Tuesday, August 27, 2019

শিরোনামহীন

এলো চুলে আঙিনায় এলে
ভালোবেসে দুহাত বাড়ালে
তুমি মোরে মায়ায় জড়ালে।

শোনালে গান পাখির মতন
জুড়াইলে পোড়া দেহমন
ভালোবাসা এমন বাঁধন
দূর হতে এসে কর যতন।

রঙিন ছবি মনে দিলে আঁকি
ভালোবাসা আজ কোথায় রাখি
বেলাশেষে রেখে যাবে না'কি?

গোধূলির লগ্নে খালি গলে
গান গেয়ে জুড়ালে মন
রেখে গেলে মধুর স্মৃতি
কেমনে তোমায় দূরে রাখি!

🎻🎻🎻🎻
এলোচুলে আঙিনায় এসে
দুহাত বাড়ালে খুব ভালোবেসে।
মধুর হাসিতে মুগ্ধতা ছড়ালে
ভালোবাসার মায়ায় জড়ালে।

শোনালে গান পাখির মতন
জুড়ালো এই পোড়া দেহমন
ভালোবাসার এমন বাঁধন
দূর থেকে শুধু করেছো যতন।

রঙিন ছবি তুমি মনে দিলে আঁকি
এত ভালোবাসা আজ কোথা বলো রাখি?
নিশিতে কেঁদে বলে পোড়া মনপাখি
বেলাশেষে মোরে একা ফেলে যাবে নাকি?

গোধূলিলগ্নে এসে জুড়ে দিলে গান
সেই গানে আজ প্রাণ করে আনচান।
তোমার মূরতি পানে আজ চেয়ে থাকি
তুমি যে আমার ওগো পোষা মনপাখি।

দূরন্ত পথিক

জোস্না অনন্ত

মেঘের কাছে উড়ো চিঠি................................

