হবে???

সময় ও ধৈর্যের সীমাবদ্ধতা থাকার জন্য বিষয়বস্তু দীর্ঘায়িত করতে পারলাম না।।।

Monday, April 15, 2019

উল্টোরথ

যা চেয়েছি কিচ্ছু পাইনি তার!
দেখতে চায়নি যা বারবার দেখতে হয়েছে তা!
শুনতে চেয়েও শুনতে পায়নি বরং শুনেছি যা কখনোই শুনতে চায়নি তা!
যেতে চাইনি যেথায় বারবার যেতে হয়েছে সেথায়!
অন্তরে লালন করেছি যা বাস্তবরূপে কিছুই মেলেনি তা!
কিচ্ছু চাইনি সত্যপথ, সত্যকথা, যত সামান্য সত্য ভালোবাসা আর সততা ছাড়া!
যা চেয়েছি সবই কি ছিল ভুল?
নাকি তা ভাগ্যের লেখা?
যদি ভুল হয়েই যায় তবুও চেষ্টায় রয়েছি আজও অবিচল!
চেষ্টায় নাকি ভুল হয়ে যায় ফুল!
তবে যা চেয়েছি তা দেখার আশায় বেঁচে আছি আজ এবং বাঁচতেও চাই আগামীকাল!!!

বৈশালী এসেছিলো

ভরদুপুরে বহুদিন পরে বহুদূর হতে হঠাৎই বৈশালীর চিরচেনা কন্ঠের আওয়াজ কানে এসে বাজে! তুমি কেমন আছো জিজ্ঞেস করে? সর্বজন বিদিত শব্দে তার উত্তর দিই ফিরিয়ে।
চিরচেনা হাসিতে আজও চিড় ধরেনি! সহাস্যমুখে নিমন্ত্রণ জানিয়ে বলে সময় পেলে বেড়াতে এসো আমাদের দেশে। ভাবি ব্যাকুল হয়ে না আসতেই বলে এসো বেড়াতে! কথায় কথা গড়িয়ে চলে ঢের সময় ধরে!
গাড় কালো চক্ষু গোলকে সেই নিহিত ভাষার বর্হিপ্রকাশে আজও সমুদ্র তরঙ্গ উঠে। ধবধবে সাদা দাঁতের নিকেলে আজও বিচ্ছুরিত হয় আলো। কপালে ছিল না আজ ছোট্ট রঙিন টিপ। তাতে কি আসে যায় সবকিছু ছিল ঠিকঠাক।
চিরচেনা কন্ঠে দু-লাইন গানে মনছুয়ে গেছে আগের মতন করে। স্পর্শের বাইরে তবুও হৃদয় স্পর্শী হয়ে উঠেছিলো ক্ষণিকের তরে! না বলা শত কথা হৃদয়ের স্পন্দনে স্পন্দিত হয়ে প্রবাহিত হয় উভয়ের তরে!
যত বড় উপাধি আমায় দিয়েছে এত্ত বড় উপাধি  আর পাবো না এ জনমে! বিদায়ের শেষমুহুর্তে অশ্রুশিক্ত নয়নে বলে ভালো থাকো তুমি! স্পর্শহীন ভালোবাসা আর শুভকামনা চিরদিন রবে তোমার তরে। ঠিক তক্ষণী বলি অনেক কিছু রয়ে গেছে আজও হৃদয়ে ও মগজে। শুভকামনায় ব্যাকুলতা প্রকাশের আগেই বিদায় নিয়ে বলি তুমি এ মনে রবে!!!

Saturday, April 13, 2019

স্বপ্নাদ্য

স্বপ্ন বুনি মনে,তোমার সাথে সাক্ষাত হবে কেমনে?
 রঙিন কাগজে মোড়ানো চকলেটগুলো দেখলেই, মন ডুবে তোমার প্রতিচ্ছায়ে!

স্বপ্ন বুনি মনে খুনসুটির হাট বসাবো কবে,কেমনে?
শহর বন্দর বেড়ায় ঘুরে জীবনের প্রয়োজনে!
হঠাৎ নজর পড়ে যায় ছোট্ট রঙিন পোশাকআশাকে! পথে প্রান্তরে একটু জিরিয়ে নিতে,বসে পড়ি ফুটপাতে! সেখানেও দেখা মেলে অবুঝ দুটি চোখের মায়াজড়ানো দৃষ্টির পলকে!

Monday, April 8, 2019

চাকরির ভেরিফিকেশন

আপনি আপনার নিজস্ব মেধা মনন দিয়ে এবং আপনার বাবার সৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ ব্যয়ে পড়াশোনা করেন।এরপর বিভিন্ন চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়  নিজস্ব মেধায়, নিজ দক্ষতায় ও যোগ্যতায় নির্বাচিত হন আপনি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বাকি থাকে আপনার চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন। আর এখানে আপনার ভাগ্যের আসল খেলা শুরু হয়। কারণ আপনার এলাকার বিভিন্ন প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গ উত পেতে থাকে বড় অংকের অর্থ দাবী করার জন্য। আপনি যদি তাদের এ অবৈধ দাবী পূরণ করতে পারেন তবে আপনার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো হবে। আর যদি তাদের ষোলকলা পূর্ণ না হয় তবে আপনার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট যা হওয়ার দরকার তাই হবে। তখন আপনি আপনার ভাগ্যকে গাল মন্দ করেন এবং পরিবারের আর্থিক অবস্থার জন্য পিতামাতাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। কিন্তু বাস্তবতার আলোকে আপনার ও আপনার পরিবারের দোষটা কোথায়? কারণ আপনি ও আপনার পরিবারের সবাই স্বচ্ছতার সহিত জীবন-যাপন করেন। তবে আপনার অপরাধটা কোথায়? আপনি কি তবে বাংলাদেশের নাগরিক নন? এ দায়ভার কেবে নেবে? আর কত তাজা প্রাণ এরকম ঘৃণ্য রোষানলে পড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হবে!!!

