পৃথিবীর খুব অল্পসংখ্যক স্বামী স্ত্রী এমন সৌভাগ্যের মৃত্যুর দ্বারা একে অপর কে আলিঙ্গনের মাধ্যমে ওপারে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যান ।
ভালাবাসা আর ক্রাশ খাওয়া উভয়ই বিপরীত আচরণ। এর একটি হলো আত্মিক আর অন্যটি সাময়িক দৃষ্টিভ্রম। আত্মার আত্মীয়ে পরিণত হওয়া যায় এমন সম্পর্ক তৈরীর জন্য অন্বেষণ করা প্রয়োজন।
যাই হোক, এই পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার অনেক নিদর্শনের অনেক ইতিহাস ইতিপূর্বে আমরা জেনেছি।আজ ভালোবাসার নিদর্শন নিয়ে কথা বলবো না। আজ আপনাদের সামনে ভালোবাসা আর সত্য ভালোবাসা এই নিয়ে আলোচনা করার চেস্টা করব।
বাড়ন্ত জীবনের বিভিন্ন ধাপে হঠাৎই আমাদের অনেক কিছুই ভালোলাগায়, তবে তার স্থায়িত্ব কতদিন বা এই ভালোলাগা হৃদয় থেকে না চোখের দৃষ্টির সীমানায় ক্ষনিকের আকর্ষণ মাএ। প্রায়শই আমরা তা বিচার বিশ্লেষণ করি না। আবার ভালোবাসা যদি হয় আপনার বিপর্যস্ত জীবন কে অন্য পথে পরিচালনার হাতিয়ার, তখন আপনি এই ভালোবাসাকে কি নামে আক্ষ্যায়িত করবেন? আবার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যখন আপনার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মন কাউকে মিথ্যা ভালোবাসায় জড়িয়ে ধরে তখনও আপনি তাকে ভালোবাসা নামে পরিচিত করাবেন? শুধু আমিই প্রথম এটা নিয়ে কথা বলছি তা আমি মনে করি না! সকলের কাছে উপরোক্ত প্রশ্নগুলো ইতিমধ্যে কাটখোট্টা মনে হতে পারে। কিন্তু ভেবে দেখুনতো স্বার্থ সংশ্লিষ্ট,সময় ভিত্তিক এবং চোখের দেখায় ভালোলাগা কি সত্য ভালোবাসা হতে পারে।এমন ভালোবাসা দুটো হাতকে বহুদিন ধরে বহুদূরের চলার পথকে সুগম করতে পারে? অবশ্যই পারে না। যদি তাই হয় তবে আমরা কেন বলবো ভালোবাসা কখনও মরে না। বরং এভাবে বলাই ভালো সত্য তথা আত্মিক ভালোবাসা কখনোই মরে না। জীবনের শেষ যাত্রাতেও একে অপরের নিঃসঙ্গতা দূরে সঙ্গী হয় দু'জন দুজনের।
অপরদিকে মিথ্যা ভালোবাসা আপনাকে জীবন্ত মানুষের কাতারে রাখবে ঠিকই। কিন্তু এমন এক অবস্থায় রাখবে যেখানে আপনি না পারবেন বাঁচতে না পারবেন মরতে। ঠিক যেন জীবন মৃত্যুর মাঝখানে! তখন এমন ভালোবাসাকে মিথ্যা ভালোবাসা না বলে আমি অন্যকিছু বলতে পারিনা।
আজকের আলোচনা ছিল ভালোবাসা কখনো মরে না।এই কথায় আমি বিশ্বাস করলাম না বলে আপনারা হয়তো বলতে পারেন যে,আপনি কারো দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন। তা কিন্তু নয়? আপনার জ্ঞাতার্থে আবারও বলছি সত্য ভালোবাসা কখনো কোনদিনই মরে না সদাজাগ্রত থাকে অন্ততকাল ধরে। ছোট্ট এই বিশেষণ (সত্য) যোগ করে ভালোবাসাকে পরিশুদ্ধভাবে উপস্থাপন করাই উচিত বললেও খুব একটা দোষের কিছু হবে না, আশাকরি। ভালোবেসে একসাথে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া শুধু তাই নয় একইসাথে প্রাণের স্পন্দন স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য আমাদের কয়জনের হয়।আর সন্দেহাতীতভাবে এমন ভালোবাসাকে আত্মার অস্তিত্বের সাথে তুলনা করা যায়। আত্মার পরম শূন্যতায় শুধুমাত্র সত্য ভালোবাসা পরম পরিপূর্ণতায় উদয়াস্ত পর্যন্ত উদ্ভাসিত হতে পারে।
It's true that, True love never dies.
Wednesday, January 30, 2019
Monday, January 28, 2019
ক্রেতার অদ্ভুত আচরণ
আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে কত কিছুই। এর মধ্যে অনেক কিছুকেই পাশ কাটিয়ে চলতে হয় আমাদের জীবনের স্বাভাবিক নিয়মে। তবে এমন কিছু বিষয় আছে যা আমরা নিজের অজান্তেই চোখ খোলা রেখে দিব্যি চালিয়ে নিচ্ছি প্রচলিত সংস্কৃতির মতন। কিন্তু আসলেই কি তাই?
চলুন দেখে আসি আমাদের নব্য কৃত্রিম সংস্কৃতির সংস্করণঃ- আপনারা চলতে ফিরতে দেখে থাকবেন হয়তো, অনেক মোটরযান আরোহী বিশেষত মোটরসাইকেল আরোহীরা দ্রুততার সাথে দোকানির সামনে এসে বলে উঠেন উমুক জিনিসটা দেনতো।খুব তাড়া আছে, ইতিমধ্যে তিনি মোটরবাইকের উপরেই অবস্থান নেন এবং বলেন জিনিসটা আমায় দিয়ে যান। বিষয়টা সবার বিবেচনায় কেমন মনে হবে আমি তা জানিনা। তবে এইটুকু বলতেই পারি আপাত দৃষ্টিতে কারও কাছেই বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। একজন দোকানি যে জিনিসপত্রেরই বিকিকিনি করুক না কেন সে একজন দোকানদার, সেই সাথে তিনি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকও বটে।
প্রতীকি অর্থে বলতে চেয়েছি সংস্কৃতির সংস্করণ। কিন্তু আসলেই কি তাই? আমাদের প্রতিদিনের জীবনের ব্যস্ততার মাঝে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ব্যস্ততার অজুহাতে এমন অচরণ করে চলেছি প্রতিনিয়ত যা আমাদের ব্যক্তি সত্তার উপর নিরবে আঘাত হানছে।
একবার ভেবে দেখুনতো, দোকানির জায়গায় আপনি থাকলে আপনার কি মনে হতো? আপনি কখনো হয়তো ভেবেই দেখেননি আপনার অজান্তেই কি করে চলেছেন প্রতিটা মূহুর্তে!