হে আমার চির সুন্দর ,
            তোমার আকাশে যে কালো মেঘের ঘনঘটা দেখছো,তা আমারই পাঠানো জমাট বাঁধা শব্দ-মেঘ। এতে লিখে দিয়েছি আমি, এক জনমের মাধুরী মেশানো শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার কথা।সে মেঘ যদি ঝরে পড়ে তোমার মনাকাশে,তুমি ভিজো সে শব্দ-বৃষ্টিতে এক পশলা।
           বারবার ফোন নম্বর লিখে,ডায়াল না করেই মুছে ফেলা যদি ভালোবাসা হয়,এস. এম. এসের পর এস.এম. এস লিখে মুছে ফেলতে ফেলতে, মনের কাছে হার মেনে,কোনও না কোনও বাহানায় একটা এস এম এস পাঠানো যদি ভালোবাসা হয়,তোমার অসাবধান পথ চলা আর বাতাসে উড়ে বেড়ানো দেখে, বুকটা মোচড় দিয়ে উঠা যদি ভালোবাসা হয়, তবে হয়তো তোমাকেই আমি ভালোবাসি।
            হে সত্য,তুমি কি জানো না প্রতিটি নি:শব্দতার ও একটা গভীর শব্দ থাকে!থাকে একটা অজানা আবেশ!তাই না বলার মাঝেও আমি বলে যাই পৃথিবীর সমস্ত ক্ষুধা,তৃষ্ণা, হাহাকারের কথা নিবিড়ভাবে।পৃথিবীর অমানুষিকতা,অসহিষ্ণুতা যেখানে তোমাকে ক্ষত,
বিক্ষত করে প্রতিনিয়ত,সে রক্তাক্ত স্থানে আমি
মায়াবী সবুজ আঁচল দিয়ে ঢেকে দিতে চাই সকল
অসাম্যতার ক্ষতচিহ্ন,তোমার বিপ্লবী সাথী হতে।
            হে সুন্দর,তোমাকে আগলে রেখেছি আমি,যেমনটা আগলে রাখে শক্ত হাড়গুলো স্পর্শ
-কাতর হৃদয়টাকে,সমস্ত অমানবিক রোষানল থেকে।পৃথিবীর সমস্ত ঘুম যখন তোমার চোখে ঝরে
পড়ে,স্ট্রীট লাইটের নীচে ঘুমন্ত পথ শিশুর মশার কামড়ে
আমি জেগে উঠি,রাতের গায়ে ভালোবাসার গন্ধ মেখে, ডেকে পাঠাই পথে নামার আহ্বানে তোমার কাছে।ইচ্ছে করে পৃথিবীর অমানবিক অট্টালিকার ঘুম বিলাসীদের কান ধরে টেনে আনি রাজপথে।তুমি কি আমার হাতে হাত রেখে সায় দেবে আমার ইচ্ছাতে!?অজানা মোহের মাদকতায় চাঁদ যেমন
লুকিয়ে থাকে রাতের গভীরে,আমিও লীন হয়ে মিশে আছি তোমাতে জন্মের মতো,তোমারই অগোচরে।ইচ্ছে করে কোনও বার্তা নয়,এক মুঠো
তেজোদীপ্ত সূর্যালোক মুঠোয় করে এক দৌঁড়ে ছুটে
আছড়ে পড়ি তোমার বুকের 'পরে,এঁকে দিই রাজটীকা তোমার কপালে,মানুষের অধিকার আদায়ের বীর যোদ্ধার মতো।
            হে বীর ,জানি মানুষের সুখের সময় খুব স্বল্প হয়,দীর্ঘ হয় শোকের রাত!তুমি কি বলতে পারো প্রিয়,এ দেশের শোকাতুর চাঁদ কবে গ্লানি মুছে নূতন ভোরকে করবে আহ্বান!কবে ইতি টানবে শোকার্ত অসহায় জনতা এই দিন গভীরের
অমানিশার!তুমি তো সুন্দর প্রিয়,তবে তুমি তো সত্যদ্রষ্টা।কেন দিতে পারছো না প্রতিশ্রুতি
আমাকে!আমি তো জানি ঈশ্বর ই সত্য,সুন্দর।
        হে আমার চির সুন্দর,তোমাকে হারানোর ভয়ে
আমি কুঁকড়ে থাকি!কারণ,কেউ এখন আর সত্যের পূজো করে না!সেই সত্য যেদিন এক্কেবারে হারিয়ে
যাবে,পৃথিবীর ধ্বংসের মতো আমাকে হাঁটতে হবে
অস্তাচলের পথে দীর্ঘ সফরের ইতি টেনে।প্রিয় আমার,আমিও চাই কেউ আমাকে যত্নে গুছিয়ে
রাখুক তার বুকের উষ্ণতায়,সে আমার অধিকার বোধ বলতে পারো,যেমনটা অধিকার বোধ প্রতিটি সুস্থ নাগরিক আশা করে রাষ্ট্রের কাছে।আমার পেট ভর্তি অভিমান থেকেও,কতোবার ডেকেছি তোমায়,কতোবার করাঘাত করে ফিরেছি তোমার খিল দেওয়া দ্বার থেকে,কতোবার মরেছি মরণে,যেমনটি মরেছে,মরছে হাজার হাজার ভারতবাসী বিচারের  নীরব প্রহসনের দ্বার থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে।তবুও এ পৃথিবীর কাছে আমার,আমাদের অমৃত্যু প্রত্যাশা থেকেই গেলো।
             হে তাপস,আমার বর্ণময় জীবন বিবর্ণ হয়,মনের সবুজ উপত্যকা হয় রক্তাক্ত,তোমার অবহেলা,স্বেচ্চাচারী সিদ্ধান্ত আর দম বন্ধ করা তীব্র বজ্র বেষ্টনীর ফরমানে!আমি দুঃস্বপ্নে জেগে উঠি,ছিঁড়ে ফেলি সমস্ত বেড়াজাল ও বেআইনী
ফরমান।লিখে যাই সত্য ইতিহাস তোমাকে স্বাক্ষী রেখে,এ পৃথিবীর প্রেমহীন,অমানবিক ও অসামাজিক ধর্ষণের বুকে দাঁড়িয়ে।হে প্রিয়,তুমি কি
এ স্বপ্ন সত্যের সংগ্রামে সাথী হবে?মানবাত্মার মুক্তির শ্লোগানের মুখরিত করবে আকাশ,বাতাস?তবে এসো,নিঃশর্ত হাত রাখো হাতে।
             হে সুন্দর,তোমার সান্নিধ্যে বদলে গেছে আমার মনাকাশের নকশা।সেখানে চাঁদের বদলে, হাসে তোমার মুক্তো দাঁত;সূর্যের বদলে বিচ্ছুরিত হয়,তোমার প্রতিবাদের স্পৃহা।ধ্রুব তারার বদলে দুচোখ ঠিকরে বের হয় পৃথিবীর বঞ্চনার ইতিকথা।
আমি সান্ধ্য প্রদীপ জ্বালিয়ে তপস্যা করি এই অসীম সুন্দরের।
               হে আমার সত্য,যদি কোনও দিন,যদি কোনও দিন,গ্রহণে ঢেকে যায় পৃথিবীর আকাশ তীব্র ভাবে,সে দিন জেনে নিও ,এক পৃথিবী ধুমকেতু সম জ্বালা আর অসাম্য,ভেদ জ্ঞান নিয়ে খসে পড়েছে একটি অতি নগণ্য নক্ষত্র রক্তাভ
আকাশ থেকে।সেদিন আমার আগরবাতির গন্ধ না ছড়াক তোমার প্রাণে,ঝাপসা হোয়ে আসুক আমার ছবি তোমার মানস পটে।বাকীটা সময় আকাশ বাতাসে বাজুক তোমার বিপ্লবী সুর,উড়িয়ে নিও
পৃথিবীর আজন্ম অমানুষিক জ্বর।
                  হে রুদ্র,ঐ মেঘের পেছনে যদি বিজলী চমকায়,সে এপৃথিবীর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অসহায়
মানবের গর্জে উঠার আওয়াজ জেনো;ঐ যে আকাশে লাল মেঘ দেখছো,আবির ভেবে ভুল করো না,সে যে এ পৃথিবীর মানবতার খুনের রক্তলাল!ডানা ভাঙা পাখীর মতো আহত বেদনেই
তোমার পাশে থাকবো আমৃত্যু....জেনো তুমি।
ভালো থেকো,ভালোবাসা আমার।ইতি....
                        তোমার প্রিয়তমা........

