Monday, April 15, 2019

বৈশালী এসেছিলো

ভরদুপুরে বহুদিন পরে বহুদূর হতে হঠাৎই বৈশালীর চিরচেনা কন্ঠের আওয়াজ কানে এসে বাজে! তুমি কেমন আছো জিজ্ঞেস করে? সর্বজন বিদিত শব্দে তার উত্তর দিই ফিরিয়ে।
চিরচেনা হাসিতে আজও চিড় ধরেনি! সহাস্যমুখে নিমন্ত্রণ জানিয়ে বলে সময় পেলে বেড়াতে এসো আমাদের দেশে। ভাবি ব্যাকুল হয়ে না আসতেই বলে এসো বেড়াতে! কথায় কথা গড়িয়ে চলে ঢের সময় ধরে!
গাড় কালো চক্ষু গোলকে সেই নিহিত ভাষার বর্হিপ্রকাশে আজও সমুদ্র তরঙ্গ উঠে। ধবধবে সাদা দাঁতের নিকেলে আজও বিচ্ছুরিত হয় আলো। কপালে ছিল না আজ ছোট্ট রঙিন টিপ। তাতে কি আসে যায় সবকিছু ছিল ঠিকঠাক।
চিরচেনা কন্ঠে দু-লাইন গানে মনছুয়ে গেছে আগের মতন করে। স্পর্শের বাইরে তবুও হৃদয় স্পর্শী হয়ে উঠেছিলো ক্ষণিকের তরে! না বলা শত কথা হৃদয়ের স্পন্দনে স্পন্দিত হয়ে প্রবাহিত হয় উভয়ের তরে!
যত বড় উপাধি আমায় দিয়েছে এত্ত বড় উপাধি  আর পাবো না এ জনমে! বিদায়ের শেষমুহুর্তে অশ্রুশিক্ত নয়নে বলে ভালো থাকো তুমি! স্পর্শহীন ভালোবাসা আর শুভকামনা চিরদিন রবে তোমার তরে। ঠিক তক্ষণী বলি অনেক কিছু রয়ে গেছে আজও হৃদয়ে ও মগজে। শুভকামনায় ব্যাকুলতা প্রকাশের আগেই বিদায় নিয়ে বলি তুমি এ মনে রবে!!!

No comments:

Post a Comment