আমাদের প্রতিদিনের যাপিত জীবনে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই উভয়ের ব্যক্তিসত্তা বজায় রেখে চলতে পারে অবিরাম।
বিকৃত মনষ্কের ন্যাক্কারজনক আচরণের কারণে আমরা আমাদের কৃষ্টিকালচার তথা সম্প্রীতির সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি যা কারো কাছেই কাম্য নয়।
চলুন দেখে আসি আমাদের নব্য কৃত্রিম সংস্কৃতির সংস্করণঃ- আপনারা চলতে ফিরতে দেখে থাকবেন হয়তো, অনেক মোটরযান আরোহী বিশেষত মোটরসাইকেল আরোহীরা দ্রুততার সাথে দোকানির সামনে এসে বলে উঠেন উমুক জিনিসটা দেনতো।খুব তাড়া আছে, ইতিমধ্যে তিনি মোটরবাইকের উপরেই অবস্থান নেন এবং বলেন জিনিসটা আমায় দিয়ে যান। বিষয়টা সবার বিবেচনায় কেমন মনে হবে আমি তা জানিনা। তবে এইটুকু বলতেই পারি আপাত দৃষ্টিতে কারও কাছেই বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। একজন দোকানি যে জিনিসপত্রেরই বিকিকিনি করুক না কেন সে একজন দোকানদার, সেই সাথে তিনি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকও বটে।
প্রতীকি অর্থে বলতে চেয়েছি সংস্কৃতির সংস্করণ। কিন্তু আসলেই কি তাই? আমাদের প্রতিদিনের জীবনের ব্যস্ততার মাঝে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ব্যস্ততার অজুহাতে এমন অচরণ করে চলেছি প্রতিনিয়ত যা আমাদের ব্যক্তি সত্তার উপর নিরবে আঘাত হানছে।
একবার ভেবে দেখুনতো, দোকানির জায়গায় আপনি থাকলে আপনার কি মনে হতো? আপনি কখনো হয়তো ভেবেই দেখেননি আপনার অজান্তেই কি করে চলেছেন প্রতিটা মূহুর্তে!
আমাদের প্রতিদিনের যাপিত জীবনে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই উভয়ের ব্যক্তিসত্তা বজায় রেখে চলতে পারে অবিরাম।
বিকৃত মনষ্কের ন্যাক্কারজনক আচরণের কারণে আমরা আমাদের কৃষ্টিকালচার তথা সম্প্রীতির সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি যা কারো কাছেই কাম্য নয়।
Sunday, January 20, 2019
পুঁজিবাদ
পুঁজিবাদী ও ঋণগ্রস্ত আর্থ- সামাজিক ব্যবস্থার দৌরাত্ম্যে আর কতদিন বন্দী থাকবে সমাজ। সম্পদের অসম বন্টনের ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো যাকাত ব্যবস্থার পরিপূর্ণ অনুশীলন। সম্পদের সু-সম বন্টন সুনিশ্চিত করতে না পারলে মানবিক বিপর্যয় চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। মানবিক বিপর্যয় হতে দেশ তথা পুরো বিশ্বকে রক্ষার একমাত্র উপায় হলো সম্পদের সুসম বন্টন সুনিশ্চিত করা।
বিশ্ব বিবেক আজ আনেক ক্ষেত্রেই বিপর্যস্ত এর মধ্যে অন্যতম পুঁজিবাদ। এখনই উপযুক্ত সময় সম্পদের সু-সম বন্টন নিশ্চিত করে বিশ্ববাসীকে চরম মানবিক বিপর্যয়ের বেড়াজাল থেকে রক্ষা করা।
বিশ্ব বিবেক আজ আনেক ক্ষেত্রেই বিপর্যস্ত এর মধ্যে অন্যতম পুঁজিবাদ। এখনই উপযুক্ত সময় সম্পদের সু-সম বন্টন নিশ্চিত করে বিশ্ববাসীকে চরম মানবিক বিপর্যয়ের বেড়াজাল থেকে রক্ষা করা।
Saturday, January 19, 2019
আমার যতো ভাবনা
আমার ভাবনা।।।।
.......মূল্যবোধ........
আমাদের সমাজে মূল্যবোধের বর্তমান অবস্থান কোন স্তরে অবস্থান করছে তা নাই বা বলি। আমাদের সমাজে মূল্যবোধের জায়গাটিকে সুদৃঢ় করতে, শিক্ষা অঙ্গনের প্রচলিত পাঠ্য বইয়ের সাথে মূল্যবোধের উপর কোন পাঠ্যবই সংযোজন বা অন্য কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা যায় কি না, বিচার বিশ্লেষণ করে দেখবেন। আপনাদের সবার তথা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করিছ, আশা করি বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে ভেবে দেখবেন?
আমার খুব বেশি জ্ঞান নাই যে, আমি মূল্যবোধ সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা দিতে পারব। কারন মূল্যবোধ শব্দটিতে ব্যবহৃত বর্ণ গুলোর বিশদ ব্যাখ্যা প্রদান বেশ কঠিন। তাই সহজ কথায় আমরা আমাদের আচার আচরণে কৃষ্টি কালচারে সর্বজন স্বীকৃত রুপটি ধারণ করতে পারলেই হলো।
আমার খুব মনে পড়ে সেই সময়ের কথা যখন আমরা বড় হচ্ছি। তখন রাস্তা ঘাটে স্কুলে কলেজে যার সঙ্গেই দেখা হত সম্পর্ক আনুসারে তাকে সম্মানিত করা হত বিনম্রভাবে।
খুব অল্প সময়ে আমরা কেমন যেন হয়েগেছি! যে বিশ্বাস, আদর্শ নিয়ে বেড়ে উঠা এখন তার উল্টো পথেই ধাবমান আমাদের বর্তমান প্রজন্ম। এভাবেই চলতে থাকলে আগামী প্রজন্ম কোন পথে যাবে তা আমার জানা নেই। বিভ্রান্তিকর পথে দিশেহারা হয়ে কোন চেতনায় বেড়ে উঠবে জাতি? বিকৃত মস্তিস্ক উড়নচন্ডী চিন্তাভাবনা জাতির জন্য অন্ধকার ডেকে আনবে অদূর ভবিষ্যতে।
তাই বলছি এখনই আমাদের সোচ্চারকণ্ঠী হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। জাতি হিসেবে আমাদের সুনাম রয়েছে অনেক। আর এই সুনামের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই মূলধারায় ফিরে আসা ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। যেকোনো উপায়ে মূল্যবোধকে জাগ্রত করতেই হবে। কারন মূল্যবোধহীন জাতি কোনদিনই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না।
.......মূল্যবোধ........
