Sunday, March 31, 2019

দুশ্চিন্তার বিষ

পরিস্থিতি সাপেক্ষে আপনাকে বিষ প্রয়োগে হত্যার প্রয়োজনই হবে না। কারণ ঐ পরিস্থিতি দুশ্চিন্তার মাত্রাকে এত পরিমাণে বাড়ায় এবং তা থেকে নির্গত টক্সিনের বিষক্রিয়া আপনার মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট।

Saturday, March 30, 2019

নিজের অনুভূতি হোক আপরের অনুভূতি

সর্বস্ব হারানো মুখের প্রতিচ্ছবি আপনার হৃদয়কে স্পর্শ করেনা, যতক্ষণ না তা আপনার সাথে ঘটে। আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত নিরস চোখে চেয়ে থাকেন, যতক্ষণ না ঝড়ের বালি এসে পড়ে আপনার দৃষ্টিকোণে। আপনি ততক্ষণ হাসতেই থাকেন, যতক্ষণ না আপনার হাসির বস্তু মাটিতে লুটায়ে পড়ে। পুড়ে ঝলসানো ক্ষতের কি মহা যন্ত্রণা আপনি বুঝতেই পারেন না,যতক্ষণ না আপনার গায়ে আগুনের একটু আঁচ লাগে। আপনি তখনো বুঝতে পারেন না যখন পাশের বাড়ির মেয়েটা লাশ হয়ে পড়ে থাকে, যতক্ষণ না তা আপনার মেয়ের সাথে ঘটে। আপনি সেদিন টেরও পাননি যেদিন কলিমুদ্দির একমাত্র রোজগেরে ছেলেটা রাস্তায় চাকার নিচে চাপা পড়ে মাথার খুলি হারায়,হয়তোবা বুঝবেন যেদিন দেখবেন আপনার সন্তান চাকার পৃষ্ঠতলে পড়ে নিয়েছে চিরবিদায়।

Thursday, March 28, 2019

মানসিক রোগী

মানসিক হাসপাতালের সবাই কি মানসিক রোগে আক্রান্ত? নাকি ওরা কারো বিকৃতমস্তিষ্কের বিকৃত চিন্তা দ্বারা লোহার শিকলে আবদ্ধ???

মানসিক হাসপাতালের অধিকাংশ রোগীরা তাদের আপনজন দ্বারা প্রতারিত। পাশে থাকা মানুষটি যখনি সত্য বলার চেষ্টা করেছে। ঠিক তখনি তাদেরকে উম্মাদ,মানসিক ভারসাম্যহীন,পাগল,বিকৃত
মস্তিষ্ক,লোভী ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করেছে।

তাদের আপকর্মগুলো মাটি চাপা দেওয়ার জন্য। বর্তমান   সমাজ,পরিবার, বিভিন্ন সংস্থা,অফিস,আদালত ইত্যাদি জায়গায় ওরাই প্রাধান্য পায়। সকল ফলাফল তাদের পক্ষে থাকে। প্রকৃত দোষী সাব্যস্ত হয় সত্য বলতে যাওয়া ঐ নিরপরাধ মানুষগুলো।

😇😇পাবনা মানসিক হাসপাতালের রোগীদের উপর নির্মিত একটি রিপোর্টের তথ্যের আলোকে 😇😇

মা'গো আমায় কি দিয়েছো।

মা'গো সেদিন তুমি কেন রক্তাক্ত করেছিলে তোমার অঙ্গজুড়ে থাকা সুতী শাড়ীটারে? কেন এগিয়ে দিয়েছিলে কাঁটা রাইফেলের সামনে সাদা গেঞ্জি গায়ে দেওয়া তোমার অবুঝটারে? সেদিনেও পুড়েছিল তোমার ঘর স্বাধীনতা অর্জনের অনলে! তবে আজও কেন তোমার শাড়ীর আচঁল ভিঁজে কাঁন্নার জল মুছতে? কেন আজও তোমার হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হয় আগুনে ঝলসানো লাশের মিছিল দেখে? আজও কেন তোমার মেয়েরা ধর্ষিতা হয়ে পড়ে থাকে অজ্ঞাত নামে? তোমার ছেলের লাশ আজ ব্যাগে বন্দি থাকে শতটুকরো হওয়ার পরে! তোমার কাছে আমার প্রশ্ন রইলো স্বাধীনতার নামে তুমি কি দিয়েছো আমারে?

