আমি যা তুমি তা নও!
তুমি যা আমি তা নই!
তুমি যা পারো না তা করার ভান করোনা!
তুমি যা উহ্য রাখো, আমি তা বোঝার ক্ষমতা রাখি!
তুমি ইচ্ছের বিরুদ্ধাচরণ করে কারো মত হতে চাইলেও!
তুমি তোমার মতই থাকবে!
এ তোমার দোষ নয়, দোষটা তোমার স্বভাবে!
তোমার জানা আছে বৈকি!
আমাদের মাঝে এমন অনেক প্রাণ আছে!
যারা নাকি সব বোঝার পরেও চুপ থাকে!!!
Saturday, May 25, 2019
প্রেয়সীর আসা যাওয়া
🌺🌼🌾প্রতিদিনের হঠাৎ আসা যাওয়ায়🌺🌼🌾
ক্ষণকাল স্থায়িত্বে আসা যেন দমকা হাওয়া!
এইটুকুন সময়েই দিয়ে যায় বিরাট এক ধাক্কা!
জমাটবদ্ধ হতে চায় মস্তিষ্কে বয়ে চলা রক্তকণিকা!
তবুও অক্সিজেনের প্রভাবে নিরবধি বয়ে চলে তা!
পেশীতন্ত্রে মারে টান যেন বেজে উঠবে বিদায়ী ঘন্টা!
তবুও বেচারা কেন যেন ফিরে পায় প্রাণটা!
দুর্বল দেহের অভ্যন্তরে থাকা ইস্পাতনির্মিত হৃদয়টা!
তবে কিঞ্চিৎ ব্যাথার সৃষ্টিছাড়া কিছুই করতে পারেনি তা!
ক্ষণকাল স্থায়িত্বে আসা যেন দমকা হাওয়া!
এইটুকুন সময়েই দিয়ে যায় বিরাট এক ধাক্কা!
জমাটবদ্ধ হতে চায় মস্তিষ্কে বয়ে চলা রক্তকণিকা!
তবুও অক্সিজেনের প্রভাবে নিরবধি বয়ে চলে তা!
পেশীতন্ত্রে মারে টান যেন বেজে উঠবে বিদায়ী ঘন্টা!
তবুও বেচারা কেন যেন ফিরে পায় প্রাণটা!
দুর্বল দেহের অভ্যন্তরে থাকা ইস্পাতনির্মিত হৃদয়টা!
তবে কিঞ্চিৎ ব্যাথার সৃষ্টিছাড়া কিছুই করতে পারেনি তা!
Tuesday, May 14, 2019
প্রিয়ার অনুশাসন
তুমি যখন ভালোলাগার কথা বলো,
তখন ভালো থাকা নিয়ে ব্যস্ততা অধিক!
তুমি যখন ভালোবাসার কথা বলো,
তখন কংক্রিটের ভালো বাসা নিয়ে ব্যস্ততাযুক্ত দিন!
তুমি যখন ভালো থাকার কথা বলো,
তখন প্রাঁণ নিয়ে বেঁচে থাকা উষ্ঠাগত প্রতিটি দিন!
তুমি যখন নিজের খেয়াল রাখতে বলো,
তখন বেখেয়ালি মনে কেটে যায় বেলা নিত্যদিন!
তুমি যখন নিয়ম করে নিয়মিত খেতে বলো,
তখন সারাদিনমান নাওয়া খাওয়া অনিয়ম প্রতিদিন!
তুমি যখন সময়মতো ঘুমাতে বলো,
তখন দু'চোখ নির্ঘুম হয়ে পার করে কত রাত্রি দিন!
---- তাজ----
১৫/০৫/২০১৯
০৫ঃ২৭(a.m)
তখন ভালো থাকা নিয়ে ব্যস্ততা অধিক!
তুমি যখন ভালোবাসার কথা বলো,
তখন কংক্রিটের ভালো বাসা নিয়ে ব্যস্ততাযুক্ত দিন!
