Sunday, July 21, 2019

জীবন ও জননীর গল্প


দুইসারি সবুজ গাছ
দিগন্তব্যাপী ফসলের মাঠ
থেকে থেকে দু'ধারে
স্রোতে টলমল
বয়ে চলা জল।

দুইসারি সবুজের ছায়া
মাঝে বয়ে চলা
আঁকাবাঁকা পিচ ঢালা পথ
যেন সবুজ শ্যামল
ও জলরাশির মাঝে
মাটির উপরে চলা!

Wednesday, July 17, 2019

অবসান চাই

জীবন মানেই মৃত্যু এটা খুব স্বাভাবিক। আর সে পথের দিকে প্রতি মুহূর্তেই এগিয়ে চলে প্রতিটি প্রাণ।

 তবে খুব ইচ্ছে হয় যদি দেখে যেতে পারতাম সকল হিংসা,বিদ্বেষ,অহংকার,ইগো ও মিথ্যার অবসান হয়েছে! হোক সেটা ব্যক্তি জীবনের কিংবা সার্বজনীন।

একজোড়া চোখ

একজোড়া চোখ
---------💞--------
একজোড়া চোখের গভীরতায়
মায়াময় মুগ্ধতায় হৃদয়
ছোঁয়ানো শ্যামল প্রতিচ্ছবি।

চোখের গভীরতা হার মানাবে
সাগর মহাসাগর অতল
ক্ষণিকের তরে যেন
হারিয়ে ডুব সাঁতার।

অজানা অচেনা চোখের ছায়
হঠাৎ যেন খুৃঁজে পাওয়া
মনোবৃত্তির সবটুকু চাওয়া।

মনোহারিণী চোখের তাঁরার
ইশারায় হৃদয়ছুঁয়ে য়ায়
মনের সব কথা জানাতে চাই
যেন হাজার বছরের চেনা!

চু্ক্ষু গোলকের উদ্বায়ী
ভাব প্রকাশের অপেক্ষায়
নিরবধি চেয়ে রয়।

চোখের গভীর চাহনি
মায়া যুক্ত করে হৃদয়
যেন অজানা কোনো
মোহনায় মিশতে চায়!

Saturday, July 13, 2019

বই কথা বলে

পৃথিবী হাজারো বাহারি রঙের পাতা দ্বারা সুশোভিত। তবে একমাত্র বইয়ের পাতা কেবল কথা বলতে পারে!

আমরা কি!?

পশুপাখির গর্ভে ও ডিম থেকে পশুপাখি জন্মায়। কিন্তু মানুষই একমাত্র প্রাণী যার গর্ভ হতে মানুষ, হিংস্র পশু ও অন্যান্য বহুরূপী ভয়ঙ্কর প্রাণী জন্মায়! যাদের পশুত্ব হিংস্র পশুদের কেউ হার মানায়!!!

বাঁশ-সমাচার কিরামনি লিটন

বাঁশ- সমাচার.....

কাব্যে আঁকি বাঁশের খবর
বাঁশের মালিক দৈত্য,
সে কাহিনী সবার জানা
গল্পটা খুব সত্য।

সবাই অবাক সবাই ভাবে
ব্যাপার খানা কি?
অঙ্গে মাখে বাঁশের বাঁশি
অষ্ট প্রহর ঘি!

সেতু বানায় তল্লা বাঁশে
মুলি বাঁশে ছাদ,
বাঁশে বাঁশে জোড়াতালি
মাইনক্যা চিপার ফাঁদ।

উন্নয়নের আইক্যা বাঁশে
প্রজার সর্বনাশ,
ফাটা বাঁশের চিপায় পড়ে
কাঁদে বারোমাস।

বিজলি বাতি বাঁশের খুটি
পদ্মা সেতুর পিলার,
বাঁশের লাঠির জোরে সাঁজে
চকিদারও- কিলার।

বাঁশ নিয়ে তাই কাড়াকাড়ি
কে কাকে দেয় বাঁশ,
উপায়হীনা বাঁশের জীবন
করছে উপহাস।

বাঁশে বাঁশে শেষ হয়েছে
বাঁশ কাহিনী জবর,
বিদায় বেলা খুঁজেও এখন
বাঁশ মিলে না- কবর।