Tuesday, March 26, 2019

সন্তানের খেলনা

🚻🚼উত্তরসূরি🚻🚼

♻সন্তানের খেলনা নির্বাচনে সতর্ক হউন♻

এইতো সেদিনের দেখা একটি বিষয়। আজ হঠাৎই একটা ছবি দেখে পুনরায় ভাবিয়ে তুলেছে মানবের বিবেকবোধকে। তবে যাইহোক ছবির গল্পটা শোনাযাক এবার, এক বাবা তার সন্তানের জন্য খেলনা পিস্তল নিয়ে এসেছে। বাবার কাছে থেকে এমন উপহার পেয়ে সন্তান মহাখুশি। ছুটির দিনে বাবা ছেলের আড্ডা চলছে বেস চুটিয়ে। খেলতে খেলতে এক পর্যায়ে হঠাৎ করে বাবার মাথায় পিস্তল তাক করেছে ছেলে। এটা দেখে বাবা আনন্দিত হয়ে ছবিও তুলে নিলেন। পরে আবার সেই ছবি ফেসবুকের প্রোফাইলে পিকচার বানালেন। এভাবে সেই ছেলে বড় হতে থাকে। তার মনে আজও আছে সেইদিনগুলোতে বাবাকে খেলনা পিস্তল দিয়ে গুলি করতো অনায়াসে। কখনো কখনো বাবাও আভিনয় করতো গুলি খেয়ে মরে যাওয়ার।
বাবার দেয়া এ শিক্ষা ভবিষ্যতে হবে সর্বনাশা কে জানতো। ছোট থেকেই ছেলের পিস্তল নিয়ে খেলতে ভালোলাগার বিষয়টা কবে যে মানুষ মারার নেশা হয়ে গেছে তা টেরও পাইনি পিতামাতা।
হঠাৎই কোন কারণে ছেলে তার বাবার মাথায় পিস্তল ঠেকালো। বাবা মনেকরেছে ছেলে আমার ছোটবেলার মত আজও হয়তো দুষ্টামি করছে। এর কিছু মূহুর্ত পরেই বাবা টের পেলেন ছেলে আজ খেলনা পিস্তল নয় নিয়ে এসেছে দামি রিভালবার। পরে যা হওযার তাই হলো। যেমন খেলনা তেমন তার ফল।

তাই বলি আজ, ভেবেচিন্তে সন্তানের জন্য খেলার সামগ্রী ক্রয় করুণ। আপনার সন্তানের জন্য যে কোন কিছু ক্রয় করার আগে একবার ভেবে দেখবেন, ঐ বিষয় বা বস্তু থেকে আপনার সন্তান কি ধরনের জ্ঞান লাভ করছে। আর ঐ বিষয় বা বস্তুর পরবর্তী প্রভাব ইতিবাচক না নেতিবাচক তা  মূল্যায়ন করুণ। কারণ আপনি আজ যা শেখাবেন আগামীকাল তাই ফেরত পাবেন। ভেবে দেখবেন বিষয়টি? সুস্থ, সুন্দর মন আর মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠুক আমাদের আগামী প্রজন্ম।

Monday, March 25, 2019

এলোকেশী

অবাধ্য রেশমি কালাে কেশ শুনেনা বারণ। আমায় দেখতে দিবে না বলে ঢাকিয়া দেয় ঐ চন্দ্র বদন। শত চেষ্টার পরেও থামাতে পারেনি তোমার ঠোঁটের হাসি অকারণ।

তোমায় বলে রাখি, অবাধ্য কেশ গুচ্ছকে এর পরে দিও শাসি। এমনিতেই দেখিতে চাহিয়া দেখা নাহি পাই। একটু দেখা দিলেও বা যদি, এলো কেশ এসে রাখিতে চাহে আড়াল করি।

ব্যক্তিত্ব বনাম অর্থ

অর্থের পরিমানের মাপকাঠিতে ব্যক্তিত্ব নির্ধারণকারী সমাজে প্রকৃত ব্যক্তিত্ববানদের কোন অবস্থান নেই।

ললনাপ্রিয়

গোলাপ পাপড়ি ঠোঁটে মহাসিন্ধুর ন্যায় হাসি ফুটে উঠেছে। শুধু নয় ঠোঁটে চক্ষুগোলকেও বাধ ভাঙ্গা হাসির ঢেউ উঠেছে।  তীরে আছড়ে পড়ে না যেন ঐ হাসি। তাহলে হয়তো আনেকই হবে বানভাসি।

তীর ধনুক ও আঘাত প্রাপ্ত শিকার

তীর ধনুক একটি অন্যটি ছাড়া অচল প্রায়। আর ধনুকে তীর তাক করে তা ছুড়ে দেবার পর ধনুক ফেলে তীরের পিছনে ছুটেছেন দিকভ্রান্ত হয়ে।
কিন্তু ধনুক লক্ষ্যবিন্দুতে আঘাত হেনে বের হয়ে দূর দিগন্তবৃত্তের মাঝে পতিত হয়। মাঝখানে আঘাত প্রাপ্ত লক্ষ্যবস্তু নিয়ে গন্তব্যস্থানে ফিরে আসা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না আপনার। ফলশ্রুতিতে আপনি তীর ধনুক হারিয়ে আঘাত প্রাপ্ত শিকারটাকে আটকে রেখেছেন মাত্র।