আমাদের সমাজে মূল্যবোধের বর্তমান অবস্থান কোন স্তরে অবস্থান করছে তা নাই বা বলি। আমাদের সমাজে মূল্যবোধের জায়গাটিকে সুদৃঢ় করতে, শিক্ষা অঙ্গনের প্রচলিত পাঠ্য বইয়ের সাথে মূল্যবোধের উপর কোন পাঠ্যবই সংযোজন বা অন্য কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা যায় কি না, বিচার বিশ্লেষণ করে দেখবেন। আপনাদের সবার তথা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করিছ, আশা করি বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে ভেবে দেখবেন?
আমার খুব বেশি জ্ঞান নাই যে, আমি মূল্যবোধ সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা দিতে পারব। কারন মূল্যবোধ শব্দটিতে ব্যবহৃত বর্ণ গুলোর বিশদ ব্যাখ্যা প্রদান বেশ কঠিন। তাই সহজ কথায় আমরা আমাদের আচার আচরণে কৃষ্টি কালচারে সর্বজন স্বীকৃত রুপটি ধারণ করতে পারলেই হলো।
আমার খুব মনে পড়ে সেই সময়ের কথা যখন আমরা বড় হচ্ছি। তখন রাস্তা ঘাটে স্কুলে কলেজে যার সঙ্গেই দেখা হত সম্পর্ক আনুসারে তাকে সম্মানিত করা হত বিনম্রভাবে।
খুব অল্প সময়ে আমরা কেমন যেন হয়েগেছি! যে বিশ্বাস, আদর্শ নিয়ে বেড়ে উঠা এখন তার উল্টো পথেই ধাবমান আমাদের বর্তমান প্রজন্ম। এভাবেই চলতে থাকলে আগামী প্রজন্ম কোন পথে যাবে তা আমার জানা নেই। বিভ্রান্তিকর পথে দিশেহারা হয়ে কোন চেতনায় বেড়ে উঠবে জাতি? বিকৃত মস্তিস্ক উড়নচন্ডী চিন্তাভাবনা জাতির জন্য অন্ধকার ডেকে আনবে অদূর ভবিষ্যতে।
তাই বলছি এখনই আমাদের সোচ্চারকণ্ঠী হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। জাতি হিসেবে আমাদের সুনাম রয়েছে অনেক। আর এই সুনামের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই মূলধারায় ফিরে আসা ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। যেকোনো উপায়ে মূল্যবোধকে জাগ্রত করতেই হবে। কারন মূল্যবোধহীন জাতি কোনদিনই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না।
Friday, January 18, 2019
মজদুরের মজুরি
আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে বঞ্চনার নানান কাহিনী। পুঁজিবাদের দৌরাত্ম্যে আজও বন্দী আমাদের সমাজের শ্রমজীবীরা।
যাই হোক এবার মূল আলোচনায় ফিরে আসি, আপনারা লক্ষ্য করে থাকেন যে, গ্রামে ও শহরে বড় বড় দোকানগুলোতে দোকানির সহায়ক হিসেবে একজন বা দু'জন অল্পবয়সী শিশু কিশোরেরা কর্মব্যস্ত দিনভর। এই শিশু কিশোররা খুব সকালে এসে গন্তব্যে ফিরে রাত ৯ টা কিংবা ১০ টায়। এরা অনেকেই বিরতিহীনভাবে কাজ করে। ওরা তাদের বয়সের তুলনায় বেশি ওজন মাথায় বহন করে। দোকানিরা কখনো এদের একবেলা, আবার কখনো দু'বেলা খেতে দেন। তবে অধিকাংশই একবেলা খাবার পেয়ে থাকে। আপনি জেনে আশ্চর্য হয়ে যাবেন দিন শেষে বা মাস শেষে ওরা কত টাকা পারিশ্রমিক পায়! পূর্ণবয়স্ক একজন শ্রমিকের মত কাজ করে তারা। কিন্তু মজুরীর পাই নামে মাত্র, দুই থেকে তিন হাজার টাকা।
যান্ত্রিক বিশ্বদর্শনের কাছে এগুলো নিয়ে ভাববার সময় নেই হয়তো কারো কাছেই। তবুও অবচেতন মনে, কেন জানিনা এইসব কথা ঘুরপাক খেতে থাকে। কেন এই শোষণ বঞ্চনা? আর কতদিন এভাবে তারা শোষিত হবে! বিষয়টা জাতির জন্য মোটেও সুখকর হবে না।বরং এভাবে চলতে থাকলে পিছিয়ে পড়বে জাতির একটা বড় অংশ। বৈষম্য বাড়বে ধনী গরীবের।
নিন্মবিত্তকে এই বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে না পারলে সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। উন্নত জাতির তালিকায় আদৌও পৌঁছাতে পারবো কি আমরা? এমন অনেক প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ জাতির উন্নয়নের জন্য কেউ এগিয়ে আসবেনা? তবে কি আমরা কখনোই উন্নত জাতির তালিকায় স্থান পাবোনা?
যাই হোক এবার মূল আলোচনায় ফিরে আসি, আপনারা লক্ষ্য করে থাকেন যে, গ্রামে ও শহরে বড় বড় দোকানগুলোতে দোকানির সহায়ক হিসেবে একজন বা দু'জন অল্পবয়সী শিশু কিশোরেরা কর্মব্যস্ত দিনভর। এই শিশু কিশোররা খুব সকালে এসে গন্তব্যে ফিরে রাত ৯ টা কিংবা ১০ টায়। এরা অনেকেই বিরতিহীনভাবে কাজ করে। ওরা তাদের বয়সের তুলনায় বেশি ওজন মাথায় বহন করে। দোকানিরা কখনো এদের একবেলা, আবার কখনো দু'বেলা খেতে দেন। তবে অধিকাংশই একবেলা খাবার পেয়ে থাকে। আপনি জেনে আশ্চর্য হয়ে যাবেন দিন শেষে বা মাস শেষে ওরা কত টাকা পারিশ্রমিক পায়! পূর্ণবয়স্ক একজন শ্রমিকের মত কাজ করে তারা। কিন্তু মজুরীর পাই নামে মাত্র, দুই থেকে তিন হাজার টাকা।
যান্ত্রিক বিশ্বদর্শনের কাছে এগুলো নিয়ে ভাববার সময় নেই হয়তো কারো কাছেই। তবুও অবচেতন মনে, কেন জানিনা এইসব কথা ঘুরপাক খেতে থাকে। কেন এই শোষণ বঞ্চনা? আর কতদিন এভাবে তারা শোষিত হবে! বিষয়টা জাতির জন্য মোটেও সুখকর হবে না।বরং এভাবে চলতে থাকলে পিছিয়ে পড়বে জাতির একটা বড় অংশ। বৈষম্য বাড়বে ধনী গরীবের।
নিন্মবিত্তকে এই বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে না পারলে সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। উন্নত জাতির তালিকায় আদৌও পৌঁছাতে পারবো কি আমরা? এমন অনেক প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ জাতির উন্নয়নের জন্য কেউ এগিয়ে আসবেনা? তবে কি আমরা কখনোই উন্নত জাতির তালিকায় স্থান পাবোনা?
