Thursday, August 19, 2021

বেঁচে থাকি তবুও!!!

 আচমকা ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া বৃক্ষের মড়মড় শব্দে চমকিত হয় আপনার মন! কিন্তু মানব মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ আপনাকে প্রকম্পিত করে না কারণ তার শব্দাংঙ্ক আপনার শ্রবণ যোগ্য নয়! তথাপি যাদের মেরুদণ্ড খণ্ডবিখণ্ড হয় তারা এইপাশ থেকে ঐপাশ হতে লাগলেই সেই মড়মড় শব্দে প্রকম্পিত হয় অহর্নিশ!

আবার ভাঙ্গা শিরদাঁড়া নিয়ে মাথা উঁচু করে হেটে চলা কতটা কঠিন যারা হেঁটে চলে তারা খুব ভালোই জানে! আর আপনি চাইলেই তা অবলোকন করতে পারেন। এটা দেখার জন্য ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া গাছটির বেড়ে উঠা প্রত্যক্ষ করলে কিছুটা বুঝতে সক্ষম হবেন হয়তোবা!

Saturday, August 14, 2021

মিথ্যা

মিথ্যা
শুরু থেকে শেষ মিথ্যায় হয়েছে নিঃশেষ।
মিথ্যা বুলিতে পরিচয় পেয়েছে হয়েছে আত্মীয় স্বজন।
পরে জানা যায় ওদের কেউ চিনেনা পরিবারের পরিচিত জন!
মিথ্যার মুখোশ পরে কেটেছে সারাবেলা।
ব্যাগ গুটিয়ে যখন হয়নি যাওয়া বলেছে তখন রেখো এসো এখন যাবো না এবেলা।
বলতে শুনেছি আনতে গিয়েছে টাকা
সকাল,দুপুর কিংবা রাত্রি বেলা।
ফিরে এসেছে যখন যাবে আর সে কথা বলা!
সকালে আব্বু এসে দিয়েছে টাকা
দুপুরে আসবে ভাই ভাবি হবেনা সময় এবেলা। বিকেলে যাবো খালার বাড়ি ফিরতে হবে সন্ধ্যা। যদি পারি হবে দেখা রাত্রি  বেলা! দেখা হবে কি, শুনি য হাতে ব্যান্ডেজ বাধা কি যেন হয়েছিল সন্ধ্যা বেলা! দুটো ফোনে চারটি সিম ওয়েটিং থাকতো রাত্রি দিন! শুনেছি দিয়েছে ফোন মামা,খালু,আপা আর দুলাভাই পরে শুনি বাস্তবে ওরা কেউ নাই।

কল্পনারস

তারকায়িত আকাশে চাঁদ নেই আজ তবুও কিন্তু আলোক উজ্জ্বল বেশ। চাঁদের আলো না থাকলেও মেঘমুক্ত আকাশের উজ্জ্বল তারারা পথিককে ঠিক তার গন্তব্যে পৌঁছে দিবে। শুধু প্রয়োজন ঘেমমুক্ত আকাশ।

চাঁদ থাকার পরেও আকাশে মেঘ থাকলে তা  আলো নয় অন্ধকারময় করবে পথিকের চলার পথকে। এতে পথিক আকাশে চাঁদ থাকার পরেও কালো অন্ধকার মেঘেরঘটায় দিকভ্রান্ত হয়ে পথ হারাবে।
চাঁদ তারা সবকিছুরই প্রয়োজন আছে জগতে পথিকের সঠিক পথ চলায়। তবে ঘনকৃষ্ণ বর্ণের মেঘ চাঁদ তারাকে আড়াল করে দিগভ্রান্ত করে পথিকের চেনা পথ!
মেঘের ঘনঘটা বুঝতেই পথ পাড়ি দিতে হবে পৌঁছাতে পথিকের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যস্থলে। কারণ চাঁদ তারার যেমন আলো দেয়,তেমনি মেঘমালাও গর্জে উঠে ভিজাতে  উতপ্ত পৃথিবীকে।