তুমি যখন ভালো থাকার কথা বলো,
তখন প্রাঁণ নিয়ে বেঁচে থাকা উষ্ঠাগত প্রতিটি দিন!
তুমি যখন নিজের খেয়াল রাখতে বলো,
তখন বেখেয়ালি মনে কেটে যায় বেলা নিত্যদিন!
তুমি যখন নিয়ম করে নিয়মিত খেতে বলো,
তখন সারাদিনমান নাওয়া খাওয়া অনিয়ম প্রতিদিন!
তুমি যখন সময়মতো ঘুমাতে বলো,
তখন দু'চোখ নির্ঘুম হয়ে পার করে কত রাত্রি দিন!
---- তাজ----
১৫/০৫/২০১৯
০৫ঃ২৭(a.m)
Sunday, May 12, 2019
দূরন্ত পথিক
দূরন্ত পথিক
------✌------
রোদে পুড়েছে দূরন্ত পথিক!
পানিতে ভিঁজতেও সমান পারদর্শী!
কাঁদায় হাটু ডোবা রাস্তায় দিয়েছে পথ পাড়ি!
পথেরকাঁটা বিঁধেছে পায়, রক্ত ঝরছে নিরবধি!
কখনো পা পিছলে পড়েছে ধপাস!
কিন্তু উঠতে দেরি করেনি, দু'পায়ে চলেছে নিরবকাশ!
পথে চলতে ক্লান্তি আর গ্লানি দিয়েছে হাতছানি!
তৃষ্ণাতুর হৃদয় কখনো কখনো পা বাড়াতে চায়নি!
তবুও না থেমে চলেছে লক্ষ্যভেদের তরে কে তারে ধরে!
অবশেষে সব বাধা পেরিয়ে বিজয়ের ধ্বনি বাঁজবে!
ধ্বনিত হবে আকাশ বাতাস নিবে বিজয়ের স্বাদ!
পথিক শুধু নয় পথিক এ যে,দূরন্ত পথিক!
অন্তহীন বন্ধুর পথে ধাবমান দূরন্ত পথিক!
------✌------
রোদে পুড়েছে দূরন্ত পথিক!
পানিতে ভিঁজতেও সমান পারদর্শী!
কাঁদায় হাটু ডোবা রাস্তায় দিয়েছে পথ পাড়ি!
পথেরকাঁটা বিঁধেছে পায়, রক্ত ঝরছে নিরবধি!
কখনো পা পিছলে পড়েছে ধপাস!
কিন্তু উঠতে দেরি করেনি, দু'পায়ে চলেছে নিরবকাশ!
পথে চলতে ক্লান্তি আর গ্লানি দিয়েছে হাতছানি!
তৃষ্ণাতুর হৃদয় কখনো কখনো পা বাড়াতে চায়নি!
তবুও না থেমে চলেছে লক্ষ্যভেদের তরে কে তারে ধরে!
অবশেষে সব বাধা পেরিয়ে বিজয়ের ধ্বনি বাঁজবে!
ধ্বনিত হবে আকাশ বাতাস নিবে বিজয়ের স্বাদ!
পথিক শুধু নয় পথিক এ যে,দূরন্ত পথিক!
অন্তহীন বন্ধুর পথে ধাবমান দূরন্ত পথিক!
Sunday, May 5, 2019
স্বপ্নে আসো তুমি!!!???
ভাবনা তো দূরের কথা,
কল্পনাযোগ্য নয়!
দূরদেশী তবুও কেন যে,
মাঝেমধ্যেই হঠাৎ করে সাক্ষাৎ হয়!
তবে মানুষ কি জীবনে
একবার আর একজনেই সীমাবদ্ধ রয়!
অধিকাংশে বলে,
অরে এ কোন ব্যাপার নয়!
হ্যাঁ, যদি তা সত্য হয়,
তবে নাকি খুব কষ্ট হয়!!!
কল্পনাযোগ্য নয়!