Friday, March 22, 2019

ক্রন্দনরত প্রেয়সী

💘💘💘কাঁদতে দেখেছি নিরবে নিভৃতে। অশ্রুশিক্ত নয়নের কাঁন্না চুয়ে পড়েছে বদন জুড়ে। সে চাপা কাঁন্না বাকরুদ্ধ করেছে তোমারে। কাঁন্না লুকাতে চেয়ে পারোনি তা লুকাতে। তোমার ক্রন্দনধ্বনি আঘাত করেছে হৃদয়ে। তবুও তুমি অবাক হয়েছো তার মুখের হাসি দেখে। কিন্তু তুমি বুঝতে পারোনি হাসির আড়ালে লুকানো ক্ষতবিক্ষত হৃদয়টারে। তুমি অবাক হতেও পারো এ আবার কেমন কাঠখোট্টা লোক বাপরে।

এমন ভাবনা তুমি ভাবোনি স্বপ্নে কেমন করে এমন অবস্থায় সে থাকে নিরবে। তুমি শুধু দেখোছো পাথর মূর্তি  মুখটারে, তোমার অনুভবে আসেনি হৃদয়ে লুকানো কুসুম কোমল মনটারে। তুমি জানতেও পারবেনা কেমনে সে রয়েছে বেঁচে। সেটা না হয় থাকুক গোপনে। তবে তোমায় বলি এমন করে বুক ভেজাবে না কাঁন্নার জলে। চেষ্টা রাখিবে শত আঘাতেও হাসি মুখে রইতে। তুমিও জানো ঠোঁটের কোনে একচিলতে হাসি লুকাতে পারে শত ব্যাথা  কষ্টরে।💘💘💘

Thursday, March 21, 2019

মিথ্যার দেশে

🌌স্বপ্নে বেড়ায় ঘুরে 🎢

সেদিন গেলাম মিথ্যার দেশে, ওখানে দেখি সত্যকে ওরা বোকামি বলে জানে। মিথ্যুকরা বুদ্ধিমান বলে এখন খ্যাতিসম্পন্নদের দলে। সেখানেও নাকি ফাইল নড়ে না সব সত্য হলে। আরও দেখি মিথ্যাচারী পার পেয়ে গেল তদন্তকারীর কাছে। সবকিছু নাকি বন্দি এখন সাক্ষ্য আর প্রমানের বেড়াজালে। ওখানেও আছে দেখলাম অনেকেই বিষধর সাপের ন্যায় নারীদের পা চাটা হাদিদের মতন।
সত্য বললে নাকি বদলি হয় যখন তখন। আবার সত্য নাকি কর্মচ্যুত হওয়ার মূল কারন। মিথ্যায় নাকি রাখে ওদের কর্মচঞ্চল জীবন।
ওরাও দেখি প্রয়োজনের তাদিগে প্রিয়জনদের পাগল বানায়, বলে ওম্মাদ বদ্ধ পাগল। সবশেষে যা দেখি সত্যপথে থাকা মানে খুব বড় দোষী। দেখলাম এক মিথ্যাচারিণী নিজের জন্য অন্ধকূপে ঠেলে দিল প্রতিমারুপ সন্তানের ভবিষ্যৎকাল।
প্রস্থানের ঠিক শেষ মুহূর্তেও শুনি মিথ্যার বিহ্বল।

ঋণ কর্মী

           ঋণ কর্মীর সাথে আপনার আচরণ

যদি ঋণ পরিশোধের যোগ্যতা না থাকে তবে ঋণ গ্রহন করতে যাবেন না। কারণ ঋণ দাতার পক্ষ থেকে যখন ঋণের কিস্তি নিতে আসে তাকে আপমানের স্বরে কথা বলার কোন যোগ্যতায় আপনার নেই। আপনার বাবার টাকায় পড়াশুনা করে বা আপনার নিকট হতে দু-টাকা খেয়ে বসে নেই যে,আপনার যা ইচ্ছা তাই বলবেন।

 ঋণ কর্মীরা ভিন দেশী কোন এলিয়েন নয় ওরা আপনার আমার মত এদেশেই বাস করে। ওরাও কারো ভাই,কারো বোন বা কারো সন্তান। ওদের সহায়তায় আপনি আপনার জীবন জীবিকা পরিচালনা করেন। আবার ওদের সাথে অপ্রয়োজনীয় দুর্ব্যবহার করেন, এই অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে প্রশ্ন রইলো?

ঋণ গ্রহন করে যথা সময়ে পরিশোধ করা আপনার দায়িত্ব। আর এর মাধ্যমে সমাজে আপনার ইতিবাচক ইমেজ বাড়তে থাকে। ঋণের টাকা পরিশোধে আপনার গড়িমসি আর ঋণ কর্মীর জোটে বসের চোয়ালের বাড়ি। আপনার অকৃতজ্ঞ অচরণ হুমকিতে ফেলে দেয় ঋণ কর্মীর জীবন-যাপন।
আপনি আপনার জায়গায় অবোধের মত করে চলেছেন নোংরা অচরণ। অন্যদিকে আপনার বোন ভগ্নী আত্মীয় স্বজন দেশের অন্যপ্রান্তে অপমানিত হচ্ছে সারাক্ষণ। আপনি ভেবে হয়তো খুশি হন আমার অমুক তমুক ঐ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে কামাই রোজগারও বেশ ভালো,থাকে অমুক জেলায় বেশ আরামে। কিন্তু প্রকৃত আবস্থা যে কি আপনি বুঝতে পারবেন আপনার এলাকার কর্মীর প্রতিদিনের জীবনে। সাথে এইটুকুও ভাববেন আপনার আচরণ কেমনে ক্ষতবিক্ষত করে আপনার এলাকার ঋণ কর্মীকে।

