Sunday, December 29, 2019

জ্বলন্ত

জ্বলন্ত বাতি ফুঁ দিয়ে নেভানো হোক বা অন্যকিছু দিয়ে নেভানো হোক না কেন,
আলো নিভে যাওয়ার সাথে সাথেই
ঘনকালো ধূমায়মান কুন্ডুলীর সৃষ্টি হয়।

আর সেই ধোঁয়ার  ছায়াতলে ছায়া পড়ে
থাকে ছেড়ে যাওয়ার নীলকষ গাঢ় ঘুটঘুটে  অন্ধকার।

আবার সেই ধূমপথে সত্য ভালোবাসার
অসংখ্য  ছাপ পড়ে রয় চিরজন্মের তরে
যা ভুলে যাওয়ার নয়!

🔥🔥🔥🔥
দূরন্ত পথিক

রাত্রির সাথে প্রেম

রাত্রির সাথে প্রেম
🍁🍁🍁🍁🍁

মনটা এখন চারণ কবি
তাইতো চাঁদ,তারা,জ্যোৎস্না আর
প্রকৃতির কতশত কথা শব্দে যায়
এঁকে।

প্রেম,বিরহ,ভালোবাসার কত কথা
নিত্যদিন নানান শব্দে বর্ণে আঁকি
মন ছুঁতে পারেনি হয়তো আজও
দেখিনিতো কই।

এখন কোথাও যেন প্রেম নেই কিছুতেই
রাত কে তাই প্রেমিকা ভেবে রাতের সাথেই
বন্ধ ঘরে অন্ধকারে ভালোবাসার কথাবলি।
কথা বলতে বলতে মাতৃকার কতশত কথা বুকটারে কুরে কুরে খায় অন্ধকারে শুধুই ব্যথা পাই।

কিন্তু আলোতে এলেই ভুলে যাই সব
আলোতে শব্দগুলো এলেই পথিকের
 হবে শব!
তাই বিরহ ব্যাথা বুকে ধরে
রাতের অন্ধকারের  সাথেই এখন
প্রেম চলে মহা সমারোহে কখন যে
ভোর হয়!
কে জানে.................................!?

💧💧💧💧
 দূরন্ত পথিক

প্রিয়তমা

প্রিয়তমা
🌼🌼🌼

কেমন আছো?কোথায় কী করছো তুমি? মহাকালের হাত ধরে আসা প্রিয়তমা

               কতদিন হল তোমায় দেখি না!

প্রিয়তমা তোমার অন্তত আছে জানা
প্রতিদিন কতশত শব্দের করেছি কবর রচনা।

কত সময় বয়ে গেল কথা হয় না!
একসাথে পথে চলা হয় না !

                      ভুলে গেলে নাকি বঁধুয়া?
রাতের জ্যোৎস্নাময় আকাশপ্রদীপে চেয়ে,
চাদর মুড়ে ছাদে গিয়ে চাঁদনি আলোতে

          গল্পসল্প হয়নি কতদিন হয়ে গেল!

কতদিন হলো ঘুমোবার সময় শুভরাত
কথাটা না শুনেই ঘুমোতে যাই একাকী
বিছানে!

 তুমি থাকো কই,একবারো এলে না'কো
ভোরের ঘুম ভাঙানো,
সুরেলা কন্ঠে গাওয়া সুমধুর গানে

             হৃদয়কোণে প্রশান্তির বারি হয়ে
নিবিড় ঘুমের দেশে হারিয়ে যাওয়া হয় না আর!

পৃথিবীর চরাচরে তোমার ব্যস্ততম জীবনে
কতশতবার নিতে হয়েছে বিশ্রাম কিংবা স্বল্প অবসর;
সেতো আমারি কারনে তোমার ভালোবাসার প্রশান্ত মহাসমুদ্রে ছায়াতরু মায়াবী হৃদয়ের

         উষ্ণতা কিংবা শীতলে ডুবে যেতে।

আজকের পৃথিবী খণ্ডিত শতনামে কত খন্ডে
উঠেছে ব্যবধানের দেওয়াল নানান বর্ণে আর ধর্মের নামে;
কাঁটাতারে আবার সীমানা পিলার পুঁতে দিয়ে  সহস্র হৃদয় বিভক্ত হয়েছে তোমায় রেখেছে দূরে!