সঞ্চয়পত্র


ত্রিশ কিংবা তাঁর অধিক
বিনিদ্র শ্রম রাত্রি দিন!
সঞ্চয়ের দু-টাকায় লেগে
থাকে গরীবের রক্ত ঘাম!
আছে না এমন আছে-তো
কত শত বয়োবৃদ্ধ বয়োবৃদ্ধা
যাদের জীবনের রুটিরুজির
চিরচেনা নিরাপদ বিশ্বস্ত ঠিকানা।

নামটা যে সবার জানা
সঞ্চয়পত্র নাম তার
শত গরীবের শেষ ঠিকানা
কেমনে দিলে হাত একবারও
বিবেকে প্রশ্নবোধক হলোনা!
তোমার বড় ভাড়ের শূন্যতা
আমার ছোট ভাড়ের দু'টাকা
দিয়ে অদৌ পাবেকি পূর্ণতা!
আমার সঞ্চয় তোমার ধার
কেমনে তুমি ধার্য্য করো
অতিরিক্ত অহেতুক বাড়তি কর
জবাবে কি দিবে তার উত্তর?
আজ  ভাড়ে এমন ভবানী
গরীবের দু'টাকায় কর বসালে
আমি মূর্খ সেদিনেই নাজানি!
আনতে গিয়ে জমানো দুটাকা
সেদিন দেখি কেটে নিয়েছে
এমন করে, যেন সব-ই
ওদের মন্ত্রীদের জমানো টাকা!
স্বাধীন দেশে কর দিয়ে
থাকি, ফাঁকিজুঁকি আজও
বুঝে আসেনি একটুও মোটে
তবে আমায় না জানিয়ে
দুটাকার উপর হাত বাড়ালে!?



অজানা অস্থিরতা

এখানে তেমন কিছুই নেই

তোমাতেই পড়ে আছে সব
নিরালায় বসে ভাবছি তাই
দিনেদিনে একি হলো সব!

আসে না শব্দরা আর
হারালো কোথায় কে জানে!
দিনশেষে খুলি ডায়রির পাতা
দেখি সব ভরে আছে শূন্যতায়
ঘষামাজা শুধু চলছে তাই!

লিখতে চেয়েছি দ্রোহের লেখা
আসছে প্রণয়ের রেখা
ভাবছি গাইবো সাম্যের গান
হৃদয়ে উঠছে ভেসে শুধুই
মন হারানোর সুরেলা গান!

ভাঙছে কলম পড়ছে নিব
কলম খাতায় হচ্ছে না মিল।
তাল লয় ভুলে গিয়েছি সব
মনপুরায় সুর ওঠে না
যেন তানপুরার তার হয়েছে ছিন্নভিন্ন
ধূলোবালি পড়ে ঢেকে গেছে।

শব্দের বাজারে সৃষ্টি হয়েছে দারুণ খরা
পড়ছে না ঘটে কিছুই ধরা...
।।

এখানে তেমন কিছুই নেই

তোমাতেই পড়ে আছে সব
নিরালায় বসে ভাবছি তাই
দিনেদনে একি হলো সব!

আসেনা শব্দরা হারালো কোথা
দিনশেষে খুলি ডায়রির পাতা
দেখি সব ভরে আছে শূন্যতায়
ঘষামাজা শুধু চলছে তাই!

লিখতে চাইছি দ্রোহের লেখা
আসছে প্রণয় ভাবের রেখা
ভাবছি গাইবো সাম্যের গান
হৃদয়ে উঠছে ভেসে শুধুই
মন হারানোর সুরেলা গান!

ভাঙছে কলম পড়ছে নিব
কলম খাতায় হচ্ছেনা মিল।
তাল লয় ভুলে খেয়েছি সব
মনপুরায় শুর উঠেনা যেন
তানপুরার তার ছিঁড়েছে কবে
ধূলোবালি পড়ে ঢেকে গেছে।

শব্দের বাজারে ইদাানীং 
দারুণ খরা,
চাইলেও মিলেনা আগুনজ্বলা 
সব শব্দরা...
।।

পাখিদের জীবননগর

 ভুলে যেতে চাওয়া

স্মৃতিপথে ফিরে আসে...

স্মৃতিকথারা...