বাস্তবতার নির্মম চিত্র,তবে আমি কাঁদবো না! এই ছাত্র ভাইটির মত এত কষ্ট করিনি হয়তো কোনদিন। কিন্তু জীবনের সাথে সংগ্রাম করেছি নিজের ভাগ্যকে পরিবর্তন করার।  হ্যাঁ সে পথে সফলতার দার প্রান্তে পৌছনো হয়নি তবে সেটা নিতান্তই আমার অপরাধ বা দূর্বলতা কি না তা জানি না। তবে কেন জানিনা আজ এই ছাত্র ভাইটির ঘটনাটা পড়ে মনে পড়ে গেল এইতো সেদিনের কথা! ২০১২ সাল সদ্য স্নাতক শেষ করে রেজাল্ট পেয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী কলেজ হতে। এমনিতেই সেশন জটে অর্নাস এবং মাস্টার্স মিলে চার বছর কেড়ে নেয় সসর্বমোট। যাইহোক বলছিলাম  ২০১২ সালের কথা আমার জীবনের প্রথম চাকরিী পরীক্ষা ছিল এস. আই পদে। যথারীতি প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করি১৩/০৭/২০১২, ১৪/০৭/২০১২ও ১৫/০৭/২০১১ পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল রাজশাহী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। লিখিত পরীক্ষায় কৃতকাজ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য চিঠি আসে। মৌখিক পরীক্ষার তাং ১৬/০২/২০১৩ইং ১০ ঘটিকার সময়। ভাইভা পরীক্ষা দেওয়ার পর শুরু হয় পুলিশ ভেরিফিকেশন।  প্রথমবার যখন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ হতে বাড়িতে পুলিশ আসে এবং বলে আপনি ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে এবং তা কয়েক দফায় সম্পন্ন হবে। ইতি মধ্যে গ্রাম্য আওয়ামীলীগ নেতারা বিষয়টা জানতে পেরে আমার পরিবারের নিকট হতে বড় অংকের অর্থ দাবি করে। তারা বলে ভেরিফিকেশনে ভালো রিপোর্ট করে দিবে।  আমার পরিবারের সাম্যর্থ  অনুযায়ী তাদেরকে অর্থ দিতে চাইলে তারা তাতে খুশী হতে  পেরে আমার নামে বিভিন্ন বানোয়াট তথ্য দেয় পুলিশি রিপোর্টের সময়, যেমন আমি বিএনপির সাথে উতপ্রোত ভাবে জড়িত এবং স্থানীয়  বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত ইত্যাদি, ইত্যাদি। যাহোক কয়েক দফা ভেরিফিকেশন হওয়ার পর আর কোন খোঁজ পাইনি ঐ চাকরির বিষয়ে। বি:দ্র: অর্জিত শিক্ষা ও গুরুজনকর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা,নীতি নৈতিকতা যা মনে আজও লালন করি সেগুলো এই নোংরা রাজনীতি থেকে আজও আমায় বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে! এটা আমার ব্যর্থতা কিনা আমি তা জানিনা!  আজ ছয় বছর পর এই কথাগুলো বলার কারণ হলো এই ছাত্র ভাইটি যেন আমার মত চাকরির ভেরিফিকেশন হতে বাদ না পড়ে। স্যার আপনি ওকে যেমন ১০০০৳ দিয়ে সহায়তা করেছেন যা খুবই জরুরী ছিল ঠিক তেমনি সে ভাই যদি লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তার ভেরিফিকেশন এর সময় তাকে কোনভাবে সহযোগীতার জন্য চেষ্টা করবেন আশারাখি। আর কেউ যেন এই নোংরামির শিকার না হয় তা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ রইলো। এত নির্মম  সুন্দর বাস্তব এই ঘটনাটা সকলের  সামনে তুলে ধরার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ রইলো। শুভকামনা।

Friday, April 5, 2019

নোটারী পাবলিক বাধা সম্পর্ক

💑সম্পর্কের দলিল💑

💔কাগজে লিখা সম্পর্ক ছিঁড়ে যায় যখন তখন💔

সম্পর্কের দলিল অতীতে ছিলনা যখন,তখন কি তারা একসাথে পার করেনি পুরো জীবন! এখন গিয়ে সম্পর্ক বাধে নোটারী পাবলিকে, যেন কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারে যখন তখন। দলিলে কি আর যায় বাধা পুরো জীবন, সম্পর্ক ধরে রাখতে লাগে অত্মার বন্ধন। সেদিন দেখেছি নোটারী পাবলিকের দস্তখৎ আর টিপসই মারা কাগজ, সব ছিঁড়ে কুটি হয়েছে। মুখে বলা দলিল হয়েছিল বেশ মানানসই। কেউ দেখেনি ফাইল বন্দি সম্পর্কের স্বীকারোক্তির কাগুজে দলিল। তাই বলি সম্পর্ক যদি হয় অত্মার সাথে, নোটারী পাবলিকে যাওয়ার কি প্রয়োজন আসে!

Monday, April 1, 2019

প্রেয়সী ২

❤❤অপেক্ষারত প্রেমী❤❤

 দুয়ার খুলে মোরে আহবান করো বিনয়াবনত সহাস্যমুখে।দৃষ্টিসুখে ভাসছে হৃদয় চেয়ে আমার পথপানে। তোমার সাথে আড়ি, দিব না সাড়া তোমার আহ্বানে। যতই তুমি আমারে ডাকো, দাঁড়িয়ে থাকো দু'পায়ে মুখে নিয়ে মায়াবী হাসি। তুমি ভেবোনা এত সহজেই দাঁড়িয়ে যাবো আমি। তবে যাই বলো তোমার আপাদমস্তক ভঙ্গী, মনে হয় দাঁড়িয়ে দেখি দু'দন্ড। তবে ইচ্ছের সাথে বাজি, ও আমার চির কারসাজী। হাসি মুখেই থাকো, পথ আগলো রেখো। কোনদিন হঠাৎই তোমার দরজায় কড়া নাড়তেও পারি। তবে আজ যায় দূর থেকেই বিদায় চাই। এমনিতেই চারিধারে আগুনের ছড়াছড়ি, তোমার খুব কাছে গেলে দু'জনেই পুড়ে যেতে পারি।

Sunday, March 31, 2019

দুশ্চিন্তার বিষ

পরিস্থিতি সাপেক্ষে আপনাকে বিষ প্রয়োগে হত্যার প্রয়োজনই হবে না। কারণ ঐ পরিস্থিতি দুশ্চিন্তার মাত্রাকে এত পরিমাণে বাড়ায় এবং তা থেকে নির্গত টক্সিনের বিষক্রিয়া আপনার মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট।

