Thursday, June 27, 2019

ডেল কার্নেগীর উক্তি

“কর্মহীন জীবন, হতাশার কাফনে জড়ানো একটি জীবন্ত লাশ”

“কর্মহীন জীবন, হতাশার  কাফনে জড়ানো একটি  জীবন্ত লাশ”

উক্তি ডেস্ক২১ জুন ২০১৯, ০৮:৪৮এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ডেল কার্নেগি ১৮৮৮ সালের ২৪ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরীভিলে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক ও অধ্যাপক। পাশাপাশি একাধারে বিখ্যাত আত্ম উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণমালা যেমন: সেফ-ইম্প্রুভমেন্ট, সেলসম্যানশিপ, কর্পোরেট ট্রেনিং, পাবলিক স্পিকিং ও ইন্টার পার্সোনাল স্কিল-এর উদ্ভাবক।
বালক বয়সে তিনি প্রতিদিন ভোর চারটায় উঠে গৃহপালিত গরুগুলো থেকে দুধ দোয়াতেন। এ কাজের ভেতরেও তিনি ওয়ারেন্সেবার্গের সেন্ট্রাল মিশৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা চালিয়ে যান।
কার্নেগির লিখিত সংগ্রহশালার প্রথম প্রকাশ “পাবলিক স্পিকিং: এ প্র্যাক্টিক্যাল কোর্স ফর বিজনেস ম্যান” (১৯৩২ সালে)। তার লেখা ‘হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপলস’ ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত বইটি আজও প্রচণ্ড জনপ্রিয়। সে সময় বইটি বেস্ট সেলারের মর্যাদা পায়। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হাউ টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড স্টার্ট লিভিং, লিঙ্কন দ্য আননোন এবং আরও অনেক বইয়েরও লেখক তিনি।
ডেল কার্নেগি ১৯৫৫ সালের ১ নভেম্বর, ৬৬ বছর বয়সে তার নিজ বাড়িতে ইউরেমিয়া জটিলতাসহ হকিংস রোগে মারা যান।
তার একটি বিখ্যাত উক্তি-
“কর্মহীন জীবন, হতাশার কাফনে 
জড়ানো এক জীবন্ত লাশ।

সংগৃহীত 

Tuesday, June 25, 2019

কোটির কাছে বারো

কোটির কাছে বারো
--------+------+------

কোটির কাছে বারো
তুচ্ছ সেটা নিজেও জানো!
সেটা হিসেবে না আনলেও
পারো!

কোটির কাছে বারো
সামান্য দু'য়ে হাতটা
প্রসারিত করে ধরো!

কোটির কাছে বারো
এটা কোন বিষয় হলো
যখনতখন ইচ্ছে হলেই
হাতটা এবার ছাড়ো!

কোটির কাছে বারো
সেটা কি জীবিকার্জনের
চেয়েও ছিল খুব বড়!

কোটির কাছে বারো
অবজ্ঞা আর অবহেলায়
অসম্মান করে তুচ্ছার্থে
ঘুরো!

কোটির কাছে বারো
কথা না শোনবার
ভাবনাটা মনে আসে
আরও!

কোটির কাছে বারো
তবে সেদিন যে
অসময়ে ছিল খুব বড়!

কোটির কাছে বারো
বিপদকালে খুব সামান্য
মনেউঠার সময় ছিল
না'কো!

কোটির কাছে বারো
কোনটা ছোট কোনটা
বড় অবুঝ ঝিয়ারী
কি জানতো!

কোটির কাছে বারো
আদালতে ভাব ধরো
এটাই ছিল বড়!

কোটির কাছে বারো
ভালোবাসার কাছে তা
হয়না কোনদিন বড় কিংবা
ছোট!

কোটির কাছে বারো
এমন ভাব ধরো
নিজেকে ভিক্টোরীয়া
মনেকর!

কোটির কাছে বারো
তাদেরও সমাজ সম্মান
ছিলো মনে আসেনি
একবারো!

কোটির কাছে বারো
খুব সামান্য হলেও
তাদের সম্মানের দাম
আরো!

কাোটির কাছে বারো
টাকার অংকে হৃদয়
ক্ষতবিক্ষত করতে ইজ্জত
সম্মানের দাম হিসেব
না করো!

কোটি কিংবা বারো
ইজ্জত সম্মানের কাছে
বড়ই তুচ্ছার্থে মানে
আজও অজস্র জনে!
২৫.০৬.২০১৯


Sunday, June 23, 2019

জানালার পাশে তুমি দাড়িয়ে

নির্ঝরের কবিতা লিখার
সামর্থ্য নেই।
তবে নির্ঝরের কবিতায়
উড়ন্ত বলাকার উদাহরণ
দিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য নেই।

ব্যাকুল হৃদয়ে জানালার
পাশে উঁকিঝুঁকি মারো!

নিঃশব্দ অপলক দু'নয়নে
কি মায়াডোরে বাঁধো নিরবে!