স্মৃতিলোপে... 

ব্যস্ত হয় পাখিরা...

সর্বস্ব হারিয়ে পথহারা...


তাপসতরু অপেক্ষমাণ

জিরিয়ে নিও ক্ষণেক

কোন দ্বিধা ছাড়া...


দূরন্ত পথিক

💢💢💢💢

Tuesday, August 10, 2021

কবিতা

কবিতা তোমার লিখিত
শব্দে
ভালোবাসায় ভাসি
সমুদ্রের উথালপাতাল তরঙ্গের মতন।

কবিতা তোমার বলা শব্দে কতশত
দুঃখ
মুহূর্তে গেছে দূরে সরে
বাম পাশের ব্যাথাটা হঠাৎ থেমে গেছে।

কবিতা তোমার ভুবনমোহন সুরে
হৃদয় পরিতৃপ্ত হয়েছে শতেকখোয়ারি
শতজনমের ভালোলাগা সহস্র
সুরেলা গানে!

কবিতা তোমার বলা শব্দে কবিওয়ালা
কাঁদতে শিখেছে
শিলাকণা পাথর চোখে অঝোরে  ঝর্ণা ধারা বয়ে গেছে।

কবিতা তোমার হৃদয় ছোঁয়ানো শব্দে
পাতা ঝরা মৃত প্রায় বৃক্ষটি পত্র শোভিত
হয়ে সবুজ ছেয়ে





1year 07 month draft

তোমাকেই বলছি!
তোমাকেই বলছি শুনবে কিনা জানিনা!?
আজ একবছর সাত মাস পূর্ণ হলো মনে নেই তোমাদের। কারণ হারিয়েছি শুধুই আমি! তুমি ও তোমারা ভুলে আছো বা থাকতে পারো তার কারণ আমিইতো তাইনা বলো। তোমার ব্যস্ত জীবন সেতো আমারি হাতে লিখে দিয়েছিলাম সেদিন। আর তাই আজ ব্যস্ততার ভীড়ে ভুলে গেছো সব! তবে অবাক হইনা একদম,বাস্তবতা এমনি হয় যে!
আর এগুলো কথা কারো মনে থাক বা নাই থাক তাতে পৃথিবীর কিচ্ছু যায় আসেনা,আসবেই না কোন কালে!
এইতে সেদিনকার গরীব ছেলেটার কথা বলছি,যে কিনা অন্তহীন পথ দু'পায়ে মাড়িয়ে জীবন লক্ষ্যের শীর্ষে পদার্পণ করেছিলো। স্থিরতা এনে ছিলো জীবন ও সংসারে। সুখের বাগান ভরে উঠেছিলো ফুলে ফুলে। যেখানে অভাব অভিযোগ কিংবা চাওয়া পাওয়ার গড়মিল হওয়ার কোন সুযোগ ছিলো না বটে! কিন্তু কপাল বলে কথা নিয়তি আর তুমি, আমায় সে পথে হাঁটতে দিলো কই!
যাইহোক কথা দীর্ঘায়িত করবে না,ডিজিটাল যুগ তোমার ব্যস্ততাও কম না বৈকি! তাই খুব সংক্ষেপে দুটো কথা বলে রেখে দিব:
প্রথমেই টাকার কথাবলি কারণ ওটা তোমার বা তোমাদের কাছে সর্বোৎকৃষ্ট মর্যাদার কাগজ বা বস্তু বিশেষ। তাই টাকার কথাটাই আগে বললাম,১বছর ৭মাস সর্বোসাকুল্যে সর্বনিম্ন হার ধরে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ তেরো লক্ষ পঞ্চাশ হাজার (১৩,৫০,০০০) মাত্র।  যা গরীব ছেলেটার জন্য একেবারেই কম ছিলো না কিন্তু!
তবে টাকার হিসেব এতটা সুক্ষ্মভাবে হিসেব করিনি আজ যা করলাম। সবসময় জীবনকে প্রাধান্য দিতাম আজও সেটাই করি। আর এই টাকার হিসেবের চাইতে খুব বেশি ভাবতাম আমি বাঁচবো তো! এমন ভাবনা কেন তা তোমার জানা আছে বৈকি আমি না বলি।
দ্বিতীয়ত,যা কিছু হারিয়েছি তার মূল্য কত?  তোমাদের হিসেব নিকেশের হাত ভালো একটু হিসাব কষে দেখে নিও একবার!? ভেতরবাড়ির যা ক্ষতি হয়েছে তার মূল্য কিভাবে হিসেব করবে তুমি বা তোমারা! তবে অর্থের পরিমাপে তোমাদের চলা যদি পারে তার আর্থিক মূল্য ধরে দিও, খুব খুশি হবে গরীব ছেলেটা।
শেষতক, ছেলেটার সারাজীবনের অর্জিত সততা ও সুনামের মুল্যটাও যদি নির্ধারণ করে দিতে তবে চির কৃতজ্ঞ থাকতাম। এভাবে কেন বলছি জানো, তোমাদের কয়েকটা মিথ্যা কথার জন্য এতকিছু যা আজীবন তোমাদের অর্জিত কোটি টাকা দিয়ে পূরণ করতে পারবে না! এটা নিশ্চিত।
সর্বোপরি বেঁচে ছিলাম আমি,আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ উঁনি যতক্ষণ রাখেন! অনেক ইচ্ছে ছিলো আজ খুলে বলবো সবকিছু কিন্তু পারলাম না। বিবেকের দায়বদ্ধতা কাজ করছে খুব বেশি।
"শুভকামনা রইলো তোমাদের জন্য"