দূরদেশী তবুও কেন যে,
মাঝেমধ্যেই হঠাৎ করে সাক্ষাৎ হয়!
তবে মানুষ কি জীবনে
একবার আর একজনেই সীমাবদ্ধ রয়!
অধিকাংশে বলে,
অরে এ কোন ব্যাপার নয়!
হ্যাঁ, যদি তা সত্য হয়,
তবে নাকি খুব কষ্ট হয়!!!
Thursday, May 2, 2019
কালবৈশাখী
♋♋কালবৈশাখীর তাণ্ডবলীলা ♋♋
কালবৈশাখীর শুধু বাইরেই কালো নয় ভেতরবাড়িটাও কয়লাকুঠি। এইতো বছর চারেক আগের কথা, জলধিতরঙ্গে তরঙ্গলেখা হয়ে বেড়ানো কালবৈশাখী দিশেহারা হয়ে অতীতের চেনা পথে বইতে শুরু করে।
বলে রাখা ভালো ইতিপূর্বেই কালবৈশাখী তার তাণ্ডবলীলার নমুনারূপ হিসেবে কৃষকের তরুণ বৃক্ষরাজিকে আপাদমস্তক নড়িয়ে দেখিয়ে দিয়েছে একহাত! তবে যাইহোক চেনা পথে মৃদুগতিতে চলতে শুরু করে পুনরায় । এর মাঝেও কালবৈশাখী তার কালো কুৎসিত চেহারার বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে বহুবার! দৃঢ়কায় বৃক্ষগুলোকে ভাঙতে চেয়েছে! সুঠামদেহী দৃঢ়কল্প বৃক্ষগুলো তবুও নিজ অবস্থানেই ছিল। বাতাসে দোল খায়নি তা কিন্তু নয়!
কৃষকের অতিকষ্টে লালিত ও সাধনার বৃক্ষাদি হঠাৎই ভেঙ্গে দেয় সেদিনের বিকেলবেলার কালবৈশাখী! শতচেষ্টায় কৃষক শেষ রক্ষামন্ত্র হতে পারেনি! তাই কষৃক আাবারও বৃক্ষ রোপন করে কিছু জায়গায় আর অপক্ষো করে মাঝখান থেকে ভেঙ্গে যাওয়া গাছের নতুন কুশি (কুঁড়ি) বের হওয়ার। কৃষকের যেইকথা সেই কাজ, অক্লান্ত পরিশ্রমে খালি জায়গা পুনরায় পত্র পল্লবিত হয়েছে তরুণ বৃক্ষগুলোতে।
কিন্তু জানেন কৃষক মাঝেমধ্যেই আনমনা হয়ে ভাঙ্গা গাছটির ক্ষতের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর নিজেই নিজেকে কি যেন বলতো! তবে কিছুক্ষণেই কৃষক আবার তার চিরচেনা রুপে দুহাতকে ব্যস্ত করে তুলতো। এভাবেই চলতে থাকে কৃষকের ক্লান্তিহীন কর্মজীবন আর নিজেকে পরিবর্তনের সর্বোচ্চ প্রয়াস।
কৃষকের দৃঢ়কল্প ও পরিশ্রম কষৃকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ওদিকে কিন্তু কালবৈশাখী তার নরম হাওয়া গরম করতে থাকে। অপেক্ষা শুধু মুখ্যম সুযোগের! এবারে কিন্তু কালবৈশাখী কৃষকের বিক্ষগুলোকে নয় স্বয়ং কৃষকের উপরেই তার তাণ্ডবলীলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়!
শেষমেশ যথা সময়ে কালবৈশাখী তার আঘাত হানে। কিন্তু কালবৈশাখী জানতো কৃষক বাছা সহজে নড়বার নয়। তাই সে বুদ্ধি করে ফণি(শক্তিশালী হ্যারীকেন ঝড়) কে সঙ্গী করে একসঙ্গে দেয় মরণ ছোবল। এবারে কিন্তু কৃষক বাছা হয়ে পড়ে নাজেহাল! এভাবেই কৃষকের জীবন আজও চলছে তবুও ছাড়েনি হাল, দেখতে ভুলেনি স্বপ্ন নতুন, নতুন সূর্যদয়!!!