Sunday, August 25, 2019

পাখি

পাখিরা উড়ে যায়
ডানমেলে দূর আকাশে
চোখ মেলে তারে দেখি
মুগ্ধনয়ন জুড়াইতাম মন।
একটি শব্দ সাথে প্রাণের
সুন্দরতম সৃষ্টির নাম পাখি
বলতে শুনতে লাগে মিষ্টি ভারী।
প্রতিদিনের জীবনে কতশত
শব্দ আসে বাংলা অভিধানে
কিছু রয় স্মৃতিপটে বাদবাকি ভুলে...
প্রজন্ম ধরে কটা শব্দেরঋণ
আজও আহত করে।


মহাকাল

মহাকাল তোমার স্মরণে আমার এই লেখাঃ
শতাব্দীর পথ ধরে হেঁটে চলা দূরন্ত পথিক! কখন কিভাবে যে পেয়ে গেল মহাকালের হাত ধরে আসা অজানা অতীতের দেখা। দু'জনেই না'কি হয়েছে খুন রাখা আছে আঁড়ালে, তার সবকিছুই বিনা সুতোর গাঁথা মাল্য দ্বারা। এমন হাত শুধু মহাকাল হতে আসা সম্ভব। অন্য কিছুতে খুঁজে পাওয়া বা অন্য কিছু থেকে আসা অসম্ভব!
মহাকাল তোমায় স্বর্গীয় শুভেচ্ছা হৃদয়ে এনে দিয়েছো নির্মল এক অনন্য শোভা। যারা চলনে বলনে এবং অন্তরীক্ষচারী হয়ে মেলতে পারে ডানা, উড়তে পারে দূরের আকাশে যেন বন্ধনহীন এক মহালিপি যা সত্যিই অজানা।
সেখানে নেই কোন চাওয়া পাওয়া, আছে শুধু একসাথে অন্তহীন পথ চলা যার কোন সীমারেখা! ঠিক যেন সকল স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে স্বপ্নে বিভোর  হওয়া।
                                        ইতি ---------------//
                                        দূরন্ত পথিক

Saturday, August 24, 2019

আমি ক্ষুধার্ত



পেটের মাঝে জ্বলছে ক্ষুধার জ্বালা
তোমার শুধু চলছে যেন পকেট ভরার পালা।

হচ্ছি ক্ষুধায় কাতর
কেমন করে গিলছো পোলাউ
দিচ্ছো গায়ে আতর?

মানুষ হয়ে জন্ম নেওয়াই পাপ
তাই বুঝি আজ দিচ্ছে খোদা
ক্ষুধার অভিশাপ।

হাড়-মাংস চামড়া আমার
যাচ্ছে ক্ষুধায় ক্ষয়ে
কেমন করে মত্ত থাকো
তুমি ধর্মালয়ে?

পাপের টাকায় কিনছো তুমি
লোক দেখানো মান
কষ্ট করে গাও না ও ভাই
ক্ষুধার্তদের গান।

তুমি মানুষ আমিও মানুষ
দোষ করেছি কী
আমি যদি ক্ষুধার্ত রই
তোমার নামে ছি!

🌾🌾🌾🌾
দূরন্ত পথিক

শিরোনামহীন নই

সবকিছুরই শির
থাকে কিছু দৃশ্যত
বাকি সব অদৃশ্য!
শিরোনামহীন নয়
নিহিত তার ভেতরে
শিরোনাম যত!
বলি শিরোনামহীন
ভেবো না'কো।
কত শিরোনাম এঁকে
দিয়ে যাচ্ছি অবিরত।


বাউণ্ডুলে ভাবনা

যদি ভালোবাসা একাকাশ সত্যিই হয়
আবার ভালোবাসা না'কি একপৃথিবী
সম!?

পৃথিবীর মানচিত্রখানি শত খণ্ডিত কেন কিভাবে এমন হয়েছে বলতে পারো!?
নীলিমার নীলাভ দৃশ্যপট খন্ড বিখন্ড
নয়তো!
আবার পৃথিবীর তল আজও একটাতেই সীমাবদ্ধ!

এসব বাউণ্ডুলে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারো কেউ?
নীলিমার নীল সৃৃষ্টি যার তার কাছেও নিভৃতে জানতে চেয়েছি বহুবার!?

💧💧💧💧
দূরন্ত পথিক

পোড়া ফুসফুস

যাচ্ছে পুড়ে পৃথিবীর
ফুসফুস
কবে হবে মানবের
হুশ!
পোড়া ফুসফুস চলবে
কতক্ষণ
ঘড়ির ঘণ্টাধ্বনি
অ্যালার্ম দিচ্ছে বারংবার
বেঁজে উঠবে হঠাৎ কখন
জানি!
বলা যদি না হয় কখনো
ক্ষম মোরে!


দূরন্ত পথিক

অভুক্ত

কি হবে বলতে পারো
দু'লাইন কবিতা লিখে
কবি যদি রাত্রি দিন
অনাহারে অভূক্ত থাকে!?

তোমাদের কেউ নিবেনি
কি তার ঠিকানা খোঁজ!?
কি খায় কি পরে কবি
হররোজ...............!!??