জীবনের তাগিদে আপনার বোন, ভগ্নী আত্মীয়পরিজন মুখে হাসি নিয়ে বাড়ি আসেন ঠিকই। কিন্তু আপনি আপনাকে জিজ্ঞাসা করুন ঐ হাসির আড়ালে লুকানো কি যে কষ্ট। আপনার এলাকার ঋণ কর্মীর সাথে আপনার কৃত জঘন্য আচরণ আপনাকে না কাঁদালেও কাঁদে আপনার আত্মীয়স্বজন। কিভাবে তা একটু ভেবে দেখুন?

আপনি ঋণ পরিশোধে সচেতেন হলে বুক ফুলিয়ে চলবে আপনার আত্মীয়পরিজন। আত্মীয়জ্ঞান থেকেও আপনি ঋণ পরিশোধে হতে পারেন সচেতন।

পরিশেষে বলি, প্রবিত্র কোরআন হাদীসের বাণী, " অপরিশোধ কৃত ঋণের জন্য মৃত ব্যক্তির আত্মা পৃথীবিরও আসমানের মাঝে ঝুলে থাকে তা সবাই জানি"। যথা সময়ে নিজে ঋণ পরিশোধ করি ও অন্যদের ঋণ পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করি। সুখী সমৃদ্ধ জীবন-যাপন ও সুন্দর পরিবার তথা দেশ হোক সমৃদ্ধশালী সকলেরই তা কাম্য।

Wednesday, March 20, 2019

ইছামতীর পাড়ে

মনে পড়ে পূর্ণ জোস্নায় ভিজে গল্প বলা সেই রাত্রিবেলা। জোস্নার স্নিগ্ধকর আলোয় আমায় নিয়ে ডুবেছিলে তুমি, হয়েছিলে স্বপ্নে বিভোর। শত কথার মাঝে দু-লাইন গান আমায় করতো পাগল। গান আর গল্পে দিশেহারা হয়ে কত রাত হতো বিভোর। গ্রীষ্মের উত্তাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতাম তখন তিন তলার ছাদে। নদী বিধৌত মৃদু শীতল হাওয়া সাথে জোস্নার আলো ওদিকে আবার কন্ঠে তোমার মায়াবী শুর উঠতো। সবমিলিয়ে সারাদিনের ক্লান্তিকর অনুভূতিগুলো বিদায় নিতো।

একসাথে জোস্না দেখার সেই দিনগুলো আজ শুধূই স্মৃতি। ভরা জোস্নায় আকাশ আজও উদ্দীপ্ত। শুধু তুমি আর আমি একই রেখাই নেইতো। জোস্নার আলো দেখলেই আজও ফিরে যাই ইছামতীর সেই তীরে। যেখানে অলস বসে জোস্নায় ভিজে সময় কাটতো। তোমার হাসিতে বের হওয়া দাঁতগুলো জোস্নার আলোর মতই ঝলকানি ছড়াতো। তবে যাই বলো ইতিহাসের পাতায় দিনগুলো লিখবে না কেউতো।
শুধু আমারি এ ব্যর্থমনোরথে আজও ভেসে উঠে এইতো। জোস্নার আলো যখনি দেখি আমি ঘুরে আসি আজও( কল্পনায়), ইছামতীর  জল তরঙ্গে জোস্না বিধৌত আলোয় বয়ে চলা কচুরিপানার মত।

কোমলতার মাঝে লুকানো কষ্ট

ফুলের কোমলতা তোমায় আঘাত করতে পারে না বলে তুমি তার ওপর খুব সহজেই পা মাড়িয়ে চলতে পারো। আর এজন্যই হয়তোবা কিছু ফুলে কাঁটা থাকে, তোমায় বোঝাতে, পৃষ্ট হয়ে রক্তাক্ত হওয়ার কি যে কষ্ট। শুধু ফুল ভেবে, কাঁটাযুক্ত ফুলে একবার স্পর্শ করেই দেখো কিভাবে তোমায় নিরবে করে রক্তাক্ত!

Tuesday, March 19, 2019

কংক্রিটের মত শক্তমন

গৃহসজ্জার মত অঙ্গসজ্জাতেও হয়েছে বেশ শৈল্পিক উন্নতি সাধন। মানুষ যেন হয়ে উঠেছে ফুলেল শোভিত কংক্রিটের দেওয়ালের মতন।

চেনা পথে দৈন্য

বহুদিন পর প্রেমময়ী সেই পথে হঠাৎ বিচরণ।
 হাঁটছি ঠিকই তবে উদ্দেশ্য ছিল ভিন্নরকম । ব্যবধান শুধু সময়ে, স্মৃতিগুলো আজ বিস্মৃতির আড়ালে ধূলার আস্তরণের মত প্রলেপে ঢাকা পড়েছে। তবুও মনুষ্য মন বলে কথা, হৃদয়কোণে নানারকম স্মৃতিগুলো দিয়ে যাচ্ছে দ্বোলা। দু- একবার পাশফিরে দেখিনি তা বলবো না কারন মন শোনেনি বারন।