একটু চাওয়া

।।একটু চাওয়া ।।

হাত ছেড়ো না পথের মাঝে
মরণ পাড়ে এগিয়ে দিও,
শোক কিংবা সুখের সময়
পারো যদি সঙ্গে নিও।

তেমন কোনও নাই চাহিদা
পারো যদি বাসবে ভালো,
অজ্ঞতার এই অন্ধকারে
জ্বালিয়ে দিও জ্ঞানের আলো।

সোনা,দানা,হীরা,পান্না
তুচ্ছ সবই তোমার কাছে,
ভালোবাসা ছাড়া বলো
লাখি শাড়ির কি দাম আছে!

সীমার মাঝে অসীম তুমি
সাগরসম গভীর যে,
কালো মেঘের আড়াল হতে
মুখ লুকাবো ঐ বুকে।

                 ।।জ্যোৎস্না।।অনন্ত।।

রঙ্গতামাশা

রঙ্গতামাশা

ক্ষুধা পেটে  পানতা ভাতে
লবন মরিচ  পেঁয়াজ তাতে
গালে দিয়ে  দানাপানি দিন
যায় পাঁটে।

গামছাবাঁধা কোমরে
শক্ত মুঠি চলে সজোরে
ক্লান্ত হয় কাস্তে খানি
কৃষক নাহি থামেরে.....

এমনকরে দিন কাটে
বছরের বারোটি মাসে
কাদামাটি মাখে গায়ে
সকাল দুপুর সন্ধ্যারাতে

হঠাৎ কোকিল কাঁচি
হাতে
সেজেগুজে যায় মাঠে
ফটক তুলে ধাননেড়ে
মাথায় কতশত বুদ্ধিরে।

আঁটি বেঁধে মাথায় তুলে
ফটক ছাড়ে অনলাইনে
ফটক তুলেই কাম সারে
কামাতে নাম গামছাবাঁধে
কোমরে!

জনগনের রিলিফে
লম্বা চিবুক ধরে উঁচিয়ে
চশমাটা খানিক নামিয়ে
তাকায় দু'চোখ উপড়িয়ে

ঢপমারে চাষাভুষোর কাজে
নানান রঙের পোশাকপরে
রক্তচোষা নব্য জোঁকারে
আহ্! কি কাজ পাগলারে!