ক্যাপসুল
বাচ্চাদের জীবনদায়ি বিষয়টা নিয়েও আপনাদের প্রাণঘাতী সিদ্ধান্ত, বড়ই আশচর্য! অর্থে বিক্রিত মানবতার কাছে সম্পদ সম সন্তান সম্পর্কও যেন তুচ্ছতাচ্ছিল্য।
সন্তান আপনার সিদ্ধান্তও আপনার! আপনি, আমি আমরা সবাই সুস্থ সবলচিত্ত সম্পন্ন সন্তান মনে প্রাণে কামনা করি এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তবে এই আমরাই কেমন করে পারলাম পুরো এক প্রজন্মের মুখে ঔষধরুপী বিষ তুলে দিতে? সকল আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার আগেই ঘটে বুদ্ধি আসলো আর পকেটও ভর্তি হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হল।
সত্যি অবাক লাগে যখন দেখি প্রাণীকূল তার ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষার নিমিত্তে আপ্রাণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে আদিকাল হতেই। প্রাণীর মধ্যে অন্যতম একটা প্রাণী হলো মানুষ। প্রাণ আছে তাই প্রাণীই বললাম
আমি। এই প্রজাতির প্রাণের উদ্ভব হয়েছে সৃষ্টির কিছু কাল পরেই। আর বর্তমানে এই প্রজাতির প্রাণী এতটাই উৎকর্ষীত হয়েছে যে, যারা নিজেই নিজের মতো করে ধংস্ব করছে তার আগামী প্রজন্ম। বিক্রি করেছেন সততা, বিশ্বাস ভেঙ্গেছেন আপনার সন্তানের, বিষ তুলে দিতে হয়েছেন উদ্ধত বিনিময়ে পকেট করেছেন ভার।
সত্যি আজ কেন যেন প্রাণীদের পক্ষ নিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে মনুষ্য প্রজাতি সৃষ্টি করেছে যত অাকাল অবিচার!
সন্তান আপনার সিদ্ধান্তও আপনার! আপনি, আমি আমরা সবাই সুস্থ সবলচিত্ত সম্পন্ন সন্তান মনে প্রাণে কামনা করি এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তবে এই আমরাই কেমন করে পারলাম পুরো এক প্রজন্মের মুখে ঔষধরুপী বিষ তুলে দিতে? সকল আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার আগেই ঘটে বুদ্ধি আসলো আর পকেটও ভর্তি হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হল।
সত্যি অবাক লাগে যখন দেখি প্রাণীকূল তার ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষার নিমিত্তে আপ্রাণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে আদিকাল হতেই। প্রাণীর মধ্যে অন্যতম একটা প্রাণী হলো মানুষ। প্রাণ আছে তাই প্রাণীই বললাম
আমি। এই প্রজাতির প্রাণের উদ্ভব হয়েছে সৃষ্টির কিছু কাল পরেই। আর বর্তমানে এই প্রজাতির প্রাণী এতটাই উৎকর্ষীত হয়েছে যে, যারা নিজেই নিজের মতো করে ধংস্ব করছে তার আগামী প্রজন্ম। বিক্রি করেছেন সততা, বিশ্বাস ভেঙ্গেছেন আপনার সন্তানের, বিষ তুলে দিতে হয়েছেন উদ্ধত বিনিময়ে পকেট করেছেন ভার।
সত্যি আজ কেন যেন প্রাণীদের পক্ষ নিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে মনুষ্য প্রজাতি সৃষ্টি করেছে যত অাকাল অবিচার!
Sunday, January 13, 2019
Saturday, January 12, 2019
একাকীত্বের সঙ্গী যখন " শব্দ"
একাকীত্বের মাঝে হাবুডুবু খাওয়ার চেয়ে দু'টি শব্দ লিখে হলেও নিজেই নিজেকে সময় দেওয়া শ্রেয়।
Wednesday, January 9, 2019
আচরণ
আমি কারো জায়গা বা কারো স্থান বা আবস্থান কোন কিছুকেই ছুতে বা ধরতে আসিনি। য়ারা বয়সে ছোট, এই দিকটা তুলে ধরলে তারা য়দি নিজেই নিজেদের আপমানিত মনে করে তবে একবার ভেবে দেখি আমাদের শিক্ষার, মূল্যবোধের আবস্থানের দিক দিয়ে আমরা কোথায় আবস্থান করছি, প্রশ্ন রইল? আমরা য়দি স্থান, কাল,পাত্র ইত্যাদি ভেবে নিজেদর আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে না শিখি বা না শিখায় তবে আমাদের
প্রজন্ম কোন দিকে অবস্থান করছে, আর এভাবেই চলতে থাকলে আমরা কোথায় যাব ভেবে দেখবেন? আর একটু বলছি এটা আমিও ভাবি যে আমার কাছে আমি সেরা, তবে এটাও ভেবে দেখা উচিত এই ধরনের চিন্তার বহিঃপ্রকাশ কারো মনে কি ধরনের প্রভাব ফেলছে এবং অবশ্যই এটাও মনে রাখা উচিত নিজেই নিজেকে কত বড় বা কত কি ভাবা উচিত, কারন একটাই কোন কিছুই দীঘস্থায়ী নয়, ভেবে দেখবেন আশাকরি।
প্রজন্ম কোন দিকে অবস্থান করছে, আর এভাবেই চলতে থাকলে আমরা কোথায় যাব ভেবে দেখবেন? আর একটু বলছি এটা আমিও ভাবি যে আমার কাছে আমি সেরা, তবে এটাও ভেবে দেখা উচিত এই ধরনের চিন্তার বহিঃপ্রকাশ কারো মনে কি ধরনের প্রভাব ফেলছে এবং অবশ্যই এটাও মনে রাখা উচিত নিজেই নিজেকে কত বড় বা কত কি ভাবা উচিত, কারন একটাই কোন কিছুই দীঘস্থায়ী নয়, ভেবে দেখবেন আশাকরি।
সম্ভ্রম
আমাদের মূল্যবোধের নিন্মমুখীতা , না কী সময়ের পরিবর্তনের সাথে না বুঝেই গা ভাসিয়ে দেওয়ার প্রবনতা, না কোন নিয়ামকের প্রভাবে পড়ে আমরা বিলিয়ে দিচ্ছি নিজের অস্তিত্বকে? প্রশ্ন রইল! আপনাদের মতামত চাই..........