শরীরটা যদিও আটকে আছে
জানালার লোহারতারে!

মনটা তোমার ঠিকই
পড়ে আছে তার পথ প্রান্তরে।

চাও যদি উড়তো পারো
তার নিরব নীল আকাশে।

জানালার পাশে তুমি
আজও থাকো নিরবে দাড়িয়ে!

জীবন ও যৌবন

জীবন পথে কখনো কখনো যৌবন কে প্রাধান্য না দিয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। কারণ দীর্ঘ জীবনে যৌবন খুবী সামান্যতম সময়!

আপসংস্কৃতি

সন্তানদের খুব আদর করে মা' বাবা বলে ডেকে থাকি আমরা! এছাড়াও অনেকেই বিভিন্নভাবে বিভিন্ন নামে আদর সোহাগ দিয়ে ডেকে থাকি। কিন্তু ফেসবুকে ইদানীংকালে দেখা যাচ্ছে  অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের ছবি আপলোড করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন এ আমার মা' এ আমার বাবা'। বিষয়টা যুক্তিগতভাবে আদৌ কি শুদ্ধাচার হচ্ছে!?

সন্তান কে ভালোবাসা আদর সোহাগ করা খুবই প্রয়োজন। তবে এভাবে সন্তানদের পরিচিত করানো হলে বাবা মা'কে  কিভাবে পরিচিত করাবেন?
আমাদের সম্পর্কগুলো যার সাথে যেমন তাদেরকে সেইভাবে পরিচিত করানো হলে ভালোই হবে বৈকি মন্দ হবে না। যে যার স্থানে আছে তাকে তার নিজ স্থানে রেখে পরিচিত করানো হলে কোন সমস্যা হবে না বোধ হয়।

জীবন বিলাস


ব্যস্ত সবাই ভালোবাসার কথায়!
প্রেম বিরহে মর্মাহত
প্রতিটি পাতা আছে শব্দ যতো!
হাসি ঠাট্টা রঙ্গরস
ফুটে উঠছে যত জীবন বিলাস!
এতো কিছুর ভিড়ে নীরবচারীর
নীরবতার চিত্র আসে না
 কারো গান,গল্পে
কবিতা কিংবা সাহিত্য!

আরো একবার তোমাকে চাই।

আরো একবার তোমাকেই চাই! সমসাময়িক সময়ে এ কথাটি বলার সময় মানুষে নাই।
ব্যস্ত সবাই যেতে উপরের সিঁড়িটাই!এরকম লোভাতুর সহস্র ব্যস্ততার মাঝে মানবে দ্বিতীয়বার ডাকবার সময় কোথায়!

তাই বলি পাণ্ডুলিপি রচিত হয়নি খুব বিশেষ ;ওপারে গেলে ভালোবাসার আয়োজন হবে কিসে? হবে না নিশ্চয় খুব বিশেষ!

প্রিয়দর্শিনী হঠাৎ আগমন

চেনা পথে অকস্মাৎ প্রিয়দর্শিনীর
অপ্রত্যাশিত দৃষ্টিবিনিময় চিত্তে
ভাবনার উদয়াচল।
ভাবনার উদয়পুরে ভাব না
উঠতেই হয়ে গেল অস্তাচল।
দৃষ্টিতে স্বপ্নময়ী স্বল্প আলাপন
জুড়িয়ে  দিল মন।
এ যেন একটুখানি উদয়াস্ত ক্ষণ!

মোহর বাণিজ্য

বর্তমানে নতুন লাভজনক এক ব্যবসা চলছে নিরবে। অনেক পরিবার যৌতুক বিহীন বিয়েতে বড় অংকের মোহর বেঁধে মেয়ে বিয়ে দিয়ে কিছুদিন পরে ডিভোর্স নেওয়ার মাধ্যমে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ছেলে পক্ষের নিকট হতে। বিষয়টি খুবী উদ্বেগজনক, এতে অনেক পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে চরম বিপদে পড়ছে প্রতিনিয়ত। নতুন এই ব্যবসা সম্পর্কে সকলের সচেতনতা খুবী জরুরী।

নিজ সম্মান, পরিবার ও সমাজ বাঁচাতে সকলকেই সচেতন হওয়া এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। এতোদিন যৌতুককে না বলেছি আমরা আজও যৌতুককে না বলি এবংবিয়ে নামক ব্যবসায়ে মোহরনার বিষয়টিতেও খুব সর্তক হওয়া একান্ত প্রয়োজন। সকলের দৃষ্টিপাত কামনা করছি।

আমার আষাঢ়

আমার আষাঢ়ে তুমি
আসলে না বর্ষা!
উত্তপ্ত মাটির বুক
চিরে হয়েছে চৌচির।

বর্ষার অঝোর ধারা
বৃষ্টি হয়ে আজও
পোড়া বুকটায় পড়লো না
একফোঁটা বা একপশলা!