কিরমানী  লিটন
২৭.০৬.২০১৯

বিষণ্ণবদন



বিষণ্ণ মনে মানসী দূর অপেক্ষায় আহত পাখির মত চেয়ে আছে অপলক দৃষ্টিতে! প্রিয় কখন আসবে তরতর সয়না মানসীর মনে! বিষণ্ণতা আছে চোখেমুখে তবে অদ্ভুতদর্শন ভেসে উঠেছে শ্যামা মুখচন্দ্রে! একাকীত্ব আছে তবে ভালোবাসার রসে টইটুম্বুর উষ্ঠদ্বয়ে উষ্ণতা ছড়িয়েছি মনেমনে। এ যেন অধীর অপেক্ষা প্রিয়সখার তরে!
বিষণ্ণবদন তবুও যেন মায়াডোরে বাঁধল কিছুক্ষণ!

বিষণ্ণবদনে মানসী দূর
অপেক্ষায় আহত পাখির
মত চেয়ে আছে অপলক দৃষ্টিতে!
কখন আসবে প্রিয় দৃষ্টির সীমারেখায়।

প্রিয় কখন আসবে তর
সয়না মানসীর মনে!
বিষণ্ণতা আছে চোখেমুখে
তবে অদ্ভুতদর্শন ভেসে
উঠেছে শ্যামা মুখচন্দ্রে!

একাকীত্ব আছে তবে
ভালোবাসার রসে টইটুম্বুর
উষ্ঠদ্বয়ে উষ্ণতায় ভরপুর
হৃদয়গহীনে বাজে তার সুর!
(মনেমনে)

এ যেন অধীর অপেক্ষা
প্রিয়সখার  তরে পথ চাহিয়া!
বিষণ্ণবদন তবুও যেন
মায়াডোরে বাঁধে সর্বক্ষণ !

23.06.2019
সবুজ প্রকৃতি আর সবুজবর্ণ জল
তোমায় করেছে অধিক নির্মল।
শ্যামা মেয়ের শ্যামল ছায়াদেহ
রুপে টলমল!
তাইতো কখনো কখনো
চেয়ে থাকে তরুলতা,
ধরণীজ অরুনধাপ থমকে উঠে
মন করে উতলা!

রিমঝিম বৃষ্টি

রিমঝিম বৃষ্টি
-----***-----

রিমঝিম বৃষ্টি তুমি
তবুও বৃষ্টি না'কি
পছন্দ ছিল না তোমার!

রিমঝিম বৃষ্টি চাওনি
বৃষ্টিবাদল তবুও দেখো
আজ চোখে শুধুই জল!

রিমঝিম বৃষ্টি ভিজাতে পারোনি
 মন, হৃদয়স্পর্শী বৃষ্টি
নিষ্প্রাণ দেহমনে তুলেনি শিহরণ।

রিমঝিম বৃষ্টি ছোঁয়াতে হয়
হৃদয় মন তবেই বৃষ্টি খুলে
দেয় বদ্ধমন অন্ধকারে পায়
আলো যা হৃদয় মন রাখে ভালো।

মিথ্যা কাছে সত্যের পরাজয়

এটি একটি বিখ্যাত পেন্টিং। চিত্রকরের নাম Jean  Leon Gerome.1896 তে আঁকা এই ছবিটার শিরোনাম The truth is coming out of the well. ঊনিশ শতকের একটি লোককথাকে ভিত্তি করে ছবিটি আঁকা হয়েছিল। গল্পটা ছিল এরকম- একবার সত্য এবং মিথ্যা পরস্পরের সঙ্গে দেখা করলো কিছু বিষয়ে মীমাংসার তাগিদে।

