Monday, April 22, 2019

পল্লীবিদ্যুৎ ও পল্লীবাসী

🐸🐸🐸পল্লীবিদ্যুৎ ও পল্লীবাসী 🐸🐸🐸

আমরা পল্লীবাসী বলেই কি পল্লীবিদ্যুৎ আমাদের সাথে এমন খেলায় মত্ত হয়েছে? ওরা কি পল্লীবাসীকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ বিতরণ করছে নাকি? নাকি ওরা মনেকরে পল্লীর লোকজন প্রকৃতির আলো বাতাসে কাজ সেরে নিবে? কোন চেতনা থেকে ওরা এমন করে চলেছে প্রতিনিয়ত?

আাকাশে মেঘ না জমতেই, বাতাসে গাছ নড়ে না উঠতেই  পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়! আর কোন ক্রমে, আকাশে যদি বিদ্যুৎ চমকায় তবে হয়েছে! এমন বেহাল অবস্থা কেন? এর জন্য কি পল্লীবাসীরা দায়ী? নাকি পল্লীবাসীরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে না কোনটি? আর যদি আপনাদের বিল পরিশোধ না করতো তবে বকেয়া বিলের দায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতো। আর না হলে জেল হাজতে যেতে হতো!

আর বিদ্যুতের বিল পরিশোধ না করলে তো মামলা দিয়ে জেল খাটাতেন! ইতিমধ্যেই আপনরা সেটাও প্রমাণ করেছেন বিদ্যুৎ  সংযোগহীন  থাকার পরেও ভুয়া মামলায় আসামী বানিয়েছেন দিনমজুর কে!
আপনরা বিভিন্ন স্থানে আপনাদের সুবিধামত বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করে রেখেছেন সাধারণের অধিকারভুক্ত বা মালিকানাধীন জমির মাঝখান দিয়ে। এতে করে ঐসব জমির মালিকগন নানান ধরনের অসুবিধা ভোগ করছে। যেমন আমের বাগানের মাঝখান দিয়ে খুঁটি ও তার নিয়ে গেছেন। এতে বাগান মালিক ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

আবার কেউ ব্যক্তিগত  জমিতে বিল্ডিং বা দালান কোঠা নির্মাণ করবে  সেই কার্য ব্যাহত হচ্ছে। খোলা বিদ্যুতের তারের জন্য প্রায়শই নানান দূর্ঘটনা ঘটে চলেছে।  তবে কি পল্লীবাসীরা পল্লীবিদ্যুতের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে নাকি প্রশ্নজাগে?

তবে প্রশ্ন রইলো পল্লীবাসীর পক্ষ হতে, আর কতদিন পল্লীবাসী এভাবে পল্লীবিদ্যুতের নানান অবহেলাতে অবহেলিত হবে???

সময় ও ধৈর্যের সীমাবদ্ধতা থাকার জন্য বিষয়বস্তু দীর্ঘায়িত করতে পারলাম না।।।

Monday, April 15, 2019

উল্টোরথ

যা চেয়েছি কিচ্ছু পাইনি তার!
দেখতে চায়নি যা বারবার দেখতে হয়েছে তা!
শুনতে চেয়েও শুনতে পায়নি বরং শুনেছি যা কখনোই শুনতে চায়নি তা!
যেতে চাইনি যেথায় বারবার যেতে হয়েছে সেথায়!
অন্তরে লালন করেছি যা বাস্তবরূপে কিছুই মেলেনি তা!
কিচ্ছু চাইনি সত্যপথ, সত্যকথা, যত সামান্য সত্য ভালোবাসা আর সততা ছাড়া!
যা চেয়েছি সবই কি ছিল ভুল?
নাকি তা ভাগ্যের লেখা?
যদি ভুল হয়েই যায় তবুও চেষ্টায় রয়েছি আজও অবিচল!
চেষ্টায় নাকি ভুল হয়ে যায় ফুল!
তবে যা চেয়েছি তা দেখার আশায় বেঁচে আছি আজ এবং বাঁচতেও চাই আগামীকাল!!!