নিকৃষ্ট বিশ্লেষণ
আমার যতো ভাবনা, তার একটি আজ বলবো। মানুষ হিসেবে আমাদের আবিষ্কার...
সময়ের প্ররিক্রমায় মানবজাতি আজ সবদিকেই এগিয়ে চলেছে সমান তালে। প্রতিদিনই আবিষ্কার হচ্ছে নানান কিছু যা মানুষের জীবনযাত্রাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে দূরবার গতিতে। সময়ের হাত ধরে মানুষ আবিষ্কার করতে বা পরিমাপ করতে শিখেছে, সৃষ্টির সেরা মানুষের সবচেয়ে নিকৃষ্ট অঙ্গ, অথাৎ যৌন অঙ্গ। এর গভীরতা কতটুকুই, কতখানি দীর্ঘ , কতখানি চওড়া বা দেখতে কেমন ইত্যাদি।
এই বিষয় গুলো নিয়ে অনেক গবেষণা হয়, আদর্শ মান নির্ধারণ করা হয়,আরও কত কী! অপরদিকে আজও আমরা মানুষের মন এবং মূল্যবোধ কে জানার বা পরিমাপ করার চেস্টা খুব সহজে করতে চাই না। যে, কারো মনের গভীরতা কত বা কারুর মনের ভেতরের ক্ষত স্থানের গভীরতা কত যা পরিমাপ করে আচরণের মধ্যে ভিন্নতা আনা উচিত, তা সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি আজও মনে হয় অাত্তস্থ করতে পারেনি। অন্য বিষয়গুলো যেমন প্রচেষ্টার মাধ্যমে জানতে উদগ্রীব হয়। আর এক্ষেত্রে অর্থাৎ মন বা অাত্তা কে জানার চেস্টা ততটাই কম যা কিনা মানুষকে করেছে শ্রেষ্ট।
সময়ের প্ররিক্রমায় মানবজাতি আজ সবদিকেই এগিয়ে চলেছে সমান তালে। প্রতিদিনই আবিষ্কার হচ্ছে নানান কিছু যা মানুষের জীবনযাত্রাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে দূরবার গতিতে। সময়ের হাত ধরে মানুষ আবিষ্কার করতে বা পরিমাপ করতে শিখেছে, সৃষ্টির সেরা মানুষের সবচেয়ে নিকৃষ্ট অঙ্গ, অথাৎ যৌন অঙ্গ। এর গভীরতা কতটুকুই, কতখানি দীর্ঘ , কতখানি চওড়া বা দেখতে কেমন ইত্যাদি।
এই বিষয় গুলো নিয়ে অনেক গবেষণা হয়, আদর্শ মান নির্ধারণ করা হয়,আরও কত কী! অপরদিকে আজও আমরা মানুষের মন এবং মূল্যবোধ কে জানার বা পরিমাপ করার চেস্টা খুব সহজে করতে চাই না। যে, কারো মনের গভীরতা কত বা কারুর মনের ভেতরের ক্ষত স্থানের গভীরতা কত যা পরিমাপ করে আচরণের মধ্যে ভিন্নতা আনা উচিত, তা সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি আজও মনে হয় অাত্তস্থ করতে পারেনি। অন্য বিষয়গুলো যেমন প্রচেষ্টার মাধ্যমে জানতে উদগ্রীব হয়। আর এক্ষেত্রে অর্থাৎ মন বা অাত্তা কে জানার চেস্টা ততটাই কম যা কিনা মানুষকে করেছে শ্রেষ্ট।
স্থানিক ত্রুটি
নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি...... ও.....আমার ভাবনা
আমরা প্রায়শই লক্ষ্য করি য়ে বিভিন্ন স্থানভেদে আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি নেতিবাচক যা খুব স্বভাবতই বা স্বভাবগত ধারণা থেকে মনের মধ্যে জায়গা করে নেই। কিন্ত একই জায়গায় বিভিন্ন ধরনের, বিভিন্ন বিশ্বাসের, বিভিন্ন মতের মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে উঠা বসা বা চলাফেরা করতে পারে। তাই বলেই কি সবাইকে আমরা একই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখব,প্রশ্ন রইল আপনাদের কাছে? এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমরা একটুখানি বের হয়ে আসলে খুব সমস্যা হবে কি? স্থানিক ত্রুটি না দেখে ত্রুটিযুক্ত বিয়ষ বা ব্যক্তিক ত্রুটি গুলো কিভাবে ত্রুটি মুক্ত করা যায় তা ভেবে দেখা উচিত, তাই নয় কি। ঠিক একই ভাবে আমরা আমাদের প্রয়োজনেই একই স্থানে বিভিন্ন বয়সের,বিভিন্ন মতের ও বিশ্বাসের মানুষের সাথে চলাফেরা করি। তাই আমাদের উচিত সব বয়সের, সব মতের ও সকল বিশ্বাসের মানুষকে তার অবস্থান বিচার করে সে যেমন আচরণ পাওয়ার অধিকার রাখে বা যেমন আচরণ প্রদর্শন করা উচিত, য়া সে আশা করে তার আবস্থান থেকে, ঠিক সেরকমটাই করা উচিত নয় কি?
আমরা প্রায়শই লক্ষ্য করি য়ে বিভিন্ন স্থানভেদে আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি নেতিবাচক যা খুব স্বভাবতই বা স্বভাবগত ধারণা থেকে মনের মধ্যে জায়গা করে নেই। কিন্ত একই জায়গায় বিভিন্ন ধরনের, বিভিন্ন বিশ্বাসের, বিভিন্ন মতের মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে উঠা বসা বা চলাফেরা করতে পারে। তাই বলেই কি সবাইকে আমরা একই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখব,প্রশ্ন রইল আপনাদের কাছে? এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমরা একটুখানি বের হয়ে আসলে খুব সমস্যা হবে কি? স্থানিক ত্রুটি না দেখে ত্রুটিযুক্ত বিয়ষ বা ব্যক্তিক ত্রুটি গুলো কিভাবে ত্রুটি মুক্ত করা যায় তা ভেবে দেখা উচিত, তাই নয় কি। ঠিক একই ভাবে আমরা আমাদের প্রয়োজনেই একই স্থানে বিভিন্ন বয়সের,বিভিন্ন মতের ও বিশ্বাসের মানুষের সাথে চলাফেরা করি। তাই আমাদের উচিত সব বয়সের, সব মতের ও সকল বিশ্বাসের মানুষকে তার অবস্থান বিচার করে সে যেমন আচরণ পাওয়ার অধিকার রাখে বা যেমন আচরণ প্রদর্শন করা উচিত, য়া সে আশা করে তার আবস্থান থেকে, ঠিক সেরকমটাই করা উচিত নয় কি?