ক্ষমতার লোভ আর কুক্ষিগত করার মানসে দিচ্ছে সাধারণে যতরকম আছে অবরোধ, কারফিউ মাটিতে কিংবা আকাশ-বাতসে!
ওদের দৌরাত্ম্যে প্রিয়তমা গোপনে কাঁদে।

মানব মানচিত্র এঁকেছে কাটা কম্পাসের
নিখুঁত মাপে,
তুলেছে দেওয়াল পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে কেড়ে নিয়েছে তোমার আমার কথা বলার অধিকার।

হৃদয়ে অঙ্কিত সহস্র অনুভব অব্যক্ত হয়েছে রক্তাধিক্যে ভুগছে তোমার আমার অন্তর!

          যত ভাগে বিভক্ত হোক না পৃথিবী

         তোমার হৃদয়ের শতভাগ আমারি।

নিঃশব্দে ছদ্মবেশে ছায়া হয়ে থাকি তোমারি অতলে।
প্রিয়তমা এসো বিজয়িনী বিপ্লবীর বেশে

            নামবো রাজপথে।

ভেঙ্গে দিতে ওদের কারফিউ
আরোপিত বিধিনিষেধ আছে যত!

শতকথা আছে প্রিয়,শতাব্দীকালেও শেষ হবার নয়!
তুমি এসো কথা হবে তোমার আমার মিলন মেলায়।

ইতি ________________

তোমার প্রিয়তম

🌷🌷🌷🌷
 দূরন্ত পথিক।

সহিষ্ণুতা

সহিষ্ণুতা
🔥🔥🔥

"বন্ধকী হৃদয়ের ক্রদন চিরকালই রয় অতিগোপন", জ্যোৎস্নার আলোয় ভুবন হয় মোহন। আলো সঞ্চেয় কালে সইতে হয় তীব্র দহন,সহস্র প্রাণ ভুলেও ভাবেনা সে'কি বেদন!

💚💚💚💚
 দূরন্ত পথিক

নীরব কান্না

নীরব কান্না
💧💧💧💧

একলা হলেই বুঝবে
অনুভবে শূন্যতা কত!
একা থাকলেই বুঝবে
অনুভবের ভালোবাসায়
                              সিক্ততা ছিলো কত!

দূরে গেলে তার প্রতি
মায়া বাড়বে না'তো আরো!?
কেমন করে এমন প্রাণে
 বাঁধলে তারে বলো!?

দিনগুলো সব তার নামে
চাইনা হোক আরও গত!
কায়া জুড়ে রাখো তারে
চোখে কান্না ঝরাও কেন!?

এমন অবুঝ অনুরাগে,
                       তারে নিয়ে ভাবতে না'কি
                        সবচেয়ে ভালো লাগে!
হৃদয় বিমুগ্ধ হয় তারও লাগি!

জীবনে একটা কেউ আছে
বলেই,
        বলতে পারো আর কেউ
হয়না তার মত!

অনুভবের ভালোবাসায় একা
বসে অনুরাগে কেন কাঁদো!?
বিনা মেঘের অশ্রুপাতে
তার হৃদয়ে কেন অগুন জ্বালো!?

 দূরন্ত পথিক
🔥🔥🔥🔥

পথে যেতে হবে

পথে যেতে হবে
🍁🍁🍁🍁🍁

যেতে হবে পথের শেষপ্রান্তে
যেতে হবে সময়ে বা অসময়ে!
যেতে হবে নিয়তির বিধানে !

পথে যেতে চাঁদনি আলোর শেষে,
অমানিশা আসে পক্ষকাল শেষে।
পথে যেতে হয় সময়ের ডাকে!

পাড়ি দিতে হয় শুকতারা বিহীন
এপথে,
মেঘে ঢাকা পড়ে রয় সকাশে!

পথে যেতে হয়, হারায় তিমিরে
সূর্য ডোবে সাঁঝের মায়ামি ঘোরে!
পথে যেতে হয় নিঃশেষে নিঃশর্তে!

 দূরন্ত পথিক
🍂🍂🍂🍂

বন্ধুর পথে

বন্ধুর পথে
🍃🍃🍃

শতাব্দীকাল ধরে হেঁটে চলা
দূরন্ত পথিক,
অন্তহীন বন্ধুর পথে বিরতিহীন....!
শত বাধা বিপত্তি উতরে ক্লান্তিহীন।

পথের পথিক হয়ে তপ্ত মেরুবলয়ে
মাথা খুঁড়ে চলা কতশত দিন,
নিরাশায় বিশ্বাসটুকু চেয়েছি শতবার
নিত্যদিন।

জীবনপথে সুখ সন্ধানপুস্তক রচিত
হয়নি,
নীলাকাশে পূর্ণচন্দ্র কতদিন গত হলেও
উঠেনি!