🔥🔥🔥🔥
দূরন্ত পথিক

আমি ক্ষুধার্ত



ক্ষুধার্তের পেটের জ্বালা
তোমার যেন পকেট
ভরার চলছে পালা।
ক্ষুধায় হচ্ছি কাতর
টাকায় নিচ্ছ আতর
দিচ্ছো সাঁঝ বাতি।
ক্ষুধার অভিশাপ সাথে
বিশাল অংকের পাপ
মুছিবে যজ্ঞানল জ্বালি।
ক্ষুধা আমার অন্ত্রে
মত্ত তুমি তন্ত্রধর্মে
মসজিদ গির্জা মন্দিরে।
ক্ষুধা তোমার খ্যাতির
তাই ক্ষুধার্তের সামনেই
টাকায় কিনছো খাতির।
🌾🌾🌾🌾
দূরন্ত পথিক

Thursday, August 22, 2019

ছুটে চলা

ভালো লাগা আর ভালোবাসা এক নয়।
ভালোবাসা সেতো ঈশ্বর সদৃশ।
একসাথে চলার জন্য স্পর্শ নয়
অদৃশ্য স্পর্শেও ভালোবাসা যায়।
মাঝে মাঝে দেখা পাই কিছু বটগাছের
তার তলে শ্রান্তির আশায় বসি কিছুক্ষণ
কখনো বা তা হয়ে ওঠে দীর্ঘমেয়াদি।
সকলে আশ্রয় দিতে পারে,তবে শ্রান্তি নয়।
তাইতো আবারো ছুটে চলি প্রশান্তির খোঁজে।
সেদিন গিয়েছিলাম সাগর দেখতে
দেখলাম সাগরকে ভালোবাসে সবাই
তার টানে চলে আসে পৃথিবীর শেষ সীমা থেকে।
কেউবা হাঁটুজলে নেমে জলকেলিতে মত্ত হয়
কিন্তু কেউ ঝাপ দিয়ে যেতে চায় না তার অতলে
নিতেও চায় না পরম মমতায় ঘরে টেনে।
কিভাবে নেবে?সাগর তো ঘরে থাকার নয়
বয়ে চলে অবিরাম
আর তার সাথে ছুটে চলি আমিও।


দুরন্ত পথিক।

Monday, August 19, 2019

জীবন কচু পাতার পানি

জীবন না'কি কচু পাতার পানি!? সে কথা সবার জানা আমিও মানি। কচু পাতাতেও জমে থাকতে পারে একটু পানি! কচু পাতা যতক্ষণ স্থির থাকবে শত প্রতিকূলতা ও বাধা অতিক্রম করে ততক্ষণ কিছুটা পানি দাড়িয়ে থাকবে এটা নিশ্চিত। প্রতিকূলতার কাছে হার মেনে যায় অনেককিছুই কিন্তু আপনার প্রতিহিংসায় যখন কচু ডগাটাকেও কেটে ফেলেন তখন সেখানে আর কিভাবে জমবে একটু পানি!!??

অভাগা

অভাগারে মনে নেই
ভুলে গেলে সহজেই
ভাব ভালোবাসাহীন
মানুষগুলোর কোথাও
কারো কাছে তিল
ধারণের ঠাঁই নেই!!
সবাই ব্যস্ত আমিও
কম না,,,,,,,, তবুও
দিনশেষে মনে নাড়া
দেয় ভাবনা বেদনা!!

ঘুরে দাঁড়াও

দারুণ আবেশে
মন জুড়ালো
মজার রসে!!
রসে বেশি
মাতাল হলে
সব  যাবে
রসাতলে!!

এখনো বাকি
আছে কিছু
ঘুরে দাঁড়াতে
ধর  রজ্জু!!

আচমকা ঝড়

আচমকা ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া বৃক্ষের মড়মড় শব্দে চমকিত হয় আপনার মন! কিন্তু মানব মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ আপনাকে প্রকম্পিত করে না কারণ তার শব্দাংঙ্ক আপনার শ্রবণ যোগ্য নয়! তথাপি যাদের মেরুদণ্ড খণ্ডবিখণ্ড হয় তারা এইপাশ থেকে ঐপাশ হতে লাগলেই সেই মড়মড় শব্দে
প্রকম্পিত হয় অহর্নিশ!

আবার ভাঙ্গা শিরদাঁড়া নিয়ে মাথা উঁচু করে হেটে চলা কতটা কঠিন যারা হেঁটে চলে তারা খুব ভালোই জানে! আর আপনি চাইলেই তা অবলোকন করতে পারেন। এটা দেখার জন্য ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া গাছটির বেড়ে উঠা প্রত্যক্ষ করলে কিছুটা বুঝতে সক্ষম হবেন হয়তোবা!

কাটার আঘাত

কাটার খোঁচা দিয়ে ছিলে তুমি
ভেবে ছিলে হবো খোঁড়া!
সে খোঁচায় হয়নিকো ক্ষয়
লাগিয়েছি আরও জোড়া।
অবহেলা করে চলে গেলে তুমি
আসলেই কপাল পোড়া!
তোমারি আশায় আছি দাঁড়িয়ে
হাতে নিয়ে গোলাপের তোড়া।

Thursday, August 15, 2019

আমার আঙিনা

আঙিনা
🔺🔺🔺

আঙিনা তোমার কাঁটাতারে ঘেরা
আমার আঙিনা রয়েছে খোলা!!