আমার যতো ভাবনা!
আমার যত ভাবনা।।।।।
.... বন্ধন...
আমরা যে সময়টাতে বেড়ে উঠেছি তখন দেখতাম পারস্পারিক সম্পর্ক অনেক দৃঢ় ছিল। তখন সমাজে বিদ্যমান সব সম্পর্কগুলোর মধ্যে ছিল অটুট বিশ্বাস, মায়া-মমতা,শ্রদ্ধাবোধ, স্নেহ-ভালোবাসা ইত্যাদি। যেমন - একজন স্ত্রীর মনেপ্রাণে থাকতো বা চাইতেন যে তার স্বামী কি করলে ভালো থাকবে, কেমনে সুখী হবে এ মঙ্গল কামনায় কতো রাত জেগে থাকতেন, স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে সকল অপরাধ তুলে নিতেন নিজের কাঁধে। শত অপরাধ ঢাকতেন তার মান সম্মান বাচাতে, আমরা এমনও শুনেছি নিজের সর্বস্ব দিয়ে বাচিয়েছেন তার স্বামীর কর্ম, শুনে না থাকলেও ছিনেমায় দেখে থাকবেন অনেকেই। আর এখন তার বিপরীতটা আমাদের কাছে দৃশ্যমান, প্রায়শই বিভিন্ন খবর আসে স্বামীকে মারার জন্য কত কৌশল বা সুকৌশলী নারী,এই ললনারা নিজের শরীর কেউ বিলিয়ে দিতে দিধা করে না তার নর কে কর্ম কর্মচ্যুতি করাতে। শত মিথ্যাচার করে তাকে সর্বসান্ত করছে অবলীলায়। এমন কেন হলো? আমরা কি আমাদের মূলধারার জীবন থেকে বের হয়ে উল্টো পথে এগিয়ে যাচ্ছি নাতো, ভাবুন একবার? ঠিক এমনিভাবেই সব সম্পর্কগুলো কি স্বার্থ চরিতার্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে উঠছে নাকি, আপনি কি ভাবছেন? সময় তোমার কাছে, আমার জানতে চাওয়া কোন পথে নিয়ে যাচ্ছ আমাদের। হে সময় সঠিক জবাব কবে দেবে, দীর্ঘ প্রতিক্ষার ইতিবাচক উওর কবে, কতদিনে আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহিন্দ্রখন, বলে দিতে পারো?
.... বন্ধন...
আমরা যে সময়টাতে বেড়ে উঠেছি তখন দেখতাম পারস্পারিক সম্পর্ক অনেক দৃঢ় ছিল। তখন সমাজে বিদ্যমান সব সম্পর্কগুলোর মধ্যে ছিল অটুট বিশ্বাস, মায়া-মমতা,শ্রদ্ধাবোধ, স্নেহ-ভালোবাসা ইত্যাদি। যেমন - একজন স্ত্রীর মনেপ্রাণে থাকতো বা চাইতেন যে তার স্বামী কি করলে ভালো থাকবে, কেমনে সুখী হবে এ মঙ্গল কামনায় কতো রাত জেগে থাকতেন, স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে সকল অপরাধ তুলে নিতেন নিজের কাঁধে। শত অপরাধ ঢাকতেন তার মান সম্মান বাচাতে, আমরা এমনও শুনেছি নিজের সর্বস্ব দিয়ে বাচিয়েছেন তার স্বামীর কর্ম, শুনে না থাকলেও ছিনেমায় দেখে থাকবেন অনেকেই। আর এখন তার বিপরীতটা আমাদের কাছে দৃশ্যমান, প্রায়শই বিভিন্ন খবর আসে স্বামীকে মারার জন্য কত কৌশল বা সুকৌশলী নারী,এই ললনারা নিজের শরীর কেউ বিলিয়ে দিতে দিধা করে না তার নর কে কর্ম কর্মচ্যুতি করাতে। শত মিথ্যাচার করে তাকে সর্বসান্ত করছে অবলীলায়। এমন কেন হলো? আমরা কি আমাদের মূলধারার জীবন থেকে বের হয়ে উল্টো পথে এগিয়ে যাচ্ছি নাতো, ভাবুন একবার? ঠিক এমনিভাবেই সব সম্পর্কগুলো কি স্বার্থ চরিতার্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে উঠছে নাকি, আপনি কি ভাবছেন? সময় তোমার কাছে, আমার জানতে চাওয়া কোন পথে নিয়ে যাচ্ছ আমাদের। হে সময় সঠিক জবাব কবে দেবে, দীর্ঘ প্রতিক্ষার ইতিবাচক উওর কবে, কতদিনে আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহিন্দ্রখন, বলে দিতে পারো?
অবিবেচনাপ্রসূত
দুপুর বেলা কাউকে অপমানের হাত হতে রক্ষা করার চেষ্টা করলে, রাত্রি বেলায় সে তোমাকে অপমানিত করার জন্য তৎপর হয়ে উঠবে!
আত্মাশুদ্ধি
মাটির শুদ্ধতা পরীক্ষায় যখন বিষক্ততার প্রভাব প্রকটভাবে বিদ্যমান থাকে তাতে নতুন গাছ জন্মদানতো দূরের কথা, ফলবান বৃক্ষের ফলকেও তা বিষাক্ততায় ভরে তুলে। তখন ফলদায়ক ফলও আহারের যোগ্যতা হারিয়ে মাটিতে মিশে এবং মাটির মধ্যে বিদ্যমান অণুগুলোর মধ্যে যে ব্যবধান তৈরি করে তা সত্যিই বিস্ময়কর! আর এই ব্যবধায়িত মাটির ওপর কিভাবে শক্তিশালী, আকাশচুম্বি দেবদারু জন্মাবে?