Saturday, March 30, 2019

নিজের অনুভূতি হোক আপরের অনুভূতি

সর্বস্ব হারানো মুখের প্রতিচ্ছবি আপনার হৃদয়কে স্পর্শ করেনা, যতক্ষণ না তা আপনার সাথে ঘটে। আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত নিরস চোখে চেয়ে থাকেন, যতক্ষণ না ঝড়ের বালি এসে পড়ে আপনার দৃষ্টিকোণে। আপনি ততক্ষণ হাসতেই থাকেন, যতক্ষণ না আপনার হাসির বস্তু মাটিতে লুটায়ে পড়ে। পুড়ে ঝলসানো ক্ষতের কি মহা যন্ত্রণা আপনি বুঝতেই পারেন না,যতক্ষণ না আপনার গায়ে আগুনের একটু আঁচ লাগে। আপনি তখনো বুঝতে পারেন না যখন পাশের বাড়ির মেয়েটা লাশ হয়ে পড়ে থাকে, যতক্ষণ না তা আপনার মেয়ের সাথে ঘটে। আপনি সেদিন টেরও পাননি যেদিন কলিমুদ্দির একমাত্র রোজগেরে ছেলেটা রাস্তায় চাকার নিচে চাপা পড়ে মাথার খুলি হারায়,হয়তোবা বুঝবেন যেদিন দেখবেন আপনার সন্তান চাকার পৃষ্ঠতলে পড়ে নিয়েছে চিরবিদায়।

Thursday, March 28, 2019

মানসিক রোগী

মানসিক হাসপাতালের সবাই কি মানসিক রোগে আক্রান্ত? নাকি ওরা কারো বিকৃতমস্তিষ্কের বিকৃত চিন্তা দ্বারা লোহার শিকলে আবদ্ধ???

মানসিক হাসপাতালের অধিকাংশ রোগীরা তাদের আপনজন দ্বারা প্রতারিত। পাশে থাকা মানুষটি যখনি সত্য বলার চেষ্টা করেছে। ঠিক তখনি তাদেরকে উম্মাদ,মানসিক ভারসাম্যহীন,পাগল,বিকৃত
মস্তিষ্ক,লোভী ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করেছে।

তাদের আপকর্মগুলো মাটি চাপা দেওয়ার জন্য। বর্তমান   সমাজ,পরিবার, বিভিন্ন সংস্থা,অফিস,আদালত ইত্যাদি জায়গায় ওরাই প্রাধান্য পায়। সকল ফলাফল তাদের পক্ষে থাকে। প্রকৃত দোষী সাব্যস্ত হয় সত্য বলতে যাওয়া ঐ নিরপরাধ মানুষগুলো।

😇😇পাবনা মানসিক হাসপাতালের রোগীদের উপর নির্মিত একটি রিপোর্টের তথ্যের আলোকে 😇😇

মা'গো আমায় কি দিয়েছো।

মা'গো সেদিন তুমি কেন রক্তাক্ত করেছিলে তোমার অঙ্গজুড়ে থাকা সুতী শাড়ীটারে? কেন এগিয়ে দিয়েছিলে কাঁটা রাইফেলের সামনে সাদা গেঞ্জি গায়ে দেওয়া তোমার অবুঝটারে? সেদিনেও পুড়েছিল তোমার ঘর স্বাধীনতা অর্জনের অনলে! তবে আজও কেন তোমার শাড়ীর আচঁল ভিঁজে কাঁন্নার জল মুছতে? কেন আজও তোমার হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হয় আগুনে ঝলসানো লাশের মিছিল দেখে? আজও কেন তোমার মেয়েরা ধর্ষিতা হয়ে পড়ে থাকে অজ্ঞাত নামে? তোমার ছেলের লাশ আজ ব্যাগে বন্দি থাকে শতটুকরো হওয়ার পরে! তোমার কাছে আমার প্রশ্ন রইলো স্বাধীনতার নামে তুমি কি দিয়েছো আমারে?

Tuesday, March 26, 2019

সন্তানের খেলনা

🚻🚼উত্তরসূরি🚻🚼

♻সন্তানের খেলনা নির্বাচনে সতর্ক হউন♻

এইতো সেদিনের দেখা একটি বিষয়। আজ হঠাৎই একটা ছবি দেখে পুনরায় ভাবিয়ে তুলেছে মানবের বিবেকবোধকে। তবে যাইহোক ছবির গল্পটা শোনাযাক এবার, এক বাবা তার সন্তানের জন্য খেলনা পিস্তল নিয়ে এসেছে। বাবার কাছে থেকে এমন উপহার পেয়ে সন্তান মহাখুশি। ছুটির দিনে বাবা ছেলের আড্ডা চলছে বেস চুটিয়ে। খেলতে খেলতে এক পর্যায়ে হঠাৎ করে বাবার মাথায় পিস্তল তাক করেছে ছেলে। এটা দেখে বাবা আনন্দিত হয়ে ছবিও তুলে নিলেন। পরে আবার সেই ছবি ফেসবুকের প্রোফাইলে পিকচার বানালেন। এভাবে সেই ছেলে বড় হতে থাকে। তার মনে আজও আছে সেইদিনগুলোতে বাবাকে খেলনা পিস্তল দিয়ে গুলি করতো অনায়াসে। কখনো কখনো বাবাও আভিনয় করতো গুলি খেয়ে মরে যাওয়ার।
বাবার দেয়া এ শিক্ষা ভবিষ্যতে হবে সর্বনাশা কে জানতো। ছোট থেকেই ছেলের পিস্তল নিয়ে খেলতে ভালোলাগার বিষয়টা কবে যে মানুষ মারার নেশা হয়ে গেছে তা টেরও পাইনি পিতামাতা।
হঠাৎই কোন কারণে ছেলে তার বাবার মাথায় পিস্তল ঠেকালো। বাবা মনেকরেছে ছেলে আমার ছোটবেলার মত আজও হয়তো দুষ্টামি করছে। এর কিছু মূহুর্ত পরেই বাবা টের পেলেন ছেলে আজ খেলনা পিস্তল নয় নিয়ে এসেছে দামি রিভালবার। পরে যা হওযার তাই হলো। যেমন খেলনা তেমন তার ফল।