আমার ভাগে পড়েছে ছটাক
আঙিনা তোমার পনেরো  ছটাক
আমার আঙিনায়  দিওনা হাত !!

আমার ঘরে এমনিই বাড়ন্ত
আঙিনা তোমার বিস্তর-বিস্তৃত!!

আমার ছটাকে বসত লক্ষ
আঙিনা আমার নিতান্তই ছোট
আঙিনার প্রতি ইঞ্চি মূল্যাতীত!!

আমার আঙিনা নিয়েছ শত
আঙিনার একবিন্দু পাবে না'কো!!

আমার সর্বান্তকরণে ছিলেম সংযমিত
আঙিনা হতে দূরত্ব রাখো
আঙিনা আমার রন্ত সমাহারী!!




Monday, August 12, 2019

ভাবনা - বেদনা

প্রায় প্রতিদিন ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রের কিছুকিছু বিষয় নিয়ে লিখি কিন্তু হাজারো প্রশ্নজাগে নিজের মনের কাছে! কি হবে এই দুলাইন লিখে! আর লেখা ও বাস্তবতার কোন মেলবন্ধন নেই! যা লিখি সেই মনোভাবের কোন জায়গা নেই এই দুনিয়ায়!

নিজের ভাবাবেগ অনুভূতিগুলো প্রকাশ করা মাত্র! যা লিখি সে অনুযায়ী চলতে গেলে অনেকেই পাগল বদ্ধ উম্মমাদ চালচুলোহীনদের ভাবনা আরও কত কি বলে! অনেকেই গালি দেয় বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করে ভয়ভীতি দেখান ইত্যাদি ইত্যাদি! সত্যিকার অর্থেই উনারা ভুল বলেননা কারণ আমার না আছে অঢেল অর্থ, না আছে পারিবারিক সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্ত অবস্থান!

আমারমত সাধারণের এত ভাবনা-বেদনা দিয়ে পরিবার সমাজ তথা রাষ্ট্রের কি কাজে আসবে!? আবার আমার যথেষ্ট লিখন দক্ষতাও নেই জ্ঞানও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম! বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানের ভান্ডারে যা কিছুই নয়! শুধুমাত্র অগোছালো কিছু শব্দ বাক্যে ব্যবহার হয় এই যা!

এগুলোদিয়ে কারো কিচ্ছু হবে না বা যায় আসবেনা! বরং দিনেদিনে তৈরি হচ্ছে অসংখ্য জানা ও অজানা শ্রুতার! তবে বন্ধুত্ব হয়নি তা বলবো না! অনেক বন্ধুও হয়েছে এই ছেড়াফাটা লেখনীর মাধ্যমে!

সবকিছুর পরেও কি হবে এমন দু'চারটা কথা লিখে যেখানে এই লেখা কথাগুলো অনেকের কাছেই হাস্যকর!  চিন্তাভাবনাগুলো না'কি সেকেলে যা বর্তমান পুঁজিবাদের বাজারে নিতান্তই মূল্যহীন! কাজকর্ম নেই তাই এগুলোদিয়ে সময় পার করি! না আমি কবি কিংবা শিল্পী বা কোন সাহিত্যিক ও লেখক! কি হবে এমন অনুভূতির প্রকাশ করে! যার নিজের অর্থিক সামাজিক রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কোন অবস্থান বা প্রতিপত্তি নেই তার আবার এত ভাবনা কিসের হ্যাঁ!

ফেসবুকে দুটো লাইন লিখে কয়েকটা লাইক কমেন্ট দিয়ে কি হবে!? এতো বাহবা দিয়ে পেট পিঠ কিছুই চলে না বা বাঁচে না! বাঁচতে হলে না'কি অর্থ প্রতিপত্তি ও ক্ষমতাই মুখ্য!? যার সবকটিই এখানে অনুপস্থিত! কোনদিন হবে কিনা তাও জানা নেই বা জানিনা!
ফেসবুক তথা সকল বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি সকলেই ভালো থাকবেন আর এই অধমের জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ কারন আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বহুপথ পাড়ি দিয়েছি বা দিচ্ছি এখন অবধি!!

Tuesday, August 6, 2019

পাথুরি জলে ষোড়শী তন্বী

ছোট বড় অসংখ্য পাথরচাপরি
নিরবধি বয়ে চলা স্বচ্ছ জলরাশি
মাঝে বসে থাকা এক মায়াবতী
মুখে নিয়ে দারুণ মায়াবী হাসি।

পাথুরিয়া পানিতে বিধৌত পা
সাথে পায়েল খানি চকচকানি
যেন নির্মল সুন্দর পা দুখানি
তুলেছে শুরধ্বনি যেন বহতা নদী।

লাউডগা হাত দুখানি ইশারার
নিরব ভাষায় হৃদয়ে তোলে
মাতাল করা হ্যামিলনের শুরধ্বনি
মায়া জড়ানো মুগ্ধ আহবান ধ্বনি।

জল পাথর সাথে ষোড়শী তরুণী
মায়াঘেরা উজ্জ্বল চোখ দুখানি
যেন হারিয়ে যাওয়া গভীর নদী
দুকূল ছাপিয়ে উঠা তরঙ্গময় নদী


Saturday, August 3, 2019

কবিতা লিখিয়েদের জন্যে:-

আসাদুল্লাহ কাহাফ এর পোস্ট থেকে কপিকৃত!!

