তিনটা প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্মের জন্য, চিরকালের তরে তিন প্রজন্মের কাছে অমূচিনীয় কলঙ্ক!
জীবনের চলার পথ মসৃন হয় না কখনোই। বন্ধুর পথের মতই জীবনের চলার পথেও আসে নানান চড়াই উৎরাই। আর এই চড়াই উৎরাইের সাথে সমঝোতা বা দৃঢ়চিত্যে মোকাবিলা করে যারা টিকে থাকে তারাই কলঙ্ক মুক্ত প্রজন্মের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
আর এই চলার পথে যারা ছিটকে পড়ে তারা অন্ধকারে হারিয়ে যায়। সেইসাথে কলঙ্কীত করে তার তিনটি প্রজন্মকে।
এমনকিছু বিষয় আছে যা, মানুষ তার বৈষয়িক জীবনের প্রয়োজনে বা বিভিন্ন নিয়ামকের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে সম্পন্ন করে ঠিকই। কিন্তু তার সম্পন্নকৃত কর্মের ফলাফল কমপক্ষে তিন প্রজন্ম ধরে প্রবাহমান থাকে।
এই প্রবাহমান ধারা দ্বিতীয় প্রজন্মের দ্বারা শুরু হলে তা প্রথম প্রজন্ম ও তৃতীয় প্রজন্মকে জীবিত থাকাকালীন এক অমূচিনীয় কলঙ্কে কলঙ্কীত করে। এধরনের কলঙ্কীত অধ্যায়ের সূচনা হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের নিছক কিছু বিষয়ে প্রথম প্রজন্মের অতিরঞ্জিত অবিবেচনাপ্রসূত অচরণ।
দ্বিতীয় প্রজন্মের একপক্ষীয় প্রভাব বা অাধিপত্য কায়েম কে কেন্দ্র করে অহংকারে অন্ধ হয়ে যায়। ভুলে যায় তার প্রথম ও তৃতীয় প্রজন্মের উপর এর দীর্ঘমেয়াদী বিরুপ প্রভাবের কথা। ভুলক্রমেও দ্বিতীয় প্রজন্মের মনে আসে না তার একটা সিদ্ধান্ত তিন প্রজন্মকে কলঙ্কে কলুষিত করবে।
পরিশেষে বলা যায়, দ্বিতীয় প্রজন্ম তার অবিবেচনাপ্রসূত কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রথম ও তৃতীয় প্রজন্মকে অমূচিনীয় কালিমাময় কলঙ্কে কলঙ্কীত করে আবহমান কালের তরে।
No comments:
Post a Comment