হাঁটতে হাঁটতে তারা চলে গেল একটা কুয়োর পাশে। মিথ্যা বলল, দেখ, কী পরিষ্কার জল। চলো স্নান করি। বলাবাহুল্য সত্য বিশ্বাস করেনি মিথ্যার কথা। নিজে পরখ করে দেখলো। যখন দেখলো কুয়োর জল সত্যিই পরিষ্কার তখন মিথ্যার প্রস্তাবে রাজী হলো। দুজনে পোশাক ছেড়ে নেমে পড়লো কুয়োয়। স্নানের মাঝপথে মিথ্যা কুয়ো থেকে উঠে এসে সত্যের পোশাক পরে পালিয়ে গেল। খানিকক্ষণ অপেক্ষা করার পর মিথ্যাকে ফিরতে না দেখে সত্য উঠে এলো কুয়ো থেকে। না, মিথ্যা তো কোথাও নেই, পোশাকও নেই। রাগে অন্ধ হয়ে সত্য বের হলো মিথ্যাকে খুঁজতে কিন্তু নগ্ন সত্যকে দেখে ছিছিক্কার করলো সভ্য মানুষেরা। এমন কী তেড়েও এলো অনেকে। সত্য অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের বোঝাতে না পেরে রাগে দুঃখে অপমানে ফের কুয়োয় নেমে গেল। তারপর থেকে সত্যকে আর কখনও কেউ দেখেনি। যাকে দেখেছে কিম্বা দেখছে সে সত্যর পোশাক পরা মিথ্যা।
#Collected

গোধূ্লিতে এসো না

অঝোর ধারায় ঝরছে
বাদলের বৃষ্টিধারা কাটুক
 না এভাবেই এবেলা।

বৃষ্টিকে বলে দিবো
এসো না কিন্তু
ফিরে যাওয়ার তাড়া
আছে গোধূ্লি বেলা।

বৃষ্টিতে ভিজে মহাখুশি
না'জানি কাঁদছে কি'না
একলা বসে কাদম্বিনী।

ফিরে যাবার তাড়া
এ শুধুই নয় একার
প্রতিটি প্রাণের চাওয়া
বলি অবেলায় এসো না!



Thursday, July 11, 2019

মানুষ কিন্তু মানুষ নয়

পশুপাখির গর্ভে ও ডিম থেকে পশুপাখি জন্মায়। কিন্তু মানুষই একমাত্র প্রাণী যার গর্ভ হতে মানুষ, হিংস্র পশু ও অন্যান্য বহুরূপী ভয়ঙ্কর প্রাণী জন্মায়! যাদের পশুত্ব হিংস্র পশুদের কেউ হার মানায়!!!

বৃষ্টি ও কাঁন্নার সন্ধি

বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার
অন্যরকম এক অনন্দ
নিহিত থাকে অশ্রুবিসর্জনে!

বৃষ্টির কান্না আর
চোখেরজল দু'য়ে মিলে
সন্ধি করে চলে !

একজন ঢাকা পরে
অন্যজনের অন্তরালে নিরব
অশ্রুপাত থেকে যায়
লোকচক্ষুর আড়ালে !

নীড় হারা পাখি

ফুল বাগানের পাখিটির বাসা
ভেঙে যাওয়ায় আশ্রিত বাসা
বেঁধে থাকে মালির বাগানে।
মালিরাও নাকি থাকবে না ক'দিন
ওখানে।

দেখ দেখি কি কান্ড!
পাখিটিতো কিছুই না জানে!
নীড় হারা পাখি এভাবেই উদ্বাস্তু
হবে বা হয় সময়ে অসময়ে।

আপন ঠিকানায় পাখি উড়াল
দিবে ডানা মেলে সময়ে
শূন্য খাঁচা পড়ে রবে
পাবেনাকো একদিন তারে!!!

মালি বিহীন বাগানে পাখি
থাকে একলা কেমনে?
বহু পাখি আজ খাঁচায় বন্দি
বিবেক মনুষ্যত্বের অভাবে!?

মন্তব্য :এটা কবিতা নয়। আর আমি কবিওয়ালা নই। কবিতার কবি হওয়ার সামর্থ্য ও যোগ্যতা নেই আমার। আর কবিতার কবি হতে আমি চাইনে। পথে চলতে বলে যায় কিছু কথা আনমনে। জানি চিরদিন রবো না এ পথে। তাই কিছু শব্দ রেখে যেতে ইচ্ছে হয়, যদি কেউ ভালোবাসার আয়োজন করে আমায় খুঁজে! কিছুটা হলেও খুঁজে পাবে আমায় অগোছালো শব্দের মাঝে!!!

Tuesday, July 9, 2019

চেনা পথে!

পৃথিবী সত্যিই অদ্ভুত রহস্যে ঘেরা! এর প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকে অজানা রহস্য কত!