দূরন্ত পথিক
⚪⚪⚪⚪

জন্মরহস্য

।।জন্মরহস্য।।
🌱🌱🌱🌱

বেঁচে থাকার স্বপ্নে
কখনও কখনও রুদ্ধ হয়
সত্যের প্রাণবায়ু!
কতো নব উদ্যম হয় কবরস্থ।

কত বিহঙ্গ ঝরে পড়ে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় নিরবে,
ক'জন রাখে সে খবর!

বিটপী বনে কতশত তরু জন্মে,
ভালোবাসা পেয়ে ক'টা তরু
মানুষের আঙিনা জুড়ে থাকে!?

গুল্মলতা বা আগাছা বলে
মানুষের হাতে বলিদান হয় প্রতিদিন!
গুল্মলতা ওরা'ও অনাদরে,
অবহেলায় জন্মে!

আবার মানুষের আঙিনায়
শোভাবর্ধনে নিত্য বলিদানে
সুখের হাসি হাসে!
নিয়তির দারুণ পরিহাস!

চন্দন বা শীল কড়ই কিংবা
সেগুন, শাল......
আদরে, আবদারে বেড়ে উঠে চিরকাল।
অনাহুত হয়ে বেড়ে উঠা গুল্মলতা,
ওদের জল সেচনের জায়গা করে দখল;
জল সেচনের অজুহাতে
কিংবা আগাছা সাফাইয়ের নামে,
গুল্মলতাই বলি হয় সর্বাগ্রে!
ওদের বৃদ্ধিতে বাধা পাবে
বলে!
তবুও গুল্মলতারা জন্মায় চিরকাল,
বেড়ে ওঠার স্পর্ধা নিয়ে!

 দূরন্ত পথিক
🌿🌿🌿🌿

Saturday, December 14, 2019

মধ্যবিত্ত

মধ্যবিত্ত
⭕⭕⭕

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি যোদ্ধা
হতে,
               কখনো চেয়েছি বিদ্রোহী হতে;  কখনো কখনো চেয়েছি কবিতার কবি        হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি আকাশ হবো,
         কখনো চেয়েছি নদীর জীবন হতে
কখনো আবার চেয়েছি শিল্পীর আঁকা ছবি হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি বন্ধুর বন্ধু
হতে,
কখনো আবার চেয়েছি প্রচণ্ড রোদে ছায়া হতে!
কখনো আবার চেয়েছি তৃষ্ণার জল হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি স্বচ্ছ
হতে,
     কখনো চেয়েছি আধারে হারাতে
কখনো আবার চেয়েছি সত্যের বেদ
হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো হয়েছি শত্রুতা ঘোর
জের,
কখনো হয়েছি আবার ধনিকের খেল
কখনো কখনো হয়েছি প্রেমিকার ছল।

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি মিছিলে যেতে
কখনো আবার চেয়েছি একাকী নিঃস্ব  হতে
কখনো কখনো চেয়েছি হতাশার আশা হতে!

মধ্যবিত্ত আমি কখনো চেয়েছি সঠিক সময় হতে,
       কখনো চেয়েছি দুর্বার গতি হতে
কখনো আবার চেয়েছি রাতজাগা প্রেমিক হতে!

মধ্যবিত্ত আমি,
                মধ্যবিত্ত হবার দায়ে চিরকাল,
আমি চিরকাল হলাম অপরাধী সর্বকালে;
              নির্বিশেষে সবার কাছে!

দূরন্ত পথিক
🔥🔥🔥🔥

Friday, December 13, 2019

প্রিয়তমা

কেমন আছো?কোথায় কি করছো তুমি?
মহাকালের হাত ধরে আসা প্রিয়তমা
               কতদিন হল তোমায় দেখিনা!
প্রিয়তমা তোমার অন্তত আছে জানা
প্রতিদিন কতশত শব্দের করেছি কবর রচনা।

কতসময় সময় বয়ে গেল কথা হয়না!
একসাথে পথে চলা হয়না,
                      ভুলে গেলে না'কি বঁধুয়া! রাতের জ্যোৎস্নাময় আকাশপ্রদীপে চেয়ে
চাদর মুড়ে ছাদে গিয়ে চাঁদনি আলোতে
                   গল্পসল্প হয়নি কতদিন হয়ে গেল!
কতদিন হল ঘুমোবার সময় শুভরাত
কথাটা না শুনেই ঘুমোতে যায় একাকী
বিছানে!
           তুমি থাকো কই,একবারো এলে না'কো
ভোরের ঘুম ভাঙানি স্বপ্নে!
                   সুরেলা কন্ঠে গাওয়া সুমধুর গানে
                   হৃদয়কোণে প্রশান্তির বারি হয়ে
নিবিড় ঘুমের দেশে হারিয়ে যাওয়া হয়না আর!