তবে দৃষ্টির ভাষায় বেশ পরিবর্তন, কারণ কাঙ্খিত বিষয়ের বহুদূরে বসত। দীর্ঘ পথচলায় সাথে ছিলে তাই বুঝি মনের মধ্যে করে যেন কেমন কেমন। সময় চলেছে সময়ের নিয়মে,কিন্তু স্মৃতিগুলো থেকে যায় অন্তরালে।
একইপথ একই মানুষ শুধু সময়ের ব্যবধানে অবস্থান ভিন্ন।
আফসোস নেই কোন কারণ সেই পথে তুমি নেই আমারি জন্য। জগতটা এমনি একজনে থেকে যায় চির দৈন্য।

অযান্ত্রিক প্রকৃতির কোলাহলে

অনিন্দ্যসুন্দর প্রকৃতির মাঝে,মাতাল হয়ে ছিলেম তোমাদের সাথে সে অনন্দঘন  মুহূর্তকালে। সবভুলে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাওয়ার কি যে অনন্যতা বোঝায় বলো কেমন করে।

জানো আজ বন্ধু জনেও দুরুত্ব বেড়েছে ঠিক যেন ফেলে আসা ধূসর স্মৃতিলোপে। তবে কিছু স্মৃতি মনের ফ্রেমে না থাকলেও রাখা আছে এ্যালবামে।

শতেক ব্যস্ত জীবনে স্মৃতিরোমন্থন করে এ্যালবামের পাতা উল্টোভাবে উল্টাতে গিয়ে চোখ আটকালো এইখানে।

একা নয় আমি তবুও একাকীত্ব মাঝে মাঝে ভর করে। তখন মনের অজান্তেই হারিয়ে যায় অযান্ত্রিক প্রকৃতির কোলাহলে।

অভিনন্দন জানাই

নিজের মনের ইতিবাচক চিন্তাধারা ও বিষয়াবলীর বর্হিপ্রকাশ যখন, অন্য কোন ব্যক্তি, বিষয় ও বস্তুর মধ্যে প্রতিফলিত হয়।
তখন সেই ব্যক্তি,বিষয় ও বস্তুর প্রতি অভিনন্দন জ্ঞাপন না করলে নিজেকে অকৃতজ্ঞ মনে হতে পারে ভেতর থেকে। কারণ পারিপার্শ্বিকতার জন্য অনেক কিছুই আমরা চাইলেও বলতে,লিখতে বা কার্যে রুপান্তর করতে পারিনা।
বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা যখন আমাদের ঘিরে ধরে তখন কেউ যদি সেই অদৃশ্যমান নেতিবাচক শৃঙ্খলকে উপেক্ষা করে কিছু বলে,লিখে বা বাস্তবে রুপ দেয় তখন তাকে অন্তর থেকে অভিনন্দন  জানানো অবশ্যকর্তব্য হয়ে উঠে।

Sunday, March 17, 2019

স্বর্ণ -২


তুমি জানোনা মা একটা প্রতিচ্ছবি রক্ত ঝরায় অন্তরে প্রতি মুহূর্তে। তুমি জানতেও পারবে না হয়তো, বুকের বামপাশে তীব্রভাবে ব্যাথা যুক্ত নির্ঘুম রাতের কি যে কষ্ট! দূরে আছো বলে ভেবোনা স্পর্শ থেকে তুমি বঞ্চিত।
যদি বলো কেমনে তুমি আমায় আদর করো? ওরে স্বর্ণ মা, আমার দিবারাত্রির নিদ্রালু তন্দ্রাচ্ছন্ন ক্ষণে না ডাকিতে আসো তুমি আমারে বুকে জড়াতে। বিশেষ ঐ মুহূর্তকাল সারাদিনমান রাখে আমায় চলমান। শুনেছি সেই কবে পেছন থেকে আমায় ডেকেছিলে আব্বু বলে। কানে আজও তা সুমধুর শুরে বেজে উঠে।

তবে যাহোক, সময় তোমাকে ফেরত দিবে আপন ঠিকানাতে। আরও বলি প্রশ্ন করোনা আমায় কেমনে থাকি এমন করে? সময়ই তোমাকে হাজারো প্রশ্নমালার উত্তল বলে দিবে।
                   