তাই বলি আজ, ভেবেচিন্তে সন্তানের জন্য খেলার সামগ্রী ক্রয় করুণ। আপনার সন্তানের জন্য যে কোন কিছু ক্রয় করার আগে একবার ভেবে দেখবেন, ঐ বিষয় বা বস্তু থেকে আপনার সন্তান কি ধরনের জ্ঞান লাভ করছে। আর ঐ বিষয় বা বস্তুর পরবর্তী প্রভাব ইতিবাচক না নেতিবাচক তা  মূল্যায়ন করুণ। কারণ আপনি আজ যা শেখাবেন আগামীকাল তাই ফেরত পাবেন। ভেবে দেখবেন বিষয়টি? সুস্থ, সুন্দর মন আর মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠুক আমাদের আগামী প্রজন্ম।

Monday, March 25, 2019

এলোকেশী

অবাধ্য রেশমি কালাে কেশ শুনেনা বারণ। আমায় দেখতে দিবে না বলে ঢাকিয়া দেয় ঐ চন্দ্র বদন। শত চেষ্টার পরেও থামাতে পারেনি তোমার ঠোঁটের হাসি অকারণ।

তোমায় বলে রাখি, অবাধ্য কেশ গুচ্ছকে এর পরে দিও শাসি। এমনিতেই দেখিতে চাহিয়া দেখা নাহি পাই। একটু দেখা দিলেও বা যদি, এলো কেশ এসে রাখিতে চাহে আড়াল করি।

ব্যক্তিত্ব বনাম অর্থ

অর্থের পরিমানের মাপকাঠিতে ব্যক্তিত্ব নির্ধারণকারী সমাজে প্রকৃত ব্যক্তিত্ববানদের কোন অবস্থান নেই।

ললনাপ্রিয়

গোলাপ পাপড়ি ঠোঁটে মহাসিন্ধুর ন্যায় হাসি ফুটে উঠেছে। শুধু নয় ঠোঁটে চক্ষুগোলকেও বাধ ভাঙ্গা হাসির ঢেউ উঠেছে।  তীরে আছড়ে পড়ে না যেন ঐ হাসি। তাহলে হয়তো আনেকই হবে বানভাসি।

তীর ধনুক ও আঘাত প্রাপ্ত শিকার

তীর ধনুক একটি অন্যটি ছাড়া অচল প্রায়। আর ধনুকে তীর তাক করে তা ছুড়ে দেবার পর ধনুক ফেলে তীরের পিছনে ছুটেছেন দিকভ্রান্ত হয়ে।
কিন্তু ধনুক লক্ষ্যবিন্দুতে আঘাত হেনে বের হয়ে দূর দিগন্তবৃত্তের মাঝে পতিত হয়। মাঝখানে আঘাত প্রাপ্ত লক্ষ্যবস্তু নিয়ে গন্তব্যস্থানে ফিরে আসা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না আপনার। ফলশ্রুতিতে আপনি তীর ধনুক হারিয়ে আঘাত প্রাপ্ত শিকারটাকে আটকে রেখেছেন মাত্র।

Friday, March 22, 2019

ক্রন্দনরত প্রেয়সী

💘💘💘কাঁদতে দেখেছি নিরবে নিভৃতে। অশ্রুশিক্ত নয়নের কাঁন্না চুয়ে পড়েছে বদন জুড়ে। সে চাপা কাঁন্না বাকরুদ্ধ করেছে তোমারে। কাঁন্না লুকাতে চেয়ে পারোনি তা লুকাতে। তোমার ক্রন্দনধ্বনি আঘাত করেছে হৃদয়ে। তবুও তুমি অবাক হয়েছো তার মুখের হাসি দেখে। কিন্তু তুমি বুঝতে পারোনি হাসির আড়ালে লুকানো ক্ষতবিক্ষত হৃদয়টারে। তুমি অবাক হতেও পারো এ আবার কেমন কাঠখোট্টা লোক বাপরে।

এমন ভাবনা তুমি ভাবোনি স্বপ্নে কেমন করে এমন অবস্থায় সে থাকে নিরবে। তুমি শুধু দেখোছো পাথর মূর্তি  মুখটারে, তোমার অনুভবে আসেনি হৃদয়ে লুকানো কুসুম কোমল মনটারে। তুমি জানতেও পারবেনা কেমনে সে রয়েছে বেঁচে। সেটা না হয় থাকুক গোপনে। তবে তোমায় বলি এমন করে বুক ভেজাবে না কাঁন্নার জলে। চেষ্টা রাখিবে শত আঘাতেও হাসি মুখে রইতে। তুমিও জানো ঠোঁটের কোনে একচিলতে হাসি লুকাতে পারে শত ব্যাথা  কষ্টরে।💘💘💘

Thursday, March 21, 2019

মিথ্যার দেশে

🌌স্বপ্নে বেড়ায় ঘুরে 🎢

সেদিন গেলাম মিথ্যার দেশে, ওখানে দেখি সত্যকে ওরা বোকামি বলে জানে। মিথ্যুকরা বুদ্ধিমান বলে এখন খ্যাতিসম্পন্নদের দলে। সেখানেও নাকি ফাইল নড়ে না সব সত্য হলে। আরও দেখি মিথ্যাচারী পার পেয়ে গেল তদন্তকারীর কাছে। সবকিছু নাকি বন্দি এখন সাক্ষ্য আর প্রমানের বেড়াজালে। ওখানেও আছে দেখলাম অনেকেই বিষধর সাপের ন্যায় নারীদের পা চাটা হাদিদের মতন।
সত্য বললে নাকি বদলি হয় যখন তখন। আবার সত্য নাকি কর্মচ্যুত হওয়ার মূল কারন। মিথ্যায় নাকি রাখে ওদের কর্মচঞ্চল জীবন।
ওরাও দেখি প্রয়োজনের তাদিগে প্রিয়জনদের পাগল বানায়, বলে ওম্মাদ বদ্ধ পাগল। সবশেষে যা দেখি সত্যপথে থাকা মানে খুব বড় দোষী। দেখলাম এক মিথ্যাচারিণী নিজের জন্য অন্ধকূপে ঠেলে দিল প্রতিমারুপ সন্তানের ভবিষ্যৎকাল।
প্রস্থানের ঠিক শেষ মুহূর্তেও শুনি মিথ্যার বিহ্বল।

ঋণ কর্মী

           ঋণ কর্মীর সাথে আপনার আচরণ

যদি ঋণ পরিশোধের যোগ্যতা না থাকে তবে ঋণ গ্রহন করতে যাবেন না। কারণ ঋণ দাতার পক্ষ থেকে যখন ঋণের কিস্তি নিতে আসে তাকে আপমানের স্বরে কথা বলার কোন যোগ্যতায় আপনার নেই। আপনার বাবার টাকায় পড়াশুনা করে বা আপনার নিকট হতে দু-টাকা খেয়ে বসে নেই যে,আপনার যা ইচ্ছা তাই বলবেন।

 ঋণ কর্মীরা ভিন দেশী কোন এলিয়েন নয় ওরা আপনার আমার মত এদেশেই বাস করে। ওরাও কারো ভাই,কারো বোন বা কারো সন্তান। ওদের সহায়তায় আপনি আপনার জীবন জীবিকা পরিচালনা করেন। আবার ওদের সাথে অপ্রয়োজনীয় দুর্ব্যবহার করেন, এই অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে প্রশ্ন রইলো?