পৃথিবীর চরাচরে তোমার ব্যস্ততম জীবনে
কতশতবার নিতে হয়েছে বিশ্রাম কিংবা স্বল্প
অবসর;
সে'তো আমারি কারনে তোমার ভালোবাসার
প্রশান্ত মহাসমুদ্রে ছায়াতরু মায়াবী হৃদয়ের
                উষ্ণতা কিংবা শীতলে ডুবে যেতে।

আজকের পৃথিবী খণ্ডিত শতনামে কত খন্ডে
উঠেছে ব্যবধানের দেওয়াল নানান বর্ণে আর
ধর্মের নামে;
কাঁটাতারে আবার সীমানা পিলার পুঁতে দিয়ে  সহস্র হৃদয় বিভক্ত হয়েছে তোমায় রেখেছে দূরে!

ক্ষমতার লোভ আর কুক্ষিগত করার মানসে
দিচ্ছে সাধারণে যতরকম আছে অবরোধ,
কারফিউ মাটিতে কিংবা আকাশ-বাতসে!
       ওদের দৌরাত্ম্যে প্রিয়তমা গোপনে কাঁদে।

মানব মানচিত্র এঁকেছে কাটা কম্পাসের
নিখুঁত মাপে,
তুলেছে দেওয়াল পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে
কেড়ে নিয়েছে তোমার আমার কথা বলার
অধিকার।

হৃদয়ে অঙ্কিত সহস্র অনুভব অব্যক্ত হয়ে
রক্তাধিক্যে ভুগছে তোমার আমার অন্তর!
            যত ভাগে বিভক্ত হোকনা পৃথিবী
           তোমার হৃদয়ের শতভাগ আমারি।
নিঃশব্দে ছদ্মবেশে ছায়া হয়েথাকি তোমারি
অতলে।

প্রিয়তমা এসো বিজয়িনী বিপ্লবীর বেশে
                                নামবো রাজপথে।
ভেঙ্গে দিতে ওদের কারফিউ,আরোপিত বিধিনিষেধ আছে যত!

শতকথা আছে প্রিয়,শতাব্দীকালেও শেষ
হবার নয়!
তুমি এসো কথা হবে তোমার আমার মিলন
মেলায়।

ইতি ____________
      তোমার প্রিয়তম









Thursday, December 12, 2019

অভিযোগ নেই

অভিযোগ নেই কোন আকাশের
দুরজনের দূরে থাকা নিয়ে নেইকো প্রশ্ন
আর!
অভিমানী আকাশটায় ধূলিরাশির
আস্তরণে ঢাকা আজ ঘন কুয়াশায়।
বিহানের আলোতে পথটা যায়না দেখা
ভালো কুয়াশাচ্ছন্ন ধূসর ধূমলেখা পথ।
আকাশের নেই নাগাল ধরার ক্ষমতা
সিপাহশালার পথেগিয়ে কেমনে ভেজাবে
প্রেয়সীর অঙ্ঘ্রির।
ঋতুবদলের ন্যায় বায়ুর প্রবাহধর্মেও
দেখা দিলো ঘোরান,
ঠিক যেন দিক পাল্টে চলার নতুন
পণ।
অভিমানী সমীরণ দেয়না বার্তা এখন
আটকে গেছে নদীর ছান্দসিক স্রোতোবহা
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত বলে কথা।
অনুভবের আলপথ বেয়ে ভাবনাগুলো পৌঁছালো না তীরে,
বারংবারে বাধা পেয়ে আসলো ফিরে ভগ্ন
হৃদয়কোণে।
অভিযোগ নেই আর অভিমানী আকাশটার
বক্ষদেশে জমেছে বরফের বিশাল পাহাড়,
এইতো মোদের উদ্বাহ সুখের বিশ্বস্ত বাতাসি
সংসার।

দূরন্ত পথিক