শিক্ষাগুরু
নিবেদিত একজন মানুষ যাঁর পুরো জীবনটাই অতিবাহিত করলেন জ্ঞানের বা শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার মাধ্যমে। প্রায় ৪দশক ধরে শিশুদের শিক্ষাদান করে আসছেন তিনি। উল্লেখ যোগ্য তেমন কোন ডিগ্রী নেই তার। ৮ষ্ট শ্রেণী পর্য়ন্ত পড়াশোনা করেছেন তিনি। তিনি অল্প শিক্ষিত হলেও তার হাতে গড়া অনেকেই দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত আছেন। তিনি অদ্যাবধি শিক্ষাদান করে চলেছেন গ্রামের শিশুদের। তিনি আর কেউ নন আমাদের অনেকের পরিচিত এক নিবেদিত প্রান মোঃশামছুল ইসলাম, গ্রামঃফকিরপাড়া,চারঘাট, রাজশাহী। আনুমানিক তার বর্তমান বয়স ৭০ বছর প্রায়। তিনি জীবনের শেষদিন পর্য়ন্ত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে চান, এমনই ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছেন।
শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি বেঁচে থাকতে চান হাজারো শিক্ষার্থীর মাঝে।
"কবর" শেষ শয়নে বিপত্তি
আপনার সৎকর্ম যখন জীবিত মানুষকে ভাবায় বা গভীর চিন্তায় নিমজ্জিত করে যে, মৃত্যুর পর তাঁর লাশের কবর কোথায় হবে? এমন সৎকর্ম আপনার বিবেকের কাছে কোন বিশেষণে বিশেষায়িত হবে তা জানিনা ? বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে খুব কষ্টদায়ক পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছেন সাধারণ জনতা। আপনার মৃত দেহটা যখন দ্বিধা বিভক্তির মধ্যে নিমজ্জমান তখন মানুষ হিসেবে আপনার আবস্হান কোথায় তা নির্ণয় করে দেখবেন বৈকি!!!
কবরে শায়িত হতে হবে প্রতিটি মানুষকে। এই চিন্তায় চিন্তিত হলে এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়তো কেউই। তাই বলি কিছু কিছু বিষয়কে সকল বিতর্ক ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে বিবেচনা করা উচিত ।
কবরে শায়িত হতে হবে প্রতিটি মানুষকে। এই চিন্তায় চিন্তিত হলে এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়তো কেউই। তাই বলি কিছু কিছু বিষয়কে সকল বিতর্ক ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে বিবেচনা করা উচিত ।
স্কুলে টিফিন
টিফিনের পঁয়সা বাঁচিয়ে তোমায় কিনে দেওয়া সেই রুমাল, গানটি শুনতে শুনতে হঠাৎই মনে হলো আমাদের বিশেষত গ্রাম আঞ্চলের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কথা। আমাদের এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে প্রায় ছয়(৬) থেকে সাত(৭) ঘন্টা আবস্থান করে। এই সময়ের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী দুপুরের খাবার গ্রহনের সুযোগ পাই না। না খেয়ে তারা ক্লাসে আবস্থান করে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনেকেই নিম্নবিত্ত পরিবারের। তাদের পিতামাতারা সংসারের টানাপোড়েনে হয়ত ভ্রুক্ষেপই করে না তাদের সন্তান দিনের একটা বড় অংশ না খেয়ে থাকছে।
এতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শারীরিক ভাবে কতটুকু সবলতা নিয়ে বেড়ে উঠছে তা ভাবনার বিষয় নয় কি? শ্রদ্ধাশীল সম্মানিত সকল শিক্ষকবৃন্দের প্রতি আমার আকুল আবেদন বিষয়টি একটু ভেবে দেখবেন। আপনাদের একটুখানি সচেতন মূলক আচরণ শিক্ষার্থীদের দুপুরে খাবার গ্রহনের ব্যাপারে উৎসাহ তৈরি করতে পারে। আপনারা শিশু মনের মধ্যে বিষয়টি প্রবেশের জন্য তাদেরকে ইতিবাচকভাবে বলুন যেন তারা নিজে থেকেই দুপুরে খাবার গ্রহণে আগ্রহী হয়ে উঠে। আনেক শিক্ষার্থীই মনে করে ভালো খাবার ছাড়া টিফিন কেমনে নিয়ে আসব? এই বিষয়ের প্রতি একটু আলোকপাত করে বললে ভালোই হবে বৈকি। লেখাটা হয়তোবা কারো প্রয়োজনে আসতে পারে ভেবেই লিখলাম। জানিনা আদৌও কারও দৃষ্টিগোচর হবে কিনা? তবে সকলের প্রতি অনুরোধ রইল ভেবে দেখবেন, এইটুকু আশা করতেই পারি।
মাতৃছায়া
মা আজও কাঁদে সেদিনও কেঁদেছিল সব হারিয়ে নিঃশব্দে! আর বিনিময়ে তোমায় দিয়েছিল বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার জন্য এক সবুজ প্রান্তর............
মাগো সেদিনও তুমি রক্তে রাঙিয়ে ছিলে তোমার শাড়ি! ক্ষত বিক্ষত করে ছিলে তোমার কোমল দেহটারে, সন্তান কে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলে এই ভেবে যে, তোমার বেঁচে য়াওযা সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, নিতে পারে যেন শ্বাস বুক ভরে। শান্তি আর সুখে পরিবার গড়ে তুলবার তরে বিলিয়ে ছিলে তোমার সম্ভ্রম সম্বলকে। মা'গো তোমার সন্তানেরা আজ অনেক বড় হয়েছে, অর্জন করেছে খ্যাতি সুনাম শত! মা'গো, তোমার সন্তানেরা আজও রক্তাক্ত হয়, প্রাণ বিসর্জন দেয়, রক্ত ঝরায় তোমার আরেক সন্তানের। তোমার ছেলেরা কি যেন এক মিথ্যে মায়াজালে আচ্ছন্ন, কেন জানি ভুলেই গেছে সবাই তোমারই সন্তান! তোমারই অনুগ্রহে যারা আজ মেলিয়াছে ডানা। ও' মা তুমি জানতে চাওয়া ভূলে গেছ নাকি? তুমি একটিবার প্রশ্ন করো না, কেন? এই খোকা তুই কাকে মারিস? কেন মারিস? তোরা যে একই মায়ের সন্তান! জানিস খোকা,আমি মাঝে মাঝে ঘুরে বেড়ায়! ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্তি যখন ঘিরে ধরে,অগত্যা আমি ঠাই নিতে চায় তোর ঘরে। ও' মা ঠিক তক্ষুনি দেখি আমার খোকারা বিবাদে আছে জড়িয়ে। লজ্জায় পড়ে য়ায আমি! না সইতে পেরে গৃহ ত্যাগ করে ফিরে য়ায নিজ মাটির ঘরে। আমার কচি খোকন আর নেই আগের মতন! তারপরও আমি মনে মনে বলতে থাকি আমি যে,মা! আর মা' হয়ে সন্তানের এ অধঃপতন আমি মানবো না! মেনে নিতে পারবো না আমি! আমি আমার খোকাদের কাছে আবার যাবো! বুঝিয়ে বলবো ও'রে তোরা যে,একই মায়ের সন্তান! তোরা সবকিছুর বিনিময়ে তোর মা'কে ভালো রাখ, দেখবি তোর মা ভালো থাকলে তোরাও ভালো থাকবি!!!!!!