ঋণ গ্রহন করে যথা সময়ে পরিশোধ করা আপনার দায়িত্ব। আর এর মাধ্যমে সমাজে আপনার ইতিবাচক ইমেজ বাড়তে থাকে। ঋণের টাকা পরিশোধে আপনার গড়িমসি আর ঋণ কর্মীর জোটে বসের চোয়ালের বাড়ি। আপনার অকৃতজ্ঞ অচরণ হুমকিতে ফেলে দেয় ঋণ কর্মীর জীবন-যাপন।
আপনি আপনার জায়গায় অবোধের মত করে চলেছেন নোংরা অচরণ। অন্যদিকে আপনার বোন ভগ্নী আত্মীয় স্বজন দেশের অন্যপ্রান্তে অপমানিত হচ্ছে সারাক্ষণ। আপনি ভেবে হয়তো খুশি হন আমার অমুক তমুক ঐ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে কামাই রোজগারও বেশ ভালো,থাকে অমুক জেলায় বেশ আরামে। কিন্তু প্রকৃত আবস্থা যে কি আপনি বুঝতে পারবেন আপনার এলাকার কর্মীর প্রতিদিনের জীবনে। সাথে এইটুকুও ভাববেন আপনার আচরণ কেমনে ক্ষতবিক্ষত করে আপনার এলাকার ঋণ কর্মীকে।

জীবনের তাগিদে আপনার বোন, ভগ্নী আত্মীয়পরিজন মুখে হাসি নিয়ে বাড়ি আসেন ঠিকই। কিন্তু আপনি আপনাকে জিজ্ঞাসা করুন ঐ হাসির আড়ালে লুকানো কি যে কষ্ট। আপনার এলাকার ঋণ কর্মীর সাথে আপনার কৃত জঘন্য আচরণ আপনাকে না কাঁদালেও কাঁদে আপনার আত্মীয়স্বজন। কিভাবে তা একটু ভেবে দেখুন?

আপনি ঋণ পরিশোধে সচেতেন হলে বুক ফুলিয়ে চলবে আপনার আত্মীয়পরিজন। আত্মীয়জ্ঞান থেকেও আপনি ঋণ পরিশোধে হতে পারেন সচেতন।

পরিশেষে বলি, প্রবিত্র কোরআন হাদীসের বাণী, " অপরিশোধ কৃত ঋণের জন্য মৃত ব্যক্তির আত্মা পৃথীবিরও আসমানের মাঝে ঝুলে থাকে তা সবাই জানি"। যথা সময়ে নিজে ঋণ পরিশোধ করি ও অন্যদের ঋণ পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করি। সুখী সমৃদ্ধ জীবন-যাপন ও সুন্দর পরিবার তথা দেশ হোক সমৃদ্ধশালী সকলেরই তা কাম্য।

Wednesday, March 20, 2019

ইছামতীর পাড়ে

মনে পড়ে পূর্ণ জোস্নায় ভিজে গল্প বলা সেই রাত্রিবেলা। জোস্নার স্নিগ্ধকর আলোয় আমায় নিয়ে ডুবেছিলে তুমি, হয়েছিলে স্বপ্নে বিভোর। শত কথার মাঝে দু-লাইন গান আমায় করতো পাগল। গান আর গল্পে দিশেহারা হয়ে কত রাত হতো বিভোর। গ্রীষ্মের উত্তাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতাম তখন তিন তলার ছাদে। নদী বিধৌত মৃদু শীতল হাওয়া সাথে জোস্নার আলো ওদিকে আবার কন্ঠে তোমার মায়াবী শুর উঠতো। সবমিলিয়ে সারাদিনের ক্লান্তিকর অনুভূতিগুলো বিদায় নিতো।

একসাথে জোস্না দেখার সেই দিনগুলো আজ শুধূই স্মৃতি। ভরা জোস্নায় আকাশ আজও উদ্দীপ্ত। শুধু তুমি আর আমি একই রেখাই নেইতো। জোস্নার আলো দেখলেই আজও ফিরে যাই ইছামতীর সেই তীরে। যেখানে অলস বসে জোস্নায় ভিজে সময় কাটতো। তোমার হাসিতে বের হওয়া দাঁতগুলো জোস্নার আলোর মতই ঝলকানি ছড়াতো। তবে যাই বলো ইতিহাসের পাতায় দিনগুলো লিখবে না কেউতো।
শুধু আমারি এ ব্যর্থমনোরথে আজও ভেসে উঠে এইতো। জোস্নার আলো যখনি দেখি আমি ঘুরে আসি আজও( কল্পনায়), ইছামতীর  জল তরঙ্গে জোস্না বিধৌত আলোয় বয়ে চলা কচুরিপানার মত।

কোমলতার মাঝে লুকানো কষ্ট

ফুলের কোমলতা তোমায় আঘাত করতে পারে না বলে তুমি তার ওপর খুব সহজেই পা মাড়িয়ে চলতে পারো। আর এজন্যই হয়তোবা কিছু ফুলে কাঁটা থাকে, তোমায় বোঝাতে, পৃষ্ট হয়ে রক্তাক্ত হওয়ার কি যে কষ্ট। শুধু ফুল ভেবে, কাঁটাযুক্ত ফুলে একবার স্পর্শ করেই দেখো কিভাবে তোমায় নিরবে করে রক্তাক্ত!