মাত্রা কাকে বলে? ছন্দ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ অক্ষর উচ্চারণের কাল পরিমাপকে মাত্রা বলে।
ছন্দ মূলত তিন প্রকারঃযথা- ১/ স্বরবৃত্ত২/মাত্রাবৃত্ত ও৩/অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
০১/ স্বরবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে যুগ্মধ্বনি এক মাত্রায় গণনা করা হয় এবং প্রত্যেক পর্বের প্রথম শব্দের আদিতে শ্বাসাঘাত পরে তাকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলে।যেমনঃ

যেদিন অামি হারিয়ে যাব,বুঝবে সেদিন বুঝবে,
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে--
                                     বুঝবে সেদিন বুঝবে!
                           ছবি আমার বুকে বেঁধে
                          পাগল হ'য়ে কেঁদে কেঁদে
                          ফিরবে মরু কানন গিরি,
                          সাগর আকাশ বাতাস চিরি'
                                   যেদিন আমায় খুঁজবে--
                                   বুঝবে সেদিন বুঝবে!
                                          (স্বরবৃত্ত ছন্দ)
                     
  ---- কাজী নজরুল ইসলাম

০২/মাত্রাবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে যুগ্মধ্বনি দুই মাত্রায় গণনা করা হয় এবং বিশিষ্ট ভঙ্গীতে উচ্চারিত হয় তাকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলা হয়।যেমনঃ
সোনার তরী,জীবন বন্দনা,কবর,পাজ্ঞেরী,আঠারো বছর বয়স কবিতাগুলো এ ছন্দে রচিত।উদাহরণঃ

এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম গাছের দলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।ছন্দমিল-৬+৬+৬+২।

বন্ধু গো,আর বলিতে পারি না,বড় বিষ-জ্বালা এই বুকে!
দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি,তাই যাহা আসে কই মুখে।
  রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা,
  তাই লিখে যাই এ রক্ত- লেখা,
বড় কথা বড় ভাব আসে না ক'মাথায়,বন্ধু,বড় দুখে!
অমর কাব্য তোমরা লিখিও,বন্ধু,যাহারা আছ সুখে! -মাত্রাবৃত্ত ছন্দ।

(কবি কাজী নজরুল ইসলামের" আমার কৈফিয়ৎ" কবিতার অংশ বিশেষ)

০৩/ অক্ষরবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে শব্দের প্রথমে ও মধ্যে যুগ্মধ্বনি থাকলে সংশ্লিষ্ট উচ্চারণে এক মাত্রায় এবং আদিতে থাকলে দুই মাত্রা ধরা হয় তাকে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বলে।এই ছন্দ বহু রূপে লিখা যায়।যেমনঃ একপদী,ত্রিপদী,সনেট ইত্যাদি।যেমনঃ

(অক্ষরবৃত্ত ছন্দ >ত্রিপদি)

                             রাজনীতি
                                      আসাদুল্লা কাহাফ

          এই রাজনীতি           ওই রাজনীতি
                      তফাত যে কত স্মৃতি,
          ভীৎ নড়ে যার           সংশয় হাজার
                      মানবে নেই যে প্রীতি!

          আপনারা মুখে        তারা তো হৃদয়ে
                          করেছেন সবি জয়,
          স্বার্থের নীতি             নিঃস্বার্থ  প্রীতি
                           এক নয়; এক নয়।

           নিজ সন্তান               টিকে বংশদান
                         অর্থের সে রাজনীতি,
           করি উপহাস              দেখ ইতিহাস
                          দেখ তাঁদের প্রগতি!

           কাঁদেন আপনে             স্বার্থ  বিহনে
                        কি দিলেন সমাজকে?
          নিজ ভাগ থেকে         কি দিলেন তাকে
                          দুর্নীতির দেশটাকে?

         বিদ্রোহের দানা              গড়ছে অজানা
                          দেখুন পলক খুলে,
          আপন স্বার্থ                    অন্যের পরার্থ
                        রয় খেয়ালের ভুলে।

          সুন্দর খাদ্য                   অর্থের ঔদার্য্য
                         বুঝেন জগৎবাসী,
          আত্ম প্রতিষ্ঠা                  নিথর নিষ্ঠা
                        যদিও সে দাসদাসি।

          জালচুরি করে            গেলেন তো মরে
                        থাকলে পরে কবরে,
          সন্তানাদিরা                বুঝে নিবে তারা
                       সম্পত্তি ভাগ করে!