আততায়ী

সেদিন ঝড়ের সন্ধ্যে বেলাতে
আততায়ী খুন হয়ে গেল প্রেমিকার
হাতে।
তোমাদের মনেপড়ে...........!
সেদিন সন্ধ্যার পরে দূরন্ত পথিক হঠাৎ
থমকে গেলো পুণ্ড্রনগরীর পথে।
অজস্র মিথ্যা,হিংসা আর অহংকারের ভিড়ে
দিশেহারা পথিক পুণ্ড্রনগরীতে।
উড়ছে দূরন্ত পথিকের স্বপ্নের শব যত
বাজছে সানাই রক্ত চোষার সুখের নেশায়
তোমার শীতল চোখে।
বেপরোয়া উত্তাপে আততায়ী সব ভেঙ্গেছিলো
মিথ্যার ঝাঁঝালো বাতাসে........।
আততায়ীর বিশ্বাস হেরে গেছে নিয়তির ঠিক
আশেপাশে।
সেদিন পুণ্ড্রনগরের গল্প বলার ক্ষতবিক্ষত দিনলিপি  আজও মনেজাগে।
এখনও ঝড়ের সন্ধ্যায় অপরাজিত প্রেমিকের
নিশ্বাস আজও থমকে থাকে।
শত্রুতা বিরোধিতা করার আরও কত জায়গা
থাকে।
আততায়ী হাতদিলো অবশেষে দূরন্ত পথিকের
পেটে,তবে কি আততায়ী খুন হয়ে যাবে শীতল
দু'চোখের আজন্ম ভালোবাসার অভিসারে না'কি অভিশাপে।


তুমি রবে নিরবে

জ্বালাতে জীবন প্রদীপ
অন্ধকূপের তেল মাথায়
তুলে
সলতে জ্বলে ধিকধিক।

নীরব পুড়ে ছাই-কালির
অশ্রুপাত,
আলোক শিখায় উজ্জ্বল
থাক দৃষ্টিপথ।
দ্বিধামুক্ত আত্মদ্রোহ
সম্মুখে এগুতে চালায়
বিগ্রহ.........

জ্যোৎস্নার জ্যোতি সঞ্চিত
তাপে উজ্জ্বল
পুনর্বার দহনে ছলচাতুরী
নাই ।
বিমোহন সুখে জুড়াও মন
চাপা পড়ে যায় তীব্র দহন।
অগ্নিময় শব্দে রক্তে জ্বালো
আগুন
অগ্নিরথে যাত্রাকারী সফল
যখন।
নীরবচারী তখনও নীরবে
নিভৃতে
তারার আলোর মতন....
আলোক উৎস চিরঅন্ধকারে
নিজেকে রাখে আত্মগোপন!
ঝিনুকশামুক মুক্তা করে চাষ
উদরসর্বস্ব হয় নিঃস্ব
দিতে আলোকিত সাজ!
দূর পথের সঙ্গী সদাই
পথে বেরুলেই জীবন
ভিখ মাঙ্গে অন্তরায়।
গন্তব্যে পৌঁছালে পরে
মিস্টি হাসিফুটে বদনমদিরায়।
ভূমণ্ডলে নীরবচারী কতকিছু
অলক্ষ্যে থেকেও প্রাণদায়ী














বাতিজ্বালায় ঠিকঠিক

আলো এমনিতেই
লাগে ভালো!?
তী


অণু কাব্য

তেলে তৈলাক্ত
তেল দিলেই
ভালো নইলে
খাঁচায় ভরো!!

দূরের প্রিয়া

দূরের প্রিয়া
♨♨♨♨
গল্পের মিছিলে তোমার উপস্থিতি দারুন বেশে
আঁড়ালে গুমরে কাঁদছে ভালোবাসা নিদারুণ বেদনাতে।
অনুভবে তোমার থাকবেনা উপস্থিতি আমার!
শূন্যতা বিরাজ করবে হৃদয় গভীরে নিভৃতে সকাশে।
যখন কন্ঠ তোমার মঞ্চ মাতাবে মনকাড়া সুরে
তখন কারো আকাশ ভারী হবে কালো মেঘে!
শূন্যতা পৃথিবীর বুকে এমন একটি বিষয় যেখানে নতুন কিছু জায়গা করে প্রকৃতির নিয়মেই!
নতুন মানেই নয়তো অন্যকিছু বা অধরা অপস্বরী
সেখানেই বসত গাড়ে কালো মেঘ বয়ে চলে দুঃখের ঢেউ।
জানি ওইসব কথা বলার অধিকার থাকে ক'জনার
বদ্ধ ঘরে কখনো একা তাই জেগে উঠে আবেগের কতশত ঢেউ।
জনস্রোতে থাকো তুমি ভাবনার অবকাশ কই?
কখনো য়াওয়া হয়নি জলে, হয়নি চলা নদীতট ধরে!
তুমি ভাসবেনা জলে, হাসবেনা জনতার ঢলে সে'কি হয় বলো!?
তোমারতো আছে কতশত ঋণ আরও আছে খ্যাতির বিড়ম্বনা!