কালবৈশাখীর শুধু বাইরেই কালো নয় ভেতরবাড়িটাও কয়লাকুঠি। এইতো বছর চারেক আগের কথা, জলধিতরঙ্গে তরঙ্গলেখা হয়ে বেড়ানো কালবৈশাখী দিশেহারা হয়ে অতীতের চেনা পথে বইতে শুরু করে।
বলে রাখা ভালো ইতিপূর্বেই কালবৈশাখী তার তাণ্ডবলীলার নমুনারূপ হিসেবে কৃষকের তরুণ বৃক্ষরাজিকে আপাদমস্তক নড়িয়ে দেখিয়ে দিয়েছে একহাত! তবে যাইহোক চেনা পথে মৃদুগতিতে চলতে শুরু করে পুনরায় । এর মাঝেও কালবৈশাখী তার কালো কুৎসিত চেহারার বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে বহুবার! দৃঢ়কায় বৃক্ষগুলোকে ভাঙতে চেয়েছে! সুঠামদেহী দৃঢ়কল্প বৃক্ষগুলো তবুও নিজ অবস্থানেই ছিল। বাতাসে দোল খায়নি তা কিন্তু নয়!
কৃষকের অতিকষ্টে লালিত ও সাধনার বৃক্ষাদি হঠাৎই ভেঙ্গে দেয় সেদিনের বিকেলবেলার কালবৈশাখী! শতচেষ্টায় কৃষক শেষ রক্ষামন্ত্র হতে পারেনি! তাই কষৃক আাবারও বৃক্ষ রোপন করে কিছু জায়গায় আর অপক্ষো করে মাঝখান থেকে ভেঙ্গে যাওয়া গাছের নতুন কুশি (কুঁড়ি) বের হওয়ার। কৃষকের যেইকথা সেই কাজ, অক্লান্ত পরিশ্রমে খালি জায়গা পুনরায় পত্র পল্লবিত হয়েছে তরুণ বৃক্ষগুলোতে।
কিন্তু জানেন কৃষক মাঝেমধ্যেই আনমনা হয়ে ভাঙ্গা গাছটির ক্ষতের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর নিজেই নিজেকে কি যেন বলতো! তবে কিছুক্ষণেই কৃষক আবার তার চিরচেনা রুপে দুহাতকে ব্যস্ত করে তুলতো। এভাবেই চলতে থাকে কৃষকের ক্লান্তিহীন কর্মজীবন আর নিজেকে পরিবর্তনের সর্বোচ্চ প্রয়াস।
কৃষকের দৃঢ়কল্প ও পরিশ্রম কষৃকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ওদিকে কিন্তু কালবৈশাখী তার নরম হাওয়া গরম করতে থাকে। অপেক্ষা শুধু মুখ্যম সুযোগের! এবারে কিন্তু কালবৈশাখী কৃষকের বিক্ষগুলোকে নয় স্বয়ং কৃষকের উপরেই তার তাণ্ডবলীলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়!
শেষমেশ যথা সময়ে কালবৈশাখী তার আঘাত হানে। কিন্তু কালবৈশাখী জানতো কৃষক বাছা সহজে নড়বার নয়। তাই সে বুদ্ধি করে ফণি(শক্তিশালী হ্যারীকেন ঝড়) কে সঙ্গী করে একসঙ্গে দেয় মরণ ছোবল। এবারে কিন্তু কৃষক বাছা হয়ে পড়ে নাজেহাল! এভাবেই কৃষকের জীবন আজও চলছে তবুও ছাড়েনি হাল, দেখতে ভুলেনি স্বপ্ন নতুন, নতুন সূর্যদয়!!!
Subscribe to:
Comments (Atom)