♋♋কালবৈশাখীর তাণ্ডবলীলা ♋♋
কালবৈশাখীর শুধু বাইরেই কালো নয় ভেতরবাড়িটাও কয়লাকুঠি। এইতো বছর চারেক আগের কথা, জলধিতরঙ্গে তরঙ্গলেখা হয়ে বেড়ানো কালবৈশাখী দিশেহারা হয়ে অতীতের চেনা পথে বইতে শুরু করে।
বলে রাখা ভালো ইতিপূর্বেই কালবৈশাখী তার তাণ্ডবলীলার নমুনারূপ হিসেবে কৃষকের তরুণ বৃক্ষরাজিকে আপাদমস্তক নড়িয়ে দেখিয়ে দিয়েছে একহাত! তবে যাইহোক চেনা পথে মৃদুগতিতে চলতে শুরু করে পুনরায় । এর মাঝেও কালবৈশাখী তার কালো কুৎসিত চেহারার বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে বহুবার! দৃঢ়কায় বৃক্ষগুলোকে ভাঙতে চেয়েছে! সুঠামদেহী দৃঢ়কল্প বৃক্ষগুলো তবুও নিজ অবস্থানেই ছিল। বাতাসে দোল খায়নি তা কিন্তু নয়!
কৃষকের অতিকষ্টে লালিত ও সাধনার বৃক্ষাদি হঠাৎই ভেঙ্গে দেয় সেদিনের বিকেলবেলার কালবৈশাখী! শতচেষ্টায় কৃষক শেষ রক্ষামন্ত্র হতে পারেনি! তাই কষৃক আাবারও বৃক্ষ রোপন করে কিছু জায়গায় আর অপক্ষো করে মাঝখান থেকে ভেঙ্গে যাওয়া গাছের নতুন কুশি (কুঁড়ি) বের হওয়ার। কৃষকের যেইকথা সেই কাজ, অক্লান্ত পরিশ্রমে খালি জায়গা পুনরায় পত্র পল্লবিত হয়েছে তরুণ বৃক্ষগুলোতে।
কিন্তু জানেন কৃষক মাঝেমধ্যেই আনমনা হয়ে ভাঙ্গা গাছটির ক্ষতের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর নিজেই নিজেকে কি যেন বলতো! তবে কিছুক্ষণেই কৃষক আবার তার চিরচেনা রুপে দুহাতকে ব্যস্ত করে তুলতো। এভাবেই চলতে থাকে কৃষকের ক্লান্তিহীন কর্মজীবন আর নিজেকে পরিবর্তনের সর্বোচ্চ প্রয়াস।
কৃষকের দৃঢ়কল্প ও পরিশ্রম কষৃকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ওদিকে কিন্তু কালবৈশাখী তার নরম হাওয়া গরম করতে থাকে। অপেক্ষা শুধু মুখ্যম সুযোগের! এবারে কিন্তু কালবৈশাখী কৃষকের বিক্ষগুলোকে নয় স্বয়ং কৃষকের উপরেই তার তাণ্ডবলীলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়!
শেষমেশ যথা সময়ে কালবৈশাখী তার আঘাত হানে। কিন্তু কালবৈশাখী জানতো কৃষক বাছা সহজে নড়বার নয়। তাই সে বুদ্ধি করে ফণি(শক্তিশালী হ্যারীকেন ঝড়) কে সঙ্গী করে একসঙ্গে দেয় মরণ ছোবল। এবারে কিন্তু কৃষক বাছা হয়ে পড়ে নাজেহাল! এভাবেই কৃষকের জীবন আজও চলছে তবুও ছাড়েনি হাল, দেখতে ভুলেনি স্বপ্ন নতুন, নতুন সূর্যদয়!!!
No comments:
Post a Comment