Tuesday, March 19, 2019

কংক্রিটের মত শক্তমন

গৃহসজ্জার মত অঙ্গসজ্জাতেও হয়েছে বেশ শৈল্পিক উন্নতি সাধন। মানুষ যেন হয়ে উঠেছে ফুলেল শোভিত কংক্রিটের দেওয়ালের মতন।

চেনা পথে দৈন্য

বহুদিন পর প্রেমময়ী সেই পথে হঠাৎ বিচরণ।
 হাঁটছি ঠিকই তবে উদ্দেশ্য ছিল ভিন্নরকম । ব্যবধান শুধু সময়ে, স্মৃতিগুলো আজ বিস্মৃতির আড়ালে ধূলার আস্তরণের মত প্রলেপে ঢাকা পড়েছে। তবুও মনুষ্য মন বলে কথা, হৃদয়কোণে নানারকম স্মৃতিগুলো দিয়ে যাচ্ছে দ্বোলা। দু- একবার পাশফিরে দেখিনি তা বলবো না কারন মন শোনেনি বারন।

তবে দৃষ্টির ভাষায় বেশ পরিবর্তন, কারণ কাঙ্খিত বিষয়ের বহুদূরে বসত। দীর্ঘ পথচলায় সাথে ছিলে তাই বুঝি মনের মধ্যে করে যেন কেমন কেমন। সময় চলেছে সময়ের নিয়মে,কিন্তু স্মৃতিগুলো থেকে যায় অন্তরালে।
একইপথ একই মানুষ শুধু সময়ের ব্যবধানে অবস্থান ভিন্ন।
আফসোস নেই কোন কারণ সেই পথে তুমি নেই আমারি জন্য। জগতটা এমনি একজনে থেকে যায় চির দৈন্য।

অযান্ত্রিক প্রকৃতির কোলাহলে

অনিন্দ্যসুন্দর প্রকৃতির মাঝে,মাতাল হয়ে ছিলেম তোমাদের সাথে সে অনন্দঘন  মুহূর্তকালে। সবভুলে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাওয়ার কি যে অনন্যতা বোঝায় বলো কেমন করে।

জানো আজ বন্ধু জনেও দুরুত্ব বেড়েছে ঠিক যেন ফেলে আসা ধূসর স্মৃতিলোপে। তবে কিছু স্মৃতি মনের ফ্রেমে না থাকলেও রাখা আছে এ্যালবামে।

শতেক ব্যস্ত জীবনে স্মৃতিরোমন্থন করে এ্যালবামের পাতা উল্টোভাবে উল্টাতে গিয়ে চোখ আটকালো এইখানে।

একা নয় আমি তবুও একাকীত্ব মাঝে মাঝে ভর করে। তখন মনের অজান্তেই হারিয়ে যায় অযান্ত্রিক প্রকৃতির কোলাহলে।

অভিনন্দন জানাই

নিজের মনের ইতিবাচক চিন্তাধারা ও বিষয়াবলীর বর্হিপ্রকাশ যখন, অন্য কোন ব্যক্তি, বিষয় ও বস্তুর মধ্যে প্রতিফলিত হয়।
তখন সেই ব্যক্তি,বিষয় ও বস্তুর প্রতি অভিনন্দন জ্ঞাপন না করলে নিজেকে অকৃতজ্ঞ মনে হতে পারে ভেতর থেকে। কারণ পারিপার্শ্বিকতার জন্য অনেক কিছুই আমরা চাইলেও বলতে,লিখতে বা কার্যে রুপান্তর করতে পারিনা।
বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা যখন আমাদের ঘিরে ধরে তখন কেউ যদি সেই অদৃশ্যমান নেতিবাচক শৃঙ্খলকে উপেক্ষা করে কিছু বলে,লিখে বা বাস্তবে রুপ দেয় তখন তাকে অন্তর থেকে অভিনন্দন  জানানো অবশ্যকর্তব্য হয়ে উঠে।

Sunday, March 17, 2019

স্বর্ণ -২


তুমি জানোনা মা একটা প্রতিচ্ছবি রক্ত ঝরায় অন্তরে প্রতি মুহূর্তে। তুমি জানতেও পারবে না হয়তো, বুকের বামপাশে তীব্রভাবে ব্যাথা যুক্ত নির্ঘুম রাতের কি যে কষ্ট! দূরে আছো বলে ভেবোনা স্পর্শ থেকে তুমি বঞ্চিত।
যদি বলো কেমনে তুমি আমায় আদর করো? ওরে স্বর্ণ মা, আমার দিবারাত্রির নিদ্রালু তন্দ্রাচ্ছন্ন ক্ষণে না ডাকিতে আসো তুমি আমারে বুকে জড়াতে। বিশেষ ঐ মুহূর্তকাল সারাদিনমান রাখে আমায় চলমান। শুনেছি সেই কবে পেছন থেকে আমায় ডেকেছিলে আব্বু বলে। কানে আজও তা সুমধুর শুরে বেজে উঠে।

তবে যাহোক, সময় তোমাকে ফেরত দিবে আপন ঠিকানাতে। আরও বলি প্রশ্ন করোনা আমায় কেমনে থাকি এমন করে? সময়ই তোমাকে হাজারো প্রশ্নমালার উত্তল বলে দিবে।
                   
                      ❤❤❤ প্রত্যাশা ❤❤❤

Wednesday, March 13, 2019

চাকরির বিজ্ঞাপন ও বেকারের কান্ড

শিক্ষিত বেকারের উষ্ঠাগত প্রাণ আর শূণ্য পকেট নিয়ে খেলছে যত  চাকরি দাতা মহাজন। আবেদন ফি এর নামে চলছে অবৈধ বাণিজ্য। বৃহৎ সংখ্যার পদখালী বেকারের মন নেয় কাড়ি। না বুঝিয়া বেকার হুমড়ি খেয়ে দিচ্ছে আবেদন হওয়ার জন্য স্ব-কার।
প্রতিদন কত চাকরির বিজ্ঞাপন আসে খবরের কাগজে। সাথে থাকে শর্ত না করিলে পূরন ডাকিবে না মহাজন। আবার সাথে থাকে অর্থের বিবরণ। লোভনীয় বিজ্ঞাপন আকৃষ্ট করে বেকারের মন। তবুও চাকরি দাতা খেলছে খেলা দেখায়ে প্রলোভন। দু'শো (২০০) জনে বলে লাগবে দু'হাজার জন। তবে এটাকে বলতে পারি বেকার নিয়ে বাণিজ্য। কর্মহীন শ্রেণীকে নিয়ে নতুন কৌশলে ধনতান্ত্রিক যুগে ধনীদের ব্যবসা সফল বাণিজ্য। এ ব্যবসায়ে ব্যবসায়ীর পুরাই লাভ ক্ষতি নেই সঙ্কা। আর কত, আর কতদিন চলবে বোকা বানানোর এ বাণিজ্য।

বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে যাই আর কিসে ভরবে অর্থলোভীদের মানুষ খেকো পেট। ওরা কি কোনদিনও বুঝবে না কিভাবে পার হয় দীর্ঘশ্বাসে ভরা বেকারত্বের দিনগুলি।

সাদাতেই সব

সাদাতে হয় জন্ম ,আবার সাদায় ধুয়ে হয় শুদ্ধ । অবশেষরূপেও  সাদায় মুড়িয়ে রাখে সাড়ে তিন হাত গর্তে। সাদায় শুরু সাদাতেই শেষ, কি হবে এত রঙিন বেশ?
শুরু থেকে শেষ সাদাতেই হয় শেষ। রঙে রঙিলা মন উড়ায়েছো রঙিন ভুবন। ভুলেও ভাবনি তুমি নিমিষে হবে শেষ তোমার রঙিন জীবন। তবে এত রঙের কি প্রয়োজন। সাদামন সাদাসিধে জীবন ওপারে পাবে রঙিন ভুবন।
তাইবলি সদা সর্বদা সাদাকে করো লালন।

Monday, March 11, 2019

অসহায়ত্ব

"মানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে " একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?

 দেখার কেউ নেই, তবুও একটু প্রচেষ্টা মাত্র। আজ এক অসহায় সম্বলহীন বিধবা বৃদ্ধার কথা বলছি। তবে চলুন জেনে নিই এই বয়োবৃদ্ধার জীবনের কিছু কথা( তার মত করে বলার চেষ্টা করলাম)।
নাম জিগ্যেস করলে বলেন তার নাম সাজেদা। নামের সামনে পিছনে কি আছে তিনি বলতে পারলেন না, তিনি বললেন সবাই সাজেদা নামেই চিনে। আনুমানিকভাবে তার বর্তমান বয়স কম বেশি  সত্তর (৭০) বছর প্রায়। তিনি রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার ডাকরা ইউনিয়নবোর্ডের অধীনে শিমুলিয়া গ্রামে বসবাস করেন। তার ভাষ্যমতে প্রায় তিরিশ (৩০) বছর আগে তিনি বিধবা হন।


বসতবাড়িটাও অন্যের জমির উপর নির্মিত। সংসারে তার তিনটি মেয়ে আছে। মেয়ে তিনজন শারীরিকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত। বিধবা ও তার মেয়েদের জীবিকা নির্বাহ হয় বিধবা বৃদ্ধার ভিক্ষাবৃতি দ্বারা। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে, আপনি সরকারী কোন সাহায্য সহযোগীতার জন্য কাউকে বলেননি বা কোন ধরনের সরকারী সহযোগীতা পান কি না? উত্তরে তিনি বলেন অনেকেই নাকি তার বিষয়ে জরিপ করে আসেন তার পর আর কিছুই হয় না। তিনি আরও বলেন রিলিফ কার্ড, বয়স্ক ভাতার জন্য বিভিন্নজনের দারস্থ হয়েছেন। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না দিতে পারাই তিনি ঐ সুযোগ সুবিধাদি থেকে বঞ্চিত আজ অবধি। জনবা সাজেদা কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন আর বলতে থাকলেন এভাবে আর কতদিন? শরীরটাও বেশ ভালো যাচ্ছে না। তিনি অসুস্থ হলে কি করবেন? কেমনে তার শেষ জীবন অতিবাহিত হবে?  এমন অনেক প্রশ্ন করতে থাকেন নিজেই নিজেকে।

আমার জায়গা থেকে তাকে সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার ছিলনা। আর যেটুকুন করার সাধ্য ছিল সেটুকুন চেষ্টা করলাম মাত্র। আর প্রশ্ন রয়ে গেল হাজারো বিবেকের কাছে, আমরা এমন কেন?

Friday, March 8, 2019

সৃষ্টিসুখ

পাতা ঝরার ঠিক পরেই রুক্ষমূর্তি গাছগুলো প্রত্র শোভিত হয়।

উপলব্ধি থেকে একই বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির তারতম্য হতেই পারে। তবে যৌক্তিকতা থাকলে তা মোটেও অযৌক্তিক নয়।
রান্নাকরা খাবার থালায় সাজানোর শৈল্পিক সৌন্দর্যময়তার সৃষ্টিসুখ আছে। আর চেয়েও চরম সৃষ্টিসুখ পেতে পারেন, অগোছালো এক প্লেট অনাহারক্লিষ্টকে আহার করালে।

Thursday, March 7, 2019

কি যেন নেই

দৃশ্যত সবই বিদ্যমান, তবুও কিছু একটা তোরে করেছে ম্রিয়মাণ। চিরচেনা হাসিতে চিড়ধরেছে, ঠোঁটেরকোণে কিছুপরিমাণ দুঃখময় বার্তা ভেসে  উঠেছে। উদারমনা দৃষ্টিমেলে দূরদেশী কারো অপেক্ষমাণ।

শুধূই এটা নয় অবাধ্য মনের চিন্তন। আড়ালে লুকিয়ে থাকা গভীরঅরণ্যে রোদন। তবে যাই বলিস সবকিছু ঠিকঠাক হলেও, ভেতরবাড়িতে হয়েছে কিছু পরিবর্তন।

সবই নশ্বর

মেঘ, বৃষ্টি, রোদ  কখনোসখনো একই সঙ্গে দেখেছো হয়তো। আবার ঝড়ো হাওয়ার পরেই শান্ত নির্মল বাতাস অনুভব করেছো। কিন্তু আজ অবধি কোনকিছুই একইরুপে চিরস্থায়িত্বলাভ করছে দেখনি  নিশ্চয়।

প্রকৃতি ও আমরা

প্রকৃতির পরিবর্তিত রুপের সাথে মনুষ্য আচরণ পরিবর্তিত হচ্ছে, নাকি মনুষ্যত্বের পরিবর্জন প্রকৃতিকে বিকৃতরূপে আবির্ভূত করছে।

ক্ষুদ্র প্রাণেও বিপর্যয় গুরুত্ববহ

রুটির জন্য যুদ্ধরত জীবনপথে, পরমাণু যুদ্ধের বার্তা অতটা গুরুত্বহীন নাও হতে পারে।

Wednesday, March 6, 2019

কাঁচের যুগ বনাম প্লাস্টিকের যুগ

কাঁচের যুগ বনাম প্লাস্টিকের যুগঃ-
কাঁচের যুগে হৃদয় একবার ভাঙ্গলেপরে হতো শেষ।আগুনে না পুড়তো,পানিতে না ভাসতো,ফেবিকলে জুড়ানো না যাইতো।

