আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে কত কিছুই। এর মধ্যে অনেক কিছুকেই পাশ কাটিয়ে চলতে হয় আমাদের জীবনের স্বাভাবিক নিয়মে। তবে এমন কিছু বিষয় আছে যা আমরা নিজের অজান্তেই চোখ খোলা রেখে দিব্যি চালিয়ে নিচ্ছি প্রচলিত সংস্কৃতির মতন। কিন্তু আসলেই কি তাই?
চলুন দেখে আসি আমাদের নব্য কৃত্রিম সংস্কৃতির সংস্করণঃ- আপনারা চলতে ফিরতে দেখে থাকবেন হয়তো, অনেক মোটরযান আরোহী বিশেষত মোটরসাইকেল আরোহীরা দ্রুততার সাথে দোকানির সামনে এসে বলে উঠেন উমুক জিনিসটা দেনতো।খুব তাড়া আছে, ইতিমধ্যে তিনি মোটরবাইকের উপরেই অবস্থান নেন এবং বলেন জিনিসটা আমায় দিয়ে যান। বিষয়টা সবার বিবেচনায় কেমন মনে হবে আমি তা জানিনা। তবে এইটুকু বলতেই পারি আপাত দৃষ্টিতে কারও কাছেই বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। একজন দোকানি যে জিনিসপত্রেরই বিকিকিনি করুক না কেন সে একজন দোকানদার, সেই সাথে তিনি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকও বটে।
প্রতীকি অর্থে বলতে চেয়েছি সংস্কৃতির সংস্করণ। কিন্তু আসলেই কি তাই? আমাদের প্রতিদিনের জীবনের ব্যস্ততার মাঝে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ব্যস্ততার অজুহাতে এমন অচরণ করে চলেছি প্রতিনিয়ত যা আমাদের ব্যক্তি সত্তার উপর নিরবে আঘাত হানছে।
একবার ভেবে দেখুনতো, দোকানির জায়গায় আপনি থাকলে আপনার কি মনে হতো? আপনি কখনো হয়তো ভেবেই দেখেননি আপনার অজান্তেই কি করে চলেছেন প্রতিটা মূহুর্তে!
আমাদের প্রতিদিনের যাপিত জীবনে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই উভয়ের ব্যক্তিসত্তা বজায় রেখে চলতে পারে অবিরাম।
বিকৃত মনষ্কের ন্যাক্কারজনক আচরণের কারণে আমরা আমাদের কৃষ্টিকালচার তথা সম্প্রীতির সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি যা কারো কাছেই কাম্য নয়।
No comments:
Post a Comment