                      ❤❤❤ প্রত্যাশা ❤❤❤

Wednesday, March 13, 2019

চাকরির বিজ্ঞাপন ও বেকারের কান্ড

শিক্ষিত বেকারের উষ্ঠাগত প্রাণ আর শূণ্য পকেট নিয়ে খেলছে যত  চাকরি দাতা মহাজন। আবেদন ফি এর নামে চলছে অবৈধ বাণিজ্য। বৃহৎ সংখ্যার পদখালী বেকারের মন নেয় কাড়ি। না বুঝিয়া বেকার হুমড়ি খেয়ে দিচ্ছে আবেদন হওয়ার জন্য স্ব-কার।
প্রতিদন কত চাকরির বিজ্ঞাপন আসে খবরের কাগজে। সাথে থাকে শর্ত না করিলে পূরন ডাকিবে না মহাজন। আবার সাথে থাকে অর্থের বিবরণ। লোভনীয় বিজ্ঞাপন আকৃষ্ট করে বেকারের মন। তবুও চাকরি দাতা খেলছে খেলা দেখায়ে প্রলোভন। দু'শো (২০০) জনে বলে লাগবে দু'হাজার জন। তবে এটাকে বলতে পারি বেকার নিয়ে বাণিজ্য। কর্মহীন শ্রেণীকে নিয়ে নতুন কৌশলে ধনতান্ত্রিক যুগে ধনীদের ব্যবসা সফল বাণিজ্য। এ ব্যবসায়ে ব্যবসায়ীর পুরাই লাভ ক্ষতি নেই সঙ্কা। আর কত, আর কতদিন চলবে বোকা বানানোর এ বাণিজ্য।

বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে যাই আর কিসে ভরবে অর্থলোভীদের মানুষ খেকো পেট। ওরা কি কোনদিনও বুঝবে না কিভাবে পার হয় দীর্ঘশ্বাসে ভরা বেকারত্বের দিনগুলি।

সাদাতেই সব

সাদাতে হয় জন্ম ,আবার সাদায় ধুয়ে হয় শুদ্ধ । অবশেষরূপেও  সাদায় মুড়িয়ে রাখে সাড়ে তিন হাত গর্তে। সাদায় শুরু সাদাতেই শেষ, কি হবে এত রঙিন বেশ?
শুরু থেকে শেষ সাদাতেই হয় শেষ। রঙে রঙিলা মন উড়ায়েছো রঙিন ভুবন। ভুলেও ভাবনি তুমি নিমিষে হবে শেষ তোমার রঙিন জীবন। তবে এত রঙের কি প্রয়োজন। সাদামন সাদাসিধে জীবন ওপারে পাবে রঙিন ভুবন।
তাইবলি সদা সর্বদা সাদাকে করো লালন।

Monday, March 11, 2019

অসহায়ত্ব

"মানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে " একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?

 দেখার কেউ নেই, তবুও একটু প্রচেষ্টা মাত্র। আজ এক অসহায় সম্বলহীন বিধবা বৃদ্ধার কথা বলছি। তবে চলুন জেনে নিই এই বয়োবৃদ্ধার জীবনের কিছু কথা( তার মত করে বলার চেষ্টা করলাম)।
নাম জিগ্যেস করলে বলেন তার নাম সাজেদা। নামের সামনে পিছনে কি আছে তিনি বলতে পারলেন না, তিনি বললেন সবাই সাজেদা নামেই চিনে। আনুমানিকভাবে তার বর্তমান বয়স কম বেশি  সত্তর (৭০) বছর প্রায়। তিনি রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার ডাকরা ইউনিয়নবোর্ডের অধীনে শিমুলিয়া গ্রামে বসবাস করেন। তার ভাষ্যমতে প্রায় তিরিশ (৩০) বছর আগে তিনি বিধবা হন।


বসতবাড়িটাও অন্যের জমির উপর নির্মিত। সংসারে তার তিনটি মেয়ে আছে। মেয়ে তিনজন শারীরিকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত। বিধবা ও তার মেয়েদের জীবিকা নির্বাহ হয় বিধবা বৃদ্ধার ভিক্ষাবৃতি দ্বারা। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে, আপনি সরকারী কোন সাহায্য সহযোগীতার জন্য কাউকে বলেননি বা কোন ধরনের সরকারী সহযোগীতা পান কি না? উত্তরে তিনি বলেন অনেকেই নাকি তার বিষয়ে জরিপ করে আসেন তার পর আর কিছুই হয় না। তিনি আরও বলেন রিলিফ কার্ড, বয়স্ক ভাতার জন্য বিভিন্নজনের দারস্থ হয়েছেন। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না দিতে পারাই তিনি ঐ সুযোগ সুবিধাদি থেকে বঞ্চিত আজ অবধি। জনবা সাজেদা কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন আর বলতে থাকলেন এভাবে আর কতদিন? শরীরটাও বেশ ভালো যাচ্ছে না। তিনি অসুস্থ হলে কি করবেন? কেমনে তার শেষ জীবন অতিবাহিত হবে?  এমন অনেক প্রশ্ন করতে থাকেন নিজেই নিজেকে।

আমার জায়গা থেকে তাকে সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার ছিলনা। আর যেটুকুন করার সাধ্য ছিল সেটুকুন চেষ্টা করলাম মাত্র। আর প্রশ্ন রয়ে গেল হাজারো বিবেকের কাছে, আমরা এমন কেন?