প্লাস্টিকের যুগে হৃদয় খান খান হয়,অনলে পুড়ে যায়,দুমড়ে মুচড়ে যায় অবিরত। পানিতেও ভাসে যত্রতত্র। ভাঙ্গলে আবার ফেবিকল দিয়ে জুড়িয়ে নেয় মনের মত।

বন্ধুর পথের সারথি

সাহস করে একবার পথ চলতে শুরু করেই দেখুন, ঠিকই কেউ না কেউ পথ চলায় সঙ্গী হবেই। আর পথে হঠাৎই সমমনা কিছু মানুষ পেলে আবিরাম চলা যায় দিগন্ত পানে।

নতুন গন্তব্যে

জগতি স্টেশনের মত জীবনের হাজারো গন্তব্যপথে পরিচিত পরিচারণকারী থামার প্রয়োজনই মনেকরে না!কারন একটাই পরের গন্তব্যে নাকি এখন সবই হয়/সবই পাওয়া যায়।

কৃষ্ণ কলি

দিগন্তবিস্তৃত খোলা ধানের মাঠ। মাঝখানে এঁকে বেঁকে চলেছে খেয়ালী মেঠো পথ। দুপাশে দারুণ বেড়ে উঠেছে ইউক্যালিপটাস গাছ। মনেপড়ে তোমার, মৃদুমধুর হালকা হাওয়ায় পথচলা হাতে রেখে হাত। হয়ত ভুলেই গেছো তুমি? আমি কিন্তু যাইনি ভুলে,কারন সেটাছিল আমার রোজকেরে পথ।

স্বর্ণ

স্বর্ণ মাটি,পাথর বা ধাতুর তৈরি প্রাণহীন কাঠামো নয় যে,তা স্বর্ণালংকিত করলেই তার জীবন পরিপূর্ণতা লাভ করবে।

মানুষের জন্মগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাকে পুতুলের ন্যায় সোনা দিয়ে মুড়ালেই কি সব হয়ে যায়? না হয় না,আর এটা কখনওই সম্ভব নয়। অবুঝ যেদিন বুঝবে সেদিন ভাঙ্গবে তোদের ঘুম। রক্ত মাংসের দেহটা যেদিন বুঝবে যে, সে কোন কাঠামো নয়। সেদিন ঠিকই স্বর্ণের শিকল ছিন্ন করে খুজে নিবে আপন ভুবন।

মেহদী বাটার রঙ এখন উপরেও লাল

সুমধুর কন্ঠে মেহদী বাটার কবিতা আর শুনতে হয় না নিশ্চয়। কারণ মেহদী বাটার উপরের রঙ পাল্টে এখন শুধু লাল নয় রক্তেরচাপও বাড়িয়ে দিয়েছে নিশ্চিত। আবেগপরায়ণতা অন্যের সম্পর্কবিনিময়ের পথে বেশিরভাগ সময়েই পথেরকাঁটা হয়। এটা বুঝা যায় যখন আপনার মোবাইলে তা  আর কলার টিউন হিসেবে বাজে না।

দক্ষতার অবমূল্যায়ন

কোন ব্যক্তি,গোষ্ঠী বা দলমত দ্বারা আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতার অধিক মূল্যায়ন হলে আপনি বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য।
 আমাদের সমাজে অনেক অদক্ষ মানুষ বিভিন্ন ভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন কর্মের সুযোগ পেয়ে যান। যা তার যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী বড়ই বেমানান।
আর ঠিক এজন্যই এই ব্যক্তিগুলো বিবেক বর্জিত হয়ে ন্যায় অন্যায় না বুঝে প্রতিনিয়ত আপোষ করে অনেক কিছুর সাথে।

বিশ্বাসঘাতক

বিশ্বাসঘাতকদের দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়ার ঘটনা বিরল।সেখানে বিশ্বাসঘাতকদের তৃতীয়বার সুযোগদিবে এমন মহৎকর্মের বুদ্ধিমান কর্তা কেউ হবে না

প্রতীক

একটা প্রতীক চিহ্ন একই সীমারেখার বন্ধুত্বের মাঝে পাশাপাশি চলতে সবিস্তর ব্যবধান করে বসেছে মগজে।

বন্ধুত্বেও ও প্রিয় মানুষগুলোর সাথে সম্পর্কের চিড় ধরছে ভিন্নরূপ প্রতীকে সমর্থন করার জন্য। চিরচেনা মানুষগুলো দূরদেশী হয়ে দুরুত্ব বজায় রেখে চলে একই সীমানায়। দেখে তাজ্জব হয়ে যায় প্রতীক চিহ্নে সমমনা না হওযায় সম্পর্কগুলোর অবনমন।
মানবীয় মননদৈন্য থাকতেই পারে,আর থাকাটা স্বাভাবিক। কারন সৃষ্টিকৌশলটাই একজনকে অন্যজন থেকে করেছে পৃথক। তেমনি মতাদর্শেও ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক।
তাইবলে কি সম্পর্কগুলো নষ্টনীড়ে পরিনত হবে এ কেমন কথা।

ভালোর সঙ্গী হই

ভালো কিছুর সঙ্গে থাকুন। ভালো না হলেও খারাপ হবে না।

আপাতদর্শনে কথাটি খুব সাধারণই মনে হবার কথা। আসলে তা কিন্তু নয়। কথাটির ব্যাপ্তি ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। মানুষের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ভালো শব্দটির সাথে সখ্যতার একান্ত প্রয়োজন। 



রক্ত কবরী রঙ

রক্ত কবরী রঙে রাঙিয়েছিলে তোমায় নিজের মতন করে।  ভাবোদ্দীপক রঙ শুধু মুখে নয় হৃদয়েও ছিল সেসময়। ভাবিনী সে উচ্ছ্বসা ছুয়ে যাবে আমার হৃদয়। জড়াইয়াছিলে দেহখানি লাল টুকটুক রঙের দ্বোলায়। তাই আজও বলতে ইচ্ছে হয় শাড়ীতে নারী মানাই শার্ট প্যান্টে নয়।

মনে আজ মেঘ করেছে বেশ, তাই তোমায় দেখে লিখতে পারিনি খুব বিশেষ।