          এই রাজনীতি             নাই করে প্রীতি
                     সত্যের সন্ধানে আসো,
          এই যে পৃথিবী              আমার মিনতি
                    মানুষকে   ভালোবাসো।

                         রচনাকালঃ জানুয়ারী'০৬

সনেট--
                               নারী
                      আসাদুল্লা কাহাফ
                           
            জগৎ জননী বশে দাঁড়ায় পুরুষ,
         একের বিরোধিতায় অন্যে হারা হুঁশ!
          সাময়িকে অধিকার করে তারা খর্ব,
         একে অন্যকে হারিয়ে করে তারা গর্ব।
          নানান বৈষম্য গড়ে চলছে সমাজ,
       সমতা নেই কোথাও-এ সংসারে আজ!
        প্রতিযোগিতা রয়েছে সহযোগিতা কৈ?
         প্রতিহিংসায় মত্ত -ভালোবাসা নেই!

          পুরুষই কাপুরুষ তলিয়ে দেখোনা,
         ভাসিয়ে দিয়েছে আছে যতই বঞ্চনা।
         পুরুষ যেখানে পশু-নারীরা লাঞ্ছিত,
          নারী যেখানে পুরুষ-পুরুষ বঞ্চিত!
      ভগিনী, মাতা সমাজে  সেই-ই সংসারী,
       পুরুষ বিহনে-জন্মে কী কখনো নারী?

                         রচনাকালঃ ১ মার্চ  ২০১২ইং
                         বড়স্টেশন,যমুনা রোড,চাঁদপুর।

সনেট বিষয়ে টুকিটাকিঃ

৮+৬ প্রতি পংক্তিতে রয়,
দু'পর্ব মিলে একটি চরণ হয়।
১ম স্তবকে উপস্থাপনা হয়,
২য়তে সমাধানের চেষ্টা রয়।

নেতা
                    আসাদুল্লা কাহাফ
                         ( সনেট )
লেবাসধারী শয়তান কােকর মুখে কুহুতান,
আপসোস ওহে পৃথিবী কবে হবে এ পরিত্রাণ?
হৃদয় নিংড়ানো ভাসন পদ মর্যাদা লোভী লোক
জনসেবা কী করবে সে মস্ত এক প্রতারক!
ঘুম পাড়ানির যে মাসিপিসির গান শোনায় সে,
জনতা বিপাকে রহিত পাইনি কিছু আর শেষে।
জুজু বুড়ির কাহিনীর সমাপ্তি আর হবে কবে?
এমনি ভন্ডামীর ছলে লোক সম্মুখে চলে ভবে।

মুখোশধারীর মুখোশে কি দোষ আছে এ ধরায়?
দোষ হলো তার যে তারে এরূপ মুখোশ পরায়।
ন্যায় নীতি মানবতার সে গায় উন্মোক্ত গান,
কিংকর্তব্যবিমূঢ়  নেতা-জনতা যার হয় প্রাণ!
জগৎ জুড়ে এমনই করে চলে ভেলকিবাজি,
হাচামিছা সাজছে তারা ভন্ড শহিদ আর গাজি!

রচনাকালঃ ২৬ এপ্রিল ২০১২ইং
বড়স্টেশন(যমুনা রোড),চাঁদপুর।

সনেট সম্পর্কে আরো কিছু তথ্যঃ

সনেট কবিতা লেখায়-১৪ অক্ষর এবং ১৮ অক্ষর উভয়ই নিয়ম রয়েছে।তবে ১৪ অক্ষরের সনেট বাংলায় অধিক প্রচলিত।বাংলায় সনেটের জনকেরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম মানার অপারগতা দেখা যায়।

Thursday, August 1, 2019

জীবন ও জননীর গল্প

দুইসারি সবুজ গাছ
দিগন্তব্যাপী ফসলের মাঠ
থেকে থেকে দু'ধারে
স্রোতে টলমল
বয়ে চলা জল।

দুইসারি সবুজের ছায়া
মাঝে বয়ে চলা
আঁকাবাঁকা পিচ ঢালা পথ
যেন সবুজ শ্যামল
ও জলরাশির মাঝে
মাটির উপরে চলা!

ভূতের ভয় আর নয়

ভূত ছাড়াতে পানিপড়া
নিমপাতার ঝাড়ফুঁক
ভূতের গায়ে হয়েছে যুত
তাই দিতে হবে সময়োচিত
সঠিক মাত্রার ঔষধ।

সরষে পোড়ার শব্দে
কিংবা শুকনা লংকার
ধোয়াই ভূত ছাড়েনি
আজও পাড়ার মোড়ল
তথা ল্যাঙড়া রাজার।

শিকড় বাকড় লতাগুল্মে
মাদুলি কিংবা তাবিজ
বেঁধে ভূতগুলো আর
যায় না দূরে সরে।

ভূতগুলো আজ অদ্ভুতুড়ে
তাড়াতে হবে নতুন করে
শুকনো লংকার ধোঁয়ার
সাথে চিকন কন্ঞ্চির
ম্যাসেজ লাগবে সাথে!