চেনা পথে চলতে গিয়েঃ
আজ থেকে প্রায় মাস ষোলো(১৬) আগের কথা। নিয়তির কাছে পরাজিত হয়ে বাড়ি ফিরছি বিষণ্ণ ভারাক্রান্ত মনে! সঙ্গে অনেক লাগেজ ব্যাগ ও তল্পিতল্পা যা ছিল সব নিয়ে উঠে বসলাম বাসে। বি:দ্র: বিভিন্ন কারণে রাস্তা ও বাসের নাম উল্লেখ করলাম না!
যাইহোক, বাস চলছে দারুণ গতিতে। আমি বসে আছি অজানা অনেক প্রশ্ন ও এক আকাশ চিন্তাভাবনা নিয়ে। ক্ষণে ক্ষণে পাশফিরে দেখছি লাগেজ ও ব্যাগ গুলো ঠিক আছে কি'না!  যতক্ষণ দেখেছি সব ঠিকই ছিলো।
কিন্তু হঠাৎ গন্তব্যস্থলের ১০কি:মি: আগে ব্যাগ ও লাগেজ গুলো ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য উঠে দাঁড়ালাম। দাঁড়িয়ে দেখি একটা ডাবল ফোল্ডিং ব্যাগ নেই! বাসের কন্ডাকটর সুপারভাইজার এবং যাত্রীদের কাছে আকুতি মিনতি করলাম যে যদি কেউ ব্যাগটা নিয়ে থাকে তবে যেন দিয়ে দেয়। কারন ব্যাগটির মধ্যে অনেকদামী কিছু নথিপত্র ও প্রিয় মানুষের দেওয়া বেশকিছু স্মৃতি জড়িত জিনিস ছিলো। এছাড়াও একটা এ্যানড্রয়েড মোবাইল ও অন্যান্য অনেক কিছু।
আমার সকল আকুতি মিনতি কারো হৃদয়স্পর্শী হলো না! হতম্ভব হয়ে গেলাম আমি। ঐ বাসের নম্বর এবং সুপারভাইজার সহ প্রয়োজনীয় সকলের ফোন নম্বর নিলাম আর বললাম ব্যাগটা যদি কেউ পেয়ে থাকে তবে সবকিছু নিয়ে শুধু নথিপত্র গুলো দিলেই হবে।
এভাবে আরও অনেককিছু বলে বিদায় নিতে হলো কারন দূরপাল্লার বাস আমার একার জন্য কেউ দেরি করতে চাইনি।
আজ ষোলো(১৬) মাস পরে এক বন্ধুবর ছোট ভাইয়ের জন্য হঠাৎ ঐ পথে যেতে হলো না করতে পারলাম না। গন্তব্যে গিয়ে কাজ সেরে ফেরার পথে দৌড়ে বাসে উঠলাম। সেই বাসে যে বাসে ব্যাগটা হারিয়ে ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো সেই কথা আমার সঙ্গে থাকা ছোট ভাইটাকে বললাম এই বাস থেকে আমার ব্যাগ হারিয়ে ছিলো। কথাটি শেষ হতে না হতেই সেই সুপারভাইজার ভাইটি সামনে হাজির। যথারীতি আমি বললাম ভাই কেমন আছেন আরও বললাম আমায় চিনতে পেরেছেন। ঐ যে আপনাদের গাড়ি থেকে আমার ব্যাগটা হারিয়ে ছিলো। তিনিও আমাকে চিনতে পারলেন অনেক কথা হলো। তার অনেক কথার মাঝে দু'টো কথা আমার অনেক প্রশ্নের দিয়ে দিলো বহুদিন পর! আমি বললাম আপনার সাথে আরেক ভাই ছিলো লম্বা ও ফর্সা রঙের। তিনি উত্তরে বললেন গাড়িটি দূর্ঘটনায় পড়েছিলো আর ঐ দূর্ঘটনায় ফর্সা লম্বা তখভাইটার পা ভেঙ্গে গেছে আজও সুস্থ হয়নি। তিনি তার গালে হাত দিয়ে দেখালেন ঐ দূর্ঘটনায় তার মুখের কেটে যাওয়া একটি বেশ বড় ক্ষত।দেখাতে দেখাতে আরও বললেন গরীবের ঘরে জন্ম নেওয়া পাপ। অল্প কিছুতেই লোভ হয়ে যায়! মুখে এক মায়াবী ও করুণ ছবি ফুটে উঠলো। আরো অনেক কথা বললেন যা বলা সমীচীন মনে করছি না।
সবশেষে যাওয়ার সময় তিনি বললেন আপনারা চাকরিজীবি মানুষ অনেক টাকা আয় করেন....... ইত্যাদি ইত্যাদি।  ঠিক তখনি আমি অজ্ঞাতসারে বলে ফেললাম যে আপনারা যদি কোন ভুল করে থাকেন তবে আমি ক্ষমা করে দিলাম। কারণ তার চোখ ও মুখের অনুশোচনার ছবি আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেল। ঐটুকু আমি না বলে থাকতে পারলাম না।
তাদের বাসের দূর্ঘটনার কারন আমি জানিনা আর তিনিও কিছু বললেন না। তবে মনে হল তার মনের মধ্যে এক গভীর অনুশোচনা কাজ করছিলো!