মাগো সেদিনও তুমি রক্তে রাঙিয়ে ছিলে তোমার শাড়ি! ক্ষত বিক্ষত করে ছিলে তোমার কোমল দেহটারে, সন্তান কে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলে এই ভেবে যে, তোমার বেঁচে য়াওযা সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, নিতে পারে যেন শ্বাস বুক ভরে। শান্তি আর সুখে পরিবার গড়ে তুলবার তরে বিলিয়ে ছিলে তোমার সম্ভ্রম সম্বলকে। মা'গো তোমার সন্তানেরা আজ অনেক বড় হয়েছে, অর্জন করেছে খ্যাতি সুনাম শত! মা'গো, তোমার সন্তানেরা আজও রক্তাক্ত হয়, প্রাণ বিসর্জন দেয়, রক্ত ঝরায় তোমার আরেক সন্তানের। তোমার ছেলেরা কি যেন এক মিথ্যে মায়াজালে আচ্ছন্ন, কেন জানি ভুলেই গেছে সবাই তোমারই সন্তান! তোমারই অনুগ্রহে যারা আজ মেলিয়াছে ডানা। ও' মা তুমি জানতে চাওয়া ভূলে গেছ নাকি? তুমি একটিবার প্রশ্ন করো না, কেন? এই খোকা তুই কাকে মারিস? কেন মারিস? তোরা যে একই মায়ের সন্তান! জানিস খোকা,আমি মাঝে মাঝে ঘুরে বেড়ায়! ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্তি যখন ঘিরে ধরে,অগত্যা আমি ঠাই নিতে চায় তোর ঘরে। ও' মা ঠিক তক্ষুনি দেখি আমার খোকারা বিবাদে আছে জড়িয়ে। লজ্জায় পড়ে য়ায আমি! না সইতে পেরে গৃহ ত্যাগ করে ফিরে য়ায নিজ মাটির ঘরে। আমার কচি খোকন আর নেই আগের মতন! তারপরও আমি মনে মনে বলতে থাকি আমি যে,মা! আর মা' হয়ে সন্তানের এ অধঃপতন আমি মানবো না! মেনে নিতে পারবো না আমি! আমি আমার খোকাদের কাছে আবার যাবো! বুঝিয়ে বলবো ও'রে তোরা যে,একই মায়ের সন্তান! তোরা সবকিছুর বিনিময়ে তোর মা'কে ভালো রাখ, দেখবি তোর মা ভালো থাকলে তোরাও ভালো থাকবি!!!!!!
এক মায়ের কথা
কড়ই তলার চকলেট বিক্রেতাও নিষেধ করেছিল বাবা ওর থেকে দূরে থাকিস নইলে অনেক ক্ষতি হবে, হয়েছেও ঠিক তাই। হওয়ারই কথা কারন তিনিও একজন মা। আর মায়ের কথা কখনো ভুল হয় না। গর্ভধারীনি যিনি তিনিতো আর, তাঁর সন্তানদের চিনতে ভুল করেন না। মাগো তুমিই সঠিক ছিলে, তোমার কথায় কোন ভুল ছিলো না। তুমি প্রমাণ করেছো মা,অবাধ্য সন্তানেরা ঠকে যায় ভুল মানুষ আর বিশ্বাসঘাতকতার ছলনায়? মা সত্যি সত্যিই তুমিও অন্তর্যামী তোমার তুলনা মেলানো ভার। তোমার অকৃতজ্ঞ সন্তান আজ উপলব্ধি করেছে সব, তবে অনেক দেরি হয়েছে তার। সবকিছুই হারিয়েছে তোমার সন্তান, জীবন তার যেন ধূধূ এক বালির চর। নির্মমতার কাছে হার মেনেছে তোমার শিক্ষিত নাবালক অবুঝ সন্তান। তোমার বলা সেই একটি কথা ভেবে আজও হাহাকার হয়ে যায় বুকের ভেতর টায়। ডুকরে উঠে চিৎকার দিয়ে বলতে ইচ্ছে হয় হেরে গেছে তোমার সন্তান ভবলীলায়। তবুও হাল ছেড়ে দেয়নি এইভেবে যে হয়ত এর মধ্যেই রয়েছে কোন অদৃশ্য মঙ্গল। তুমি এটাও জেনে রেখ, জীবন সংগ্রামে আমি নিজেকে পরাজিত হতে দেব না নিশ্চয়ই। তুমি দোয়া কর শেষ বিজয় যেন আমারই হয়।
Monday, January 7, 2019
আহত পাখি
প্রেয়সীর কপোলে টোল পড়ে না আর ! হাসিতে মুখরিত হওয়ার ব্যর্থ প্রয়াস দৃষ্টিগোচর হয় প্রতিনিয়ত। দিন শেষে যেন অন্ধকার রাত্রির মতই গাড়ো অন্ধকারাচ্ছান্ন জীবন তাঁর।সবই আছে বিলীন হয়েছে শুধু অস্তিত্ব সম্বল।

অর্থ বিত্তের ও কমতি নেই তবুও বেলাশেষে অহত পাখির মত মুখটা বিবর্ণ হয়েছে কালিমায়। দৃষ্টির সীমানায় প্রতীয়মান দূর প্রতীক্ষার! ঠিক যেন সব হারানো ক্লান্ত তৃষ্ণার্থ এক পথিক যে কিনা পথিমধ্যেই সব হারিয়েছে? তবুও নতুনভাবে দেখা স্বপ্ন আর বাস্তবতা কপোল জুড়ে আনে এক অদ্ভুত আনন্দছটা!

অর্থ বিত্তের ও কমতি নেই তবুও বেলাশেষে অহত পাখির মত মুখটা বিবর্ণ হয়েছে কালিমায়। দৃষ্টির সীমানায় প্রতীয়মান দূর প্রতীক্ষার! ঠিক যেন সব হারানো ক্লান্ত তৃষ্ণার্থ এক পথিক যে কিনা পথিমধ্যেই সব হারিয়েছে? তবুও নতুনভাবে দেখা স্বপ্ন আর বাস্তবতা কপোল জুড়ে আনে এক অদ্ভুত আনন্দছটা!
Subscribe to:
Comments (Atom)