আরও নানান উপায়
আছে ভূতঘটিত ভ্রান্তি
দূরীকরণে বাংলার বাঁশ
কাজে আসতেও পারে।

দূরহোক ভূতপ্রেত জমিন
হোক নির্মল রক্ষাকবচ
তাই রপ্ত করতেই হবে
আসুক যতই বিঘ্ন বাধা।

ভূতের আবাস্থল আকারহীন
হয়েছিলো তা ছিলো ওদের
পাপের নিদারুণ কর্মফল
ওদের আবারো ছাড়তেই হবে
মানবের প্রিয় আবাসস্থল।

বিশ্বাসের বন্ধন(হাত)

কে আছে এমন শত বিপদেও
হাতটি ধরিবে করি অতি যতন।
অগ্নি তাপে পুড়ে হবে ছাই
তবুও হাতটি ধরে রবে ঠাঁই।

সময় যখন হতে শেখাই
বেঈমান আর স্বার্থপরায়ণ ধ্যান
তখন হাতের এমন বন্ধন রাখেনা
কেউ, অতি প্রিয় আত্মীয়স্বজন।

কে আছে এমন সব হারিয়েও
হাতে রেখে হাত মুষ্টির বন্ধন
তবুও পেতে দুহাত আজও খোঁজে
পেতে ওমন দৃঢ় বিশ্বাসের দুহাত।

কবে হবো!!!

কবে হবো বর্ষীয়ান
যেদিন ছড়াবে গুণগান
কবে হবো কোটিপতি
টাকার জোরে সর্বজ্যেষ্ঠ!

কবো হবো ক্ষমতাধর
যেদিন রবেনা ডর
কবে হবো বণিক
যেদিন রবেনা সৈনিক!

কবো হবো সম্রাট
সেদিন থাকবেনা বিভ্রাট
কবো হবো ডাক্তার
সেদিন ঔষুধ দিবো সবার!!

সবুজে সোনালি

বৃক্ষলতা তোমায় অভিনন্দন
তুমি পেয়েছো ছোঁয়া
মাটিতে গড়া এক প্রতিমার !

তোমার সবুজের পরশে
তাকে দিয়েছো অনন্যা
হবার সব রঙ যত !

সবুজে সোনালির এক
চিলতে হাসি তারে
দিয়েছে রুপ মহীয়সী।

অভিমান

অভিমান অভিসারকে
পরিণত করে দুর্গম
দূরত্বের কণ্টকী পথে!

সে দূরত্ব যে পথের
শুধু, তা কিন্ত নয়তো
হৃদ মাঝারে বেড়ে
ওঠা মহাপ্রাচীরও
হার মানবে হয়তো!

মুখোশের আড়ালে আরেক পৃথিবী

চারদিকে কুকুর গুলো
হাড্ডি নিয়ে করছে
টানাটানি।
শত ঘ্যানঘ্যানানি নিয়ে
মহা ব্যস্ততার খনি।

আবার ওরাই সাজে
মহাযজ্ঞের সারথি
যেন রাজাধিরাজ
পৃথিবীর  পতি!!

কংক্রিট মন

ইট কাঠ বালি আর পাথর
রঙিন দেয়ালঘেরা বাহারিয়া
রঙ সঙ্গে পোড়া কালো
পিচের আবরণ হয়তো
ঢেকে দিয়েছে হৃদয়ের নরম
কুসুম কোমল আবরণ!
আর এজন্যই তো সবাই
এখন কংক্রিটের মতন!

শেকড়ে 🔁 শিখরে

শেকড় থেকে শিখরে যেতে কত পরিশ্রম ত্যাগ ও সাধনার প্রয়োজন হয় যারা শেকড় থেকে শিখরে গেছেন একমাত্র তাঁরাই জানেন( যার যার অবস্থান অনুযায়ী) ! আবার শিখর থেকে যখন শেকড়ে নেমে আসতে হয় কোন মনুষ্যত্বহীন হিংসুকের কারণে তখন জীবন্মৃত অবস্থার সৃষ্টি হয় তা অনেকের কাছেই খুব পরিচিত একটা বিষয়।

তথাপি আপনি যদি একনিষ্ঠ চিত্তে সৎপন্থায় ধৈর্যের সাথে লক্ষ্যবস্তুুর দিকে সাহস নিয়ে এগিয়ে যান তবে শিখরে না পৌঁছাতে পারলেও কিছু একটা অবশ্যই পেয়ে যাবেন এটা নিশ্চিত।

আর ঐ খড়কুটা ধরে আবার শিখরে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিলে মোটামুটি কিছু একটা পাওয়ার আশা করাই যায়।

বৃষ্টিভেজা দিনগুলো

বৃষ্টিভেজা দিনগুলো
🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃

বৃষ্টি  প্রেম আর প্রিয়া
একত্রে মিলিলে সৃষ্ট হতো
ত্রিকোণ ধারায় মধুপ প্রেমলীলা
বৃষ্টির সাথে মায়াবী দৃষ্টি
হৃদয়স্পর্শী হয়ে ছুঁইত বারংবার
দুপুর বেলার বৃষ্টিজল হৃদয়
খুশিতে উথলে উঠতেই নামিত
প্রেমানন্দের মন ভেজানো জল।

জীবন যুদ্ধের প্রতীকী প্রকাশ

তরতাজা ও তরুণ বৃক্ষটি মাঝখান হতে কেটে দিয়েছিলো মনুষ্যত্বহীন হিংসুকেরা! আল্লাহর ইচ্ছায় বৃক্ষটি প্রতিকূলতা কে উপেক্ষা করে এবং পরিস্থিতিকে মানিয়ে নিয়ে বাঁচার জন্য পুনরায় পত্রশোভিত হয়ে উঠছে!!!