মনে পড়ে পূর্ণ জোস্নায় ভিজে গল্প বলা সেই রাত্রিবেলা। জোস্নার স্নিগ্ধকর আলোয় আমায় নিয়ে ডুবেছিলে তুমি, হয়েছিলে স্বপ্নে বিভোর। শত কথার মাঝে দু-লাইন গান আমায় করতো পাগল। গান আর গল্পে দিশেহারা হয়ে কত রাত হতো বিভোর। গ্রীষ্মের উত্তাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতাম তখন তিন তলার ছাদে। নদী বিধৌত মৃদু শীতল হাওয়া সাথে জোস্নার আলো ওদিকে আবার কন্ঠে তোমার মায়াবী শুর উঠতো। সবমিলিয়ে সারাদিনের ক্লান্তিকর অনুভূতিগুলো বিদায় নিতো।
একসাথে জোস্না দেখার সেই দিনগুলো আজ শুধূই স্মৃতি। ভরা জোস্নায় আকাশ আজও উদ্দীপ্ত। শুধু তুমি আর আমি একই রেখাই নেইতো। জোস্নার আলো দেখলেই আজও ফিরে যাই ইছামতীর সেই তীরে। যেখানে অলস বসে জোস্নায় ভিজে সময় কাটতো। তোমার হাসিতে বের হওয়া দাঁতগুলো জোস্নার আলোর মতই ঝলকানি ছড়াতো। তবে যাই বলো ইতিহাসের পাতায় দিনগুলো লিখবে না কেউতো।
শুধু আমারি এ ব্যর্থমনোরথে আজও ভেসে উঠে এইতো। জোস্নার আলো যখনি দেখি আমি ঘুরে আসি আজও( কল্পনায়), ইছামতীর জল তরঙ্গে জোস্না বিধৌত আলোয় বয়ে চলা কচুরিপানার মত।
No comments:
Post a Comment