Wednesday, January 9, 2019

স্কুলে টিফিন


টিফিনের পঁয়সা বাঁচিয়ে তোমায় কিনে দেওয়া সেই রুমাল, গানটি শুনতে শুনতে হঠাৎই মনে হলো আমাদের বিশেষত গ্রাম আঞ্চলের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কথা। আমাদের এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে প্রায় ছয়(৬) থেকে সাত(৭) ঘন্টা আবস্থান করে। এই সময়ের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী দুপুরের খাবার গ্রহনের সুযোগ পাই না। না খেয়ে তারা ক্লাসে আবস্থান করে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনেকেই নিম্নবিত্ত পরিবারের। তাদের পিতামাতারা সংসারের টানাপোড়েনে হয়ত ভ্রুক্ষেপই করে না তাদের সন্তান দিনের একটা বড় অংশ না খেয়ে থাকছে।

এতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শারীরিক ভাবে কতটুকু সবলতা নিয়ে বেড়ে উঠছে তা ভাবনার বিষয় নয় কি? শ্রদ্ধাশীল সম্মানিত সকল শিক্ষকবৃন্দের প্রতি আমার আকুল আবেদন বিষয়টি একটু ভেবে দেখবেন। আপনাদের একটুখানি সচেতন মূলক আচরণ শিক্ষার্থীদের দুপুরে খাবার গ্রহনের  ব্যাপারে উৎসাহ তৈরি করতে পারে। আপনারা শিশু মনের মধ্যে বিষয়টি প্রবেশের জন্য তাদেরকে ইতিবাচকভাবে বলুন যেন তারা নিজে থেকেই দুপুরে খাবার গ্রহণে আগ্রহী হয়ে উঠে। আনেক শিক্ষার্থীই মনে করে ভালো খাবার ছাড়া টিফিন কেমনে নিয়ে আসব? এই বিষয়ের প্রতি একটু আলোকপাত করে বললে ভালোই হবে বৈকি।  লেখাটা হয়তোবা কারো প্রয়োজনে আসতে পারে ভেবেই লিখলাম। জানিনা আদৌও কারও দৃষ্টিগোচর হবে কিনা? তবে সকলের প্রতি অনুরোধ রইল  ভেবে দেখবেন, এইটুকু আশা করতেই পারি।

No comments:

Post a Comment