Sunday, July 7, 2019

ওরা পুরুষ নয় নরপিশাচ!!!

হাজারো উদ্বেগ ও ভাবনার মাঝে একটি বিষয় ভিতরবাড়িটারে কুরে কুরে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত! পুরুষ নামধারী নরপিশাচদের জন্য পুরুষ শব্দটি আজ চরমভাবে লজ্জিত! ওরা পুরুষ হয় কিভাবে যারা না'কি অবুঝের মাঝে যৌন লালসা খুঁজে!?

আমি মনে করি ওরা মানুষই নয়, আর পুরুষ হয় কিভাবে!?  মস্তিষ্ক বিকৃত ও বিকারগ্রস্ত মানব অবয়বে নরপিশাচ ওরা।

Saturday, July 6, 2019

বন্ডদের পিছনে যারা তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

বন্ড যাদের তৈরি তারাতো ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় নিরবধি!সাথে বেঁচে যায় বিষধর কচুকি!দেখতে চাই দাঁড় করানো হোক প্রত্যেককে আইনের আওতায়

কলা গাছে কংক্রিটের ঢালাই

কলা গাছের ভেলা বানিয়ে ভেসেছি কত মনের সুখে! ছোট বেলার কলাগাছ গুলো এত পোক্ত হয়েছে যে,এ বেলায় দেখছি জায়গা পেয়েছে কংক্রিটের ঢালাই এ!?

বইয়ের পাতা কথা বলে!!!

পৃথিবী হাজারো বাহারি রঙের পাতা দ্বারা সুশোভিত। তবে একমাত্র বইয়ের পাতা কেবল কথা বলতে পারে!

ঘুরে দাড়ানো সহজ নয়!!!

পরিস্থিতিকে পাশ কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প যত সহজে বলা যায় বা শুনতে যত ভালোলাগে! বাস্তবে কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর ঐ সময়টুকু কতটা নির্মম ও কণ্টকময় তা অনেকের কাছেই জানা!

কালনাগিনী

কালনাগিনীর রঙ কিন্তু কালো নয় বরং রঙিন! এটা কালনাগিনী সাপ। জীবনে অনেকবার কালনাগিনী সাপের কথা শুনেছি। তবে আজ দেখলাম কালনাগিনী কালো নয় বরং বহু রঙে রঞ্জিত রঙিন নাগিনী! তবে কালনাগিনীরা বাস্তবতার সাথে সমতাবিধান করে এমন রঙে সজ্জিত হয়েছে মনে হয়! কালনাগিনী নয় এ যেন রঙিন নাগিনী! এক নিমিষে রঙ লাগিয়ে উড়াল দিবে হাওয়ায়!

Thursday, July 4, 2019

পোড়া মাটির উনুন

কাঠ খড়ির উনুনে দীর্ঘদিন ধরে পোড়া মাটিতে হঠাৎ জলসেচন করলে তা থেকে বিশ্রী দুর্গন্ধ ছড়ানো অস্বাভাবিক নয় বরং তা স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যর ফল!
কারণ সজীব মাটি দীর্ঘদিন আগুনে পুড়ে এবং তাপে তার স্বাভাবিকতা হারিয়ে অঙ্গারিত হয়ে যায়। তাই তাতে হঠাৎ পানি দিলে বিকট শব্দে বাতাসে বিশ্রী দুর্গন্ধ ছড়াবে এটাই স্বাভাবিক, যদি কেউ মনে করে পোড়া মাটিতে একটু জলসেচন করে সজীব ভেজা মাটির মত মিষ্টি গন্ধে বাতাস সুবাসিত হবে তা চরম ভুল!