কবিতা২

অজানা ভাষার কবিতার বই
দূরদেশী দূরের কবিতা গেলে
কই!
কবিতার প্রথম পৃষ্ঠায় পাঠক
চমকিত হয়, ক্ষণেক বিরতির
পর,
প্রথম লাইনটাই গিয়ে দেখতে
থাকলো ভুল হলো না'কি কোথাও
তাই।
কবিতায় উলুবেড়িয়া ভাষা ছিল
জটিলতা বুঝে উঠার সময় স্থান
দেখবার সুযোগ সবই নাগালের
বাইরে রয়ে গেল হায়!
হেমন্তের কুয়াশার চাদরে পড়লো
না'কি ঢাকা ভালোলাগারকবিতার বই
লাইনগুলো তাই আজ অস্পষ্ট দেখিনাতো
শত প্রচেষ্টাতেও।
দূরন্ত পথিক






কবিতা ৩

কবিতা ভালোবেসে দূরেই থাকো,
                              সেই ভালো।
কাছের ভালোবাসা  পদ্ম পাতার
জ্বল হয়ে নিমিষে  নিঃশেষ  হয়
                               যদি শেষে।

দূরেই ভালো

ইশারাই ডেকোনা কাছে
ভুলেরা তোমায় ভুলিয়ে
ভুল ডুবাতে পারে!

মনের দরজায় কড়া নেড়ে
ঘরের দুয়ারে দূরে আছো
দাঁড়িয়ে!

কুহকিনী কেকা রইলো
শতেক দূরে,
দূরেই থাকো শমনদ্বার
হয়ে।

প্রিয়জন না'কি দূরদেশী
হয়, শুনেছি লোকের
মুখেমুখে!

দূরন্ত পথিক

গুল্মলতা

থেকে যেতে হয় কখনো কখনো
আটকে যায় কতশত হৃদয়
কত বিহঙ্গ ঝরে পড়ে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় নিরবে
ক'জন রাখে সে খবর!
বিটপী বনে কতশত তরু জন্মে
ভালোবাসা পেয়ে কটা তরু
মানুষের আঙিনা জুড়ে থাকে!?
গুল্মলতা বা আগাছা বলে
মানুষের হাতে বলিদান হয়
প্রতিদিনে!
গুল্মলতা ওরাতো অনাদরে
অবহেলায় জন্মে!
আবার মানুষের আঙিনায়
শোভাবর্ধনে নিত্য বলিদানে
সুখের হাসি হাসে!
চন্দন বা শীল কড়ই কিংবা
সেগুন, শাল,
আদরে আবদারে বেড়ে উঠে চিরকাল।
অনাহুত হয়ে বেড়ে উঠা গুল্মলতা,
ওদের জল সেচনের জায়গা করে দখল।

জল সেচনের অজুহাতে
কিংবা আগাছা সরানোর নামে,
গুল্মলতা সরায় সর্বাগ্রে
ওদের বৃদ্ধিতে বাধা পাবে
বলে!

জন্ম রহস্যাবৃত
🌱🌱🌱🌱🌱

বেঁচে থাকার স্বপ্নে/ কখনও কখনও রুদ্ধ হয়/ সত্যের প্রাণবায়ু!/ কতো নব উদ্যম হয় কবরস্থ।

কত বিহঙ্গ ঝরে পড়ে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় নিরবে,
ক'জন রাখে সে খবর!