Friday, March 8, 2019

সৃষ্টিসুখ

পাতা ঝরার ঠিক পরেই রুক্ষমূর্তি গাছগুলো প্রত্র শোভিত হয়।

উপলব্ধি থেকে একই বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির তারতম্য হতেই পারে। তবে যৌক্তিকতা থাকলে তা মোটেও অযৌক্তিক নয়।
রান্নাকরা খাবার থালায় সাজানোর শৈল্পিক সৌন্দর্যময়তার সৃষ্টিসুখ আছে। আর চেয়েও চরম সৃষ্টিসুখ পেতে পারেন, অগোছালো এক প্লেট অনাহারক্লিষ্টকে আহার করালে।

Thursday, March 7, 2019

কি যেন নেই

দৃশ্যত সবই বিদ্যমান, তবুও কিছু একটা তোরে করেছে ম্রিয়মাণ। চিরচেনা হাসিতে চিড়ধরেছে, ঠোঁটেরকোণে কিছুপরিমাণ দুঃখময় বার্তা ভেসে  উঠেছে। উদারমনা দৃষ্টিমেলে দূরদেশী কারো অপেক্ষমাণ।

শুধূই এটা নয় অবাধ্য মনের চিন্তন। আড়ালে লুকিয়ে থাকা গভীরঅরণ্যে রোদন। তবে যাই বলিস সবকিছু ঠিকঠাক হলেও, ভেতরবাড়িতে হয়েছে কিছু পরিবর্তন।

সবই নশ্বর

মেঘ, বৃষ্টি, রোদ  কখনোসখনো একই সঙ্গে দেখেছো হয়তো। আবার ঝড়ো হাওয়ার পরেই শান্ত নির্মল বাতাস অনুভব করেছো। কিন্তু আজ অবধি কোনকিছুই একইরুপে চিরস্থায়িত্বলাভ করছে দেখনি  নিশ্চয়।

প্রকৃতি ও আমরা

প্রকৃতির পরিবর্তিত রুপের সাথে মনুষ্য আচরণ পরিবর্তিত হচ্ছে, নাকি মনুষ্যত্বের পরিবর্জন প্রকৃতিকে বিকৃতরূপে আবির্ভূত করছে।

ক্ষুদ্র প্রাণেও বিপর্যয় গুরুত্ববহ

রুটির জন্য যুদ্ধরত জীবনপথে, পরমাণু যুদ্ধের বার্তা অতটা গুরুত্বহীন নাও হতে পারে।

Wednesday, March 6, 2019

কাঁচের যুগ বনাম প্লাস্টিকের যুগ

কাঁচের যুগ বনাম প্লাস্টিকের যুগঃ-
কাঁচের যুগে হৃদয় একবার ভাঙ্গলেপরে হতো শেষ।আগুনে না পুড়তো,পানিতে না ভাসতো,ফেবিকলে জুড়ানো না যাইতো।

প্লাস্টিকের যুগে হৃদয় খান খান হয়,অনলে পুড়ে যায়,দুমড়ে মুচড়ে যায় অবিরত। পানিতেও ভাসে যত্রতত্র। ভাঙ্গলে আবার ফেবিকল দিয়ে জুড়িয়ে নেয় মনের মত।

বন্ধুর পথের সারথি

সাহস করে একবার পথ চলতে শুরু করেই দেখুন, ঠিকই কেউ না কেউ পথ চলায় সঙ্গী হবেই। আর পথে হঠাৎই সমমনা কিছু মানুষ পেলে আবিরাম চলা যায় দিগন্ত পানে।

নতুন গন্তব্যে

জগতি স্টেশনের মত জীবনের হাজারো গন্তব্যপথে পরিচিত পরিচারণকারী থামার প্রয়োজনই মনেকরে না!কারন একটাই পরের গন্তব্যে নাকি এখন সবই হয়/সবই পাওয়া যায়।

কৃষ্ণ কলি

দিগন্তবিস্তৃত খোলা ধানের মাঠ। মাঝখানে এঁকে বেঁকে চলেছে খেয়ালী মেঠো পথ। দুপাশে দারুণ বেড়ে উঠেছে ইউক্যালিপটাস গাছ। মনেপড়ে তোমার, মৃদুমধুর হালকা হাওয়ায় পথচলা হাতে রেখে হাত। হয়ত ভুলেই গেছো তুমি? আমি কিন্তু যাইনি ভুলে,কারন সেটাছিল আমার রোজকেরে পথ।

স্বর্ণ

স্বর্ণ মাটি,পাথর বা ধাতুর তৈরি প্রাণহীন কাঠামো নয় যে,তা স্বর্ণালংকিত করলেই তার জীবন পরিপূর্ণতা লাভ করবে।

মানুষের জন্মগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাকে পুতুলের ন্যায় সোনা দিয়ে মুড়ালেই কি সব হয়ে যায়? না হয় না,আর এটা কখনওই সম্ভব নয়। অবুঝ যেদিন বুঝবে সেদিন ভাঙ্গবে তোদের ঘুম। রক্ত মাংসের দেহটা যেদিন বুঝবে যে, সে কোন কাঠামো নয়। সেদিন ঠিকই স্বর্ণের শিকল ছিন্ন করে খুজে নিবে আপন ভুবন।