তবে হ্যাঁ, পোড়া মাটি তার স্বাভাবিক সজীব রুপে রুপান্তরিত না হলেও দীর্ঘ জলসেচনে দুর্গন্ধ দূরীভূত হবে তা অবশ্যম্ভাবী! এভাবে কালান্তরে পোড়ামাটি পুনঃরায় সজীবতা ফিরে পেতে পারে জল সেচনকারীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও মমতাময় পরশে।

Wednesday, July 3, 2019

সত্যবাক্য আজ না'কি বিপদ

যারা সত্য বলার অভ্যাস বুনেছিলেন হৃদয়ে আজ তারাই বলছেন নিরবে থাকতে! সত্যিই সত্য আজ বড় অবহেলার,অবজ্ঞার,পাগলের প্রলাপ ও বিপদসংকুল,তা না  হলে তারা এমনভাবে  বলতেন না!?

সত্য কতটা অসহায় হলে এমন কথা গুণীজনে বলে তা ভেবে বিস্ময়ে বিস্মিত হচ্ছি ক্ষণে ক্ষণে! উনারা ভাবছেন অকালে অনাকাঙ্ক্ষিত  প্রাণনাশ হতে পারে! অকারণে নানান বিপদআপদের সম্মুখীন হতে হবে বা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর থেকে নিরবে থাকা অধিক শ্রেয় এটাই ভাবছেন।

তবে প্রশ্নজাগে মনে দিনে দিনে সত্য এতটা নিকৃষ্ট বানালো মানবে কেমনে!?
দৃঢ়চেতা হয়ে সামনে এগোতে হলে সত্য বিনা চলবে কেমনে! শেষ অবধি কি হয় তা দেখেই ছাড়বো যা আছে কপালে!



আজব পৃথিবীটা!

অহংকার,মিথ্যাচার এবং পাপ 
এগুলো যদি পঁচাগলা প্রাণী বা 
আবর্জনার মত দুর্গন্ধময় হতো!
তবে ঐ দুর্গন্ধে বর্তমান 
পৃথিবীটা মুহূর্তের মধ্যে 
বসবাসের অনুপযোগী 
হয়ে যেত !

জীবন ও সমাজের অসংঙ্গতি

শিরদাঁড়ায় চিড় ধরেছে
ব্যাথাটাও নিদারুণ!

কোনো পাশ ফিরেও
আজ চোখে আসে
না স্বস্তির ঘুম!

ধূসর পাতা

কাননবালা কাননের
পাতা কুড়াতে দিন
করেছে শেষ!

শেষ বেলায় ধূসর
রঙয়ের পাতায় খুঁজে
সবুজবর্ণ পাতার রেশ!

Tuesday, July 2, 2019

আশা ও হতাশা!

বেশ কিছুদিন ধরে এমনটা হচ্ছে, যখনি হতাশা আর নিরাশ্রয়ে নিরাশ্বাস হই ঠিক তখনি নতুন আাশার সংবাদ আসে!আর আশায় নাকি নতুন হতাশা তৈরি করে।

ফুলবাগানের পাখি ধুলোমাখা!

ফুল বাগানের পাখিটির বাসা ভেঙ্গে গিয়ে ধুলাবালির সাথে আত্মীয়তায় সখ্য গড়ে তুলেছে! তবে পাখিরা নিজ বাসাতেই সুন্দর তা কে না জানে!

নয়ন বন্ড এবং হাঙ্গর

বন্ড যাদের তৈরি তারাতো ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় নিরবধি!সাথে বেঁচে যায় বিষধর কচুকি! দেখতে চাই দাঁড় করানো হোক প্রত্যেককে আইনের আওতায়!

ধূসর পাতা

কাননবালা কাননের
পাতা কুড়াতে দিন
করেছে শেষ!

শেষ বেলায় ধূসর
রঙয়ের পাতায় খুঁজে
সবুজবর্ণ পাতার রেশ!