বিটপী বনে কতশত তরু জন্মে,
ভালোবাসা পেয়ে ক'টা তরু
মানুষের আঙিনা জুড়ে থাকে!?

গুল্মলতা বা আগাছা বলে
মানুষের হাতে বলিদান হয় প্রতিদিন!
গুল্মলতা ওরা ও অনাদরে,
অবহেলায় জন্মে!

আবার মানুষের আঙিনায়
শোভাবর্ধনে নিত্য বলিদানে
সুখের হাসি হাসে!
নিয়তির দারুণ পরিহাস!

চন্দন বা শীল কড়ই কিংবা
সেগুন, শাল......
আদরে, আবদারে বেড়ে উঠে চিরকাল।
অনাহুত হয়ে বেড়ে উঠা গুল্মলতা,
ওদের জল সেচনের জায়গা করে দখল;
জল সেচনের অজুহাতে
কিংবা আগাছা সাফাইয়ের নামে,
গুল্মলতাই বলি হয় সর্বাগ্রে!
ওদের বৃদ্ধিতে বাধা পাবে
বলে!
তবুও গুল্মলতারা জন্মায় চিরকাল, বেড়ে ওটার স্পর্ধা নিয়ে!

 দূরন্ত পথিক
🌿🌿🌿🌿

শিরোনামহীন

মানীর অপমান বজ্রাঘাততুল্য
কৈশোর পড়তাম খুবই অমূল্য!
মৃত্যুতেও মানীর অপমান বজ্রাঘাততুল্য
কৈশোর পড়তাম খুবই অমূল্য!
মৃত্যুতেও চুকাতে হয় চরমমূল্য!

নিষ্প্রাণ

নিষ্প্রাণ
🍀🍀🍀

নিষ্প্রাণ নিস্তব্ধত এক পৃথিবী
শূন্যতা
সমস্ত শব্দঋণে যন্ত্রণাগ্রস্ত শূন্য
হৃদয়টা!!


Monday, August 9, 2021

অসমাপ্ত

 বরফ গলনাঙ্কে পৃথিবীপৃষ্ঠাংশের

তাপমাত্রা হ্রাস-বৃদ্ধি নির্ণয়যোগ্য ;

হৃদয় পারদের গলনাঙ্কের তাপমাত্রা

হ্রাস-বৃদ্ধি নির্ণয় অযোগ্য!

চোখের নির্গত জলেও পরিমাপণ অসাধ্য...


সবুজ পাহাড় বিরান হয় হারায়ে জীবজল,সবুজপত্র হয় দীর্ণ! 

দৃঢ়কল্পে দাঁড়িয়ে অপেক্ষারত কখন আসে পাখিদল আর মেঘমালা যদিও পাহাড় কিছু সময় রয় জীর্ণশীর্ণ।


যদি নাইবা আসে পাখিদল, বৃষ্টিজল ধুয়ে দেয় উপরিতল;

জীর্ণতায় তৃষার্ত বুকে জমে বিন্দু বিন্দু জল...


মৃতপ্রায় ক্ষুদ্রজীবে আর শেকড়বাকড়ে শুরু হয় অঙ্কুরোদয়,

রুক্ষমূর্তি পাহাড় বুক হয় পুনর্দখল সবুজের ছায়।


..............

অসমাপ্ত...


দূরন্ত পথিক

🍁🍁🍁🍁

জীবন এক দুর্বোধ্য উপন্যাস

 উপন্যাস পড়ে পাঠোদ্ধার করা গেলেও অনুধাবন ও লালন করা উপন্যাসে ব্যবহৃত কিছু দুর্বোধ্য শব্দের মতই কঠিন!

তবুও নিজস্ব অনুবাদের ভাষাবোধ দিয়ে বিচার করে চলছে জীবনপথের কতশত ছেঁড়াফাটা উপন্যাস আর উপন্যাসসমগ্রে আগত বিভিন্ন চরিত্র !

ঠিক যেমন অসমাপ্ত ও অসমাপ্তিজ্ঞাপক বাক্যে রচিত কাব্য,নাটক,ছড়া,কবিতা আর জীবনের গল্প !!!


দূরন্ত পথিক

♻️♻️♻️♻️