মেহদী বাটার রঙ এখন উপরেও লাল

সুমধুর কন্ঠে মেহদী বাটার কবিতা আর শুনতে হয় না নিশ্চয়। কারণ মেহদী বাটার উপরের রঙ পাল্টে এখন শুধু লাল নয় রক্তেরচাপও বাড়িয়ে দিয়েছে নিশ্চিত। আবেগপরায়ণতা অন্যের সম্পর্কবিনিময়ের পথে বেশিরভাগ সময়েই পথেরকাঁটা হয়। এটা বুঝা যায় যখন আপনার মোবাইলে তা  আর কলার টিউন হিসেবে বাজে না।

দক্ষতার অবমূল্যায়ন

কোন ব্যক্তি,গোষ্ঠী বা দলমত দ্বারা আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতার অধিক মূল্যায়ন হলে আপনি বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য।
 আমাদের সমাজে অনেক অদক্ষ মানুষ বিভিন্ন ভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন কর্মের সুযোগ পেয়ে যান। যা তার যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী বড়ই বেমানান।
আর ঠিক এজন্যই এই ব্যক্তিগুলো বিবেক বর্জিত হয়ে ন্যায় অন্যায় না বুঝে প্রতিনিয়ত আপোষ করে অনেক কিছুর সাথে।

বিশ্বাসঘাতক

বিশ্বাসঘাতকদের দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়ার ঘটনা বিরল।সেখানে বিশ্বাসঘাতকদের তৃতীয়বার সুযোগদিবে এমন মহৎকর্মের বুদ্ধিমান কর্তা কেউ হবে না

প্রতীক

একটা প্রতীক চিহ্ন একই সীমারেখার বন্ধুত্বের মাঝে পাশাপাশি চলতে সবিস্তর ব্যবধান করে বসেছে মগজে।

বন্ধুত্বেও ও প্রিয় মানুষগুলোর সাথে সম্পর্কের চিড় ধরছে ভিন্নরূপ প্রতীকে সমর্থন করার জন্য। চিরচেনা মানুষগুলো দূরদেশী হয়ে দুরুত্ব বজায় রেখে চলে একই সীমানায়। দেখে তাজ্জব হয়ে যায় প্রতীক চিহ্নে সমমনা না হওযায় সম্পর্কগুলোর অবনমন।
মানবীয় মননদৈন্য থাকতেই পারে,আর থাকাটা স্বাভাবিক। কারন সৃষ্টিকৌশলটাই একজনকে অন্যজন থেকে করেছে পৃথক। তেমনি মতাদর্শেও ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক।
তাইবলে কি সম্পর্কগুলো নষ্টনীড়ে পরিনত হবে এ কেমন কথা।

ভালোর সঙ্গী হই

ভালো কিছুর সঙ্গে থাকুন। ভালো না হলেও খারাপ হবে না।

আপাতদর্শনে কথাটি খুব সাধারণই মনে হবার কথা। আসলে তা কিন্তু নয়। কথাটির ব্যাপ্তি ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। মানুষের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ভালো শব্দটির সাথে সখ্যতার একান্ত প্রয়োজন। 



রক্ত কবরী রঙ

রক্ত কবরী রঙে রাঙিয়েছিলে তোমায় নিজের মতন করে।  ভাবোদ্দীপক রঙ শুধু মুখে নয় হৃদয়েও ছিল সেসময়। ভাবিনী সে উচ্ছ্বসা ছুয়ে যাবে আমার হৃদয়। জড়াইয়াছিলে দেহখানি লাল টুকটুক রঙের দ্বোলায়। তাই আজও বলতে ইচ্ছে হয় শাড়ীতে নারী মানাই শার্ট প্যান্টে নয়।

মনে আজ মেঘ করেছে বেশ, তাই তোমায় দেখে লিখতে পারিনি খুব বিশেষ।

হলুদের রঙ পেতে সবুজের বিলীন

কাঁচা হলুদের মিষ্টি রঙে মন ডুবিয়েছি সেই কবে! জানা ছিল না তা কিন্তু নয়,হলুদ খুড়ে বের করার আগে সবুজ ডাটিগুলো কাটা হয়। জগৎসংসার বড়ই নির্মম হলুদের রঙ পেতে কাটে সবুজ পাতাদ্বয়। সবুজের আর কি দোষ বলো তোমায় হলুদে রাঙাতে মাটিতেই মিশে যায়।

Sunday, March 3, 2019

অপেক্ষা ও আমি


আম গাছে এসেছে বেজায় মুকুল। গাছের আতা তোমায় না খাওয়াতে পেরে ব্যাকুল! ওদিকে আবার সবেদা পাকার লেগেছে ধুম। নতুন অতিথি হয়ে এসেছে লিচু গাছে মুকুল। জ্বর সারাতে জাম্বুরা ফল তোমার অপেক্ষারত! কুল,বরই সবইতো পেকে হয়েছে সাবাড়। ভেবো না তুমি রাখা আছে আচার। কি বলবো আর কামরাঙ্গার কথা, তোমার মামি খেয়ে বলতো যা তা!