বৈশালী এসেছিলো

ভরদুপুরে বহুদিন পরে বহুদূর হতে হঠাৎই বৈশালীর চিরচেনা কন্ঠের আওয়াজ কানে এসে বাজে! তুমি কেমন আছো জিজ্ঞেস করে? সর্বজন বিদিত শব্দে তার উত্তর দিই ফিরিয়ে।
চিরচেনা হাসিতে আজও চিড় ধরেনি! সহাস্যমুখে নিমন্ত্রণ জানিয়ে বলে সময় পেলে বেড়াতে এসো আমাদের দেশে। ভাবি ব্যাকুল হয়ে না আসতেই বলে এসো বেড়াতে! কথায় কথা গড়িয়ে চলে ঢের সময় ধরে!
গাড় কালো চক্ষু গোলকে সেই নিহিত ভাষার বর্হিপ্রকাশে আজও সমুদ্র তরঙ্গ উঠে। ধবধবে সাদা দাঁতের নিকেলে আজও বিচ্ছুরিত হয় আলো। কপালে ছিল না আজ ছোট্ট রঙিন টিপ। তাতে কি আসে যায় সবকিছু ছিল ঠিকঠাক।
চিরচেনা কন্ঠে দু-লাইন গানে মনছুয়ে গেছে আগের মতন করে। স্পর্শের বাইরে তবুও হৃদয় স্পর্শী হয়ে উঠেছিলো ক্ষণিকের তরে! না বলা শত কথা হৃদয়ের স্পন্দনে স্পন্দিত হয়ে প্রবাহিত হয় উভয়ের তরে!
যত বড় উপাধি আমায় দিয়েছে এত্ত বড় উপাধি  আর পাবো না এ জনমে! বিদায়ের শেষমুহুর্তে অশ্রুশিক্ত নয়নে বলে ভালো থাকো তুমি! স্পর্শহীন ভালোবাসা আর শুভকামনা চিরদিন রবে তোমার তরে। ঠিক তক্ষণী বলি অনেক কিছু রয়ে গেছে আজও হৃদয়ে ও মগজে। শুভকামনায় ব্যাকুলতা প্রকাশের আগেই বিদায় নিয়ে বলি তুমি এ মনে রবে!!!

Saturday, April 13, 2019

স্বপ্নাদ্য

স্বপ্ন বুনি মনে,তোমার সাথে সাক্ষাত হবে কেমনে?
 রঙিন কাগজে মোড়ানো চকলেটগুলো দেখলেই, মন ডুবে তোমার প্রতিচ্ছায়ে!

স্বপ্ন বুনি মনে খুনসুটির হাট বসাবো কবে,কেমনে?
শহর বন্দর বেড়ায় ঘুরে জীবনের প্রয়োজনে!
হঠাৎ নজর পড়ে যায় ছোট্ট রঙিন পোশাকআশাকে! পথে প্রান্তরে একটু জিরিয়ে নিতে,বসে পড়ি ফুটপাতে! সেখানেও দেখা মেলে অবুঝ দুটি চোখের মায়াজড়ানো দৃষ্টির পলকে!

Monday, April 8, 2019

চাকরির ভেরিফিকেশন

আপনি আপনার নিজস্ব মেধা মনন দিয়ে এবং আপনার বাবার সৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ ব্যয়ে পড়াশোনা করেন।এরপর বিভিন্ন চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়  নিজস্ব মেধায়, নিজ দক্ষতায় ও যোগ্যতায় নির্বাচিত হন আপনি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বাকি থাকে আপনার চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন। আর এখানে আপনার ভাগ্যের আসল খেলা শুরু হয়। কারণ আপনার এলাকার বিভিন্ন প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গ উত পেতে থাকে বড় অংকের অর্থ দাবী করার জন্য। আপনি যদি তাদের এ অবৈধ দাবী পূরণ করতে পারেন তবে আপনার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো হবে। আর যদি তাদের ষোলকলা পূর্ণ না হয় তবে আপনার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট যা হওয়ার দরকার তাই হবে। তখন আপনি আপনার ভাগ্যকে গাল মন্দ করেন এবং পরিবারের আর্থিক অবস্থার জন্য পিতামাতাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। কিন্তু বাস্তবতার আলোকে আপনার ও আপনার পরিবারের দোষটা কোথায়? কারণ আপনি ও আপনার পরিবারের সবাই স্বচ্ছতার সহিত জীবন-যাপন করেন। তবে আপনার অপরাধটা কোথায়? আপনি কি তবে বাংলাদেশের নাগরিক নন? এ দায়ভার কেবে নেবে? আর কত তাজা প্রাণ এরকম ঘৃণ্য রোষানলে পড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হবে!!!

বাস্তবতার নির্মম চিত্র,তবে আমি কাঁদবো না! এই ছাত্র ভাইটির মত এত কষ্ট করিনি হয়তো কোনদিন। কিন্তু জীবনের সাথে সংগ্রাম করেছি নিজের ভাগ্যকে পরিবর্তন করার।  হ্যাঁ সে পথে সফলতার দার প্রান্তে পৌছনো হয়নি তবে সেটা নিতান্তই আমার অপরাধ বা দূর্বলতা কি না তা জানি না। তবে কেন জানিনা আজ এই ছাত্র ভাইটির ঘটনাটা পড়ে মনে পড়ে গেল এইতো সেদিনের কথা! ২০১২ সাল সদ্য স্নাতক শেষ করে রেজাল্ট পেয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী কলেজ হতে। এমনিতেই সেশন জটে অর্নাস এবং মাস্টার্স মিলে চার বছর কেড়ে নেয় সসর্বমোট। যাইহোক বলছিলাম  ২০১২ সালের কথা আমার জীবনের প্রথম চাকরিী পরীক্ষা ছিল এস. আই পদে। যথারীতি প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করি১৩/০৭/২০১২, ১৪/০৭/২০১২ও ১৫/০৭/২০১১ পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল রাজশাহী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। লিখিত পরীক্ষায় কৃতকাজ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য চিঠি আসে। মৌখিক পরীক্ষার তাং ১৬/০২/২০১৩ইং ১০ ঘটিকার সময়। ভাইভা পরীক্ষা দেওয়ার পর শুরু হয় পুলিশ ভেরিফিকেশন।  প্রথমবার যখন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ হতে বাড়িতে পুলিশ আসে এবং বলে আপনি ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে এবং তা কয়েক দফায় সম্পন্ন হবে। ইতি মধ্যে গ্রাম্য আওয়ামীলীগ নেতারা বিষয়টা জানতে পেরে আমার পরিবারের নিকট হতে বড় অংকের অর্থ দাবি করে। তারা বলে ভেরিফিকেশনে ভালো রিপোর্ট করে দিবে।  আমার পরিবারের সাম্যর্থ  অনুযায়ী তাদেরকে অর্থ দিতে চাইলে তারা তাতে খুশী হতে  পেরে আমার নামে বিভিন্ন বানোয়াট তথ্য দেয় পুলিশি রিপোর্টের সময়, যেমন আমি বিএনপির সাথে উতপ্রোত ভাবে জড়িত এবং স্থানীয়  বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত ইত্যাদি, ইত্যাদি। যাহোক কয়েক দফা ভেরিফিকেশন হওয়ার পর আর কোন খোঁজ পাইনি ঐ চাকরির বিষয়ে। বি:দ্র: অর্জিত শিক্ষা ও গুরুজনকর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা,নীতি নৈতিকতা যা মনে আজও লালন করি সেগুলো এই নোংরা রাজনীতি থেকে আজও আমায় বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে! এটা আমার ব্যর্থতা কিনা আমি তা জানিনা!  আজ ছয় বছর পর এই কথাগুলো বলার কারণ হলো এই ছাত্র ভাইটি যেন আমার মত চাকরির ভেরিফিকেশন হতে বাদ না পড়ে। স্যার আপনি ওকে যেমন ১০০০৳ দিয়ে সহায়তা করেছেন যা খুবই জরুরী ছিল ঠিক তেমনি সে ভাই যদি লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তার ভেরিফিকেশন এর সময় তাকে কোনভাবে সহযোগীতার জন্য চেষ্টা করবেন আশারাখি। আর কেউ যেন এই নোংরামির শিকার না হয় তা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ রইলো। এত নির্মম  সুন্দর বাস্তব এই ঘটনাটা সকলের  সামনে তুলে ধরার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ রইলো। শুভকামনা।

Friday, April 5, 2019

নোটারী পাবলিক বাধা সম্পর্ক

💑সম্পর্কের দলিল💑

💔কাগজে লিখা সম্পর্ক ছিঁড়ে যায় যখন তখন💔

সম্পর্কের দলিল অতীতে ছিলনা যখন,তখন কি তারা একসাথে পার করেনি পুরো জীবন! এখন গিয়ে সম্পর্ক বাধে নোটারী পাবলিকে, যেন কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারে যখন তখন। দলিলে কি আর যায় বাধা পুরো জীবন, সম্পর্ক ধরে রাখতে লাগে অত্মার বন্ধন। সেদিন দেখেছি নোটারী পাবলিকের দস্তখৎ আর টিপসই মারা কাগজ, সব ছিঁড়ে কুটি হয়েছে। মুখে বলা দলিল হয়েছিল বেশ মানানসই। কেউ দেখেনি ফাইল বন্দি সম্পর্কের স্বীকারোক্তির কাগুজে দলিল। তাই বলি সম্পর্ক যদি হয় অত্মার সাথে, নোটারী পাবলিকে যাওয়ার কি প্রয়োজন আসে!

Monday, April 1, 2019

প্রেয়সী ২

❤❤অপেক্ষারত প্রেমী❤❤

 দুয়ার খুলে মোরে আহবান করো বিনয়াবনত সহাস্যমুখে।দৃষ্টিসুখে ভাসছে হৃদয় চেয়ে আমার পথপানে। তোমার সাথে আড়ি, দিব না সাড়া তোমার আহ্বানে। যতই তুমি আমারে ডাকো, দাঁড়িয়ে থাকো দু'পায়ে মুখে নিয়ে মায়াবী হাসি। তুমি ভেবোনা এত সহজেই দাঁড়িয়ে যাবো আমি। তবে যাই বলো তোমার আপাদমস্তক ভঙ্গী, মনে হয় দাঁড়িয়ে দেখি দু'দন্ড। তবে ইচ্ছের সাথে বাজি, ও আমার চির কারসাজী। হাসি মুখেই থাকো, পথ আগলো রেখো। কোনদিন হঠাৎই তোমার দরজায় কড়া নাড়তেও পারি। তবে আজ যায় দূর থেকেই বিদায় চাই। এমনিতেই চারিধারে আগুনের ছড়াছড়ি, তোমার খুব কাছে গেলে দু'জনেই পুড